বাণী
আমি যদি বাবা হতুম বাবা হ’ত খোকা না হলে তার নাম্তা পড়া মারতাম মাথায় টোকা।। রোজ যদি হ’ত রবিবার! কি মজাটাই হ’ত গো আমার! কেবল ছুটি! থাকত নাক’ নামতা লেখাজোঁখা থাকত না কো যুক্ত অক্ষর, অঙ্কে ধর্ত পোকা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
আমি যদি বাবা হতুম বাবা হ’ত খোকা না হলে তার নাম্তা পড়া মারতাম মাথায় টোকা।। রোজ যদি হ’ত রবিবার! কি মজাটাই হ’ত গো আমার! কেবল ছুটি! থাকত নাক’ নামতা লেখাজোঁখা থাকত না কো যুক্ত অক্ষর, অঙ্কে ধর্ত পোকা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
মুখে কেন নাহি বলো আঁখিতে যে কথা কহো
অন্তরে যদি চাহো মোরে তবে কেন দূরে দূরে রহো।।
প্রেম -দীপ শিখা অন্তরে যদি জ্বলে
কেন চাহো তারে লুকাইতে অঞ্চলে
পূজিবে না যদি সুন্দরে রূপ -অঞ্জলি কেন বহো।।
ফুটিলে কুসুম -কলি রহে না পাতার তলে,
কুণ্ঠা ভুলিয়া দখিনা-বায়ের কানে কানে কথা বলে।
যে অমৃত-ধারা উথলে হৃদয় মাঝে
রুধিয়া তাহারে রেখো না হৃদয় লাজে
প্রাণ কাঁদে যার লাগি, তারে কেন বিরহ দহনে দহো।।
রাগঃ
তালঃ দাদরা

চল রে কাবার জিয়ারতে, চল নবীজীর দেশ। দুনিয়াদারির লেবাস খুলে পর রে হাজীর বেশ।। আওকাতে তোর থাকে যদি - আরফাতের ময়দান, চল আরফাতের ময়দান, এক জামাত হয় যেখানে ভাই নিখিল মুসলমান। মুসলিম গৌরব দেখার যদি থাকে তোর খায়েশ।। যেথায় হজরত হলেন নাজেল মা আমিনার ঘরে খেলেছেন যার পথে-ঘাটে মক্কার শহরে, চল মক্কার শহরে। সেই মাঠের ধূলা মাখবি যথা নবী চরাতেন মেষ।। ক'রে হিজরত কায়েম হলেন মদিনায় হজরত - যে মদিনায় হজরত, সেই মদিনা দেখবি রে চল, মিটবে রে তোর প্রানের হসরত; সেথা নবীজীর ঐ রওজাতে তোর আরজি করবি পেশ।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বরষ মাস যায় — সে নাহি আসে, বরষ মাস যায়। সখি রে সেই চাঁদ ওঠে নভে ফুলবনে ফুল ফোটে বৃথায়।। একা সহি’ মৌন হৃদয়-ব্যথা, আমার কাঁদন শুনি’ সে মোর যদি ব্যথা পায়।। মরমর ধ্বনি শুনি’ পল্লবে চমকিয়া উঠি সখি ভাবি বুঝি বঁধু মোর আসিল। যে যায় চলিয়া, চলিয়া সে যায় চিরতরে ফিরে আর আসে না সে হায়।।
রাগঃ পিলু-কাফি মিশ্র
তালঃ
রাস-মঞ্চে দোল-দোল লাগে রে, জাগে ঘূর্ণি-নৃত্যের দোল। আজি রাস-নৃত্য নিরাশ চিত্ত জাগো রে, চল যুগলে যুগলে বন-ভবনে - আনো নিথর হেমন্ত হিম পবনে চঞ্চল হিল্লোল॥ শতরূপে প্রকাশ আজি শ্রী হরি, শত দিকে শত সুরে বাজে বাঁশরি - সকল গোপিনী আজি রাই কিশোরী, - যাবে তৃষ্ণা, পাবে কৃষ্ণের কোল॥ তরল তাল ছন্দ-দুলাল নন্দ-দুলাল নাচে রে, অপরূপ রঙ্গে নৃত্য-বিভঙ্গে অঙ্গের পরশ যাচে রে; মানস-গঙ্গা অধীর-তরঙ্গা প্রেমের-যমুনা হ’ল রে উতরোল॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

সাগর হ’তে চুরি ডাগর তার আঁখি। গভীর চাহনীতে করুণা মাখামাখি।। সফরী সম তাহে ভাসিছে আঁখি-তারা, তাহারি লোভে যেন উড়িছে ভুরু-পাখি।। দুলে তরঙ্গ তাহে কভু ঘোর কভু ধীরে, আঁখির লীলা হেরি’ আঁখিতে আঁখি রাখি।। ভীরু হরিণ-চোখে অশনি হান কেন, শারাব-পিয়ালাতে জহর কেন সাকি।। আঁখির ঝিনুকে কবে ফলিবে প্রেম-মোতি, ডুবিবে আঁখি-নীরে সেদিনের নাহি বাকী।।
রাগঃ সিন্ধু মিশ্র
তালঃ দাদ্রা
