
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

চাঁদের কন্যা চাঁদ সুলতানা, চাঁদের চেয়েও জ্যোতি। তুমি দেখাইলে মহিমান্বিতা নারী কী শক্তিমতী।। শিখালে কাঁকন চুড়ি পরিয়াও নারী, ধরিতে পারে যে উদ্ধত তরবারি, না রহিত অবরোধের দুর্গ, হতো না এ দুর্গতি।। তুমি দেখালে নারীর শক্তি স্বরূপ – চিন্ময়ী কল্যাণী, ভারত জয়ীর দর্প নাশিয়া মুছালে নারীর গ্লানি। তুমি গোলকুন্ডার কোহিনূর হীরা সম আজো ইতিহাসে জ্বলিতেছে নিরুপম, রণরঙ্গিণী ফিরে এসো, তুমি ফিরিয়া আসিলে, ফিরিয়া আসিবে লক্ষী ও সরস্বতী।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ ফেরদৌস আরা

আমিনার কোলে নাচে হেলে দুলে শিশু নবী আহমদ রূপের লহর তুলে।। রাঙা মেঘের কাছে ঈদের চাঁদ নাচে যেন নাচে ভোরের আলো গোলাব গাছে। চরণে ভ্রমরা গুঞ্জরে গুল ভুলে।। সে খুশির ঢেউ লাগে আরশ কুরসি পাশে হাততালি দিয়ে হুরী সব বেহেশতে হাসে সুখে ওঠে কেঁপে হিয়া চরণ মূলে।। চাঁদনি রাঙা অতুল মোহন মোমের পুতুল আদুল গায়ে নাচে খোদার প্রেমে বেভুল আল্লার দয়ার তোহ্ফা এলো ধরার কূলে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

গুরুমন্ত্র তোমার উঠল জ্ব’লে হোমের শিখার মত। এক নিমেষে ভষ্ম হ’ল পাপ-তাপ মোর যত।। চির-আঁধার ছিল আমার হিয়া তুমি এলে মন্দ্র-প্রদীপ নিয়া, হল চকিতে সেই দীপালোকে মনের আঁধার গত।। উজ্জ্বল মোর ঘন-দেউলে কোন্ সে আদি ঋষি, গভীর উদার মন্ত্র তোমার জপে দিবা-নিশি। রিপু দানব যথা ক’রত বাস সেই মন হ’ল আজ আনন্দ-কৈলাস, সে-কৈলাসে তুমি শিব, আমি দীন প্রণত।।
রাগঃ
তালঃ
চল জয়যাত্রায় চল বাসন্তী-বাহিনী চল রচিতে বুকে বুকে নব প্রেম-কাহিনী।। যথা উদাসীন পুরুষ তপস্যা-মগ্ন জাগো সেথা সুরত রতি অতি লগ্ন — যার বাসনা ফুরায় মনে — চলো তার তপোবনে চল কামনার কামিনী।।
নাটক : ‘হরপার্বতী’
রাগঃ
তালঃ
চপল আঁখির ভাষায়, হে মীনাক্ষী ক’য়ে যাও। না-বলা কোন্ বাণী বলিতে চাও॥ আড়ি পাতে নিঝ্ঝুম বন আঁখি তুলি’ চাহিবে কখন, আঁখির তিরস্কারে ঐ বন-কান্তারে ফুল ফোটাও॥ নিটোল আকাশ টোল খায় তোমারি চাওয়ায়, হে মীনাক্ষী, নদী-জলে চঞ্চল সফরী লুকায়, হে মীনাক্ষী! ওই আঁখির করুণা ঢালো রাগ অরুণা, আঁখিতে আঁখিতে ফুল-রাখি বেঁধে দাও॥
রাগঃ মীনাক্ষী (নজরুল-সৃষ্ট রাগ)
তালঃ ত্রিতাল

বাঁধিয়া দুইজনে দুঁহু ভুজ বন্ধনে কাঁদিছে শ্যাম রাই। মিলনের মাঝে এত বেদনা যে বাজে গো – দেখি নাই, শুনি নাই।। সাগরে মিশে নদী, তবু কাঁদে নিরবধি, বুঝি না কেন গো – বুকে যত পায়, তত তৃষ্ণা বেড়ে যায়, সাধ মেটে না যেন গো।। সাধ কি মেটে গো চাঁদকে হেরে চকোরিণীর সাধ কি মেটে গো – মেঘ দেখে চাতকিনীর সাধ কি মেটে গো। হের, নব নাগরি নব নাগর মাতিল প্রেম-রসে, নব প্রভাত-কমলে যেন বন ভ্রমর বসে। নব সোনার শতদলে যেন নব মেঘের ছায়া কনকমালা ঘিরিল যেন বন নীল গিরি কায়া। গিরিধারীরে ধরিল, ধিরিধিরি রাধা গিরিধারীরে ধরিল।। আধ অধরে ধরে নাক’ হাসি, আধ-অধরে বাঁশি, হেরি’ আধ অঙ্গ দাস হতে চায়, আধ অঙ্গ দাসী; শ্রীচরণ ঘিরিয়া মন মধুকর গাহে, চরণাম্বুজ-রজ মাধুকরী চাহে।। বলে, ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও – ওই চরণ কমল-মধু ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও, ঐ যুগল-রূপ রাধা-শ্যাম দেখি যেন অবিরাম (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও) আমি আনন্দ-যমুনা হয়ে, চরণ ধুয়ে যাব বয়ে, (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও) আমি নিত্য হৃদি-ব্রজধামে হেরিব মোর রাধা-শ্যামে, (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও)।।
বেতার গীতিচিত্রঃ ‘যুগল মিলন’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan