Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

সখি আমি-ই না হয় মান করেছিনু

বাণী

সখি		আমি-ই না হয় মান করেছিনু তোরা তো সকলে ছিলি। 
		ফিরে গেল হরি, তোরা পায়ে ধরি, কেন নাহি ফিরাইলি।। 
		তা'রে ফিরায় যে পায়ে ধরি' (তার) পায়ে পায়ে ফেরেন হরি 
		পরিহরি মান, অভিমান (তা'রে) কেন নাহি ফিরাইলি। 
		তোরা তো হরির স্বভাব জানিস। 
তা'র		স্ব-ভাবের চেয়ে পরভাব বেশি তোরা তো হরির স্বভাব জানিস্। 
		তা'র স্বভাব জেনেও রহিলি স্ব-ভাবে ডাকিলি না পরবোধে। 
তা'রে		প্রবোধ কেন দিলি নে সই, তোরা তো চিনিস্ হরিরে 
		প্রবোধ কেন দিলি নে সই।   
		(কেন) ডাকিলি না পরবোধে। 
		(হরি) প্রহরী হইয়া রহিত রাধার ঈষৎ অনুরোধে 
		(তা'রে) অনুরোধ কেন করলি নে সই 
		তোরা যে আমার অন্তরাধা অনুরোধ কেন করলি নে সই। 
		তোরা যে রাধার অনুবর্তিনী 
		অনুরোধ কেন করলি নে সই (কেন) ডাকিলি না পরবোধে।। 

আঁখি-বারি আঁখিতে থাক

বাণী

আঁখি-বারি আঁখিতে থাক, থাক ব্যথা হৃদয়ে।
হারানো মোর বুকের প্রিয়া রইবে চোখে জল হয়ে।।
	নিশি-শেষে স্বপন-প্রায়
	নিলে তুমি চির-বিদায়,
ব্যথাও যদি না থাকে হায়, বাঁচিব গো কি ল’য়ে।।
	ভালোবাসার অপরাধে
	প্রেমিক জনম জনম কাঁদে,
কুসুমে কীট বাসা বাঁধে শত বাধা প্রণয়ে।।
	আজকে শুধু করুণ গীতে
	কাঁদিতে দাও দাও কাঁদিতে,
আমার কাঁদন-নদীর স্রোতে বিরহের বাঁধ যাক ক্ষয়ে।।

হে গোবিন্দ রাখ চরণে

বাণী

হে গোবিন্দ রাখ চরণে।
মোরা তব চরণে শরণাগত আশ্রয় দাও আশ্রিত জনে হে॥
	গঙ্গা ঝরে যে শ্রীচরণ বেয়ে
	কেন দুখ পাই সে চরণ চেয়ে
এ ত্রিতাপ জ্বালা হর হে শ্রীহরি, চাহ করুণা সিক্ত নয়নে॥
হরি ভিক্ষা চাহিলে মানুষ নাহি ফিরায়
তোমারি দুয়ারে হাত পাতিল যে, ফিরাবে কি তুমি তায়।
	হরি সব তরী ডুবে যায়
	তোমার চরণ তরী ত’ ডোবে না হায়,
তব চরণ ধরিয়া ডুবে মরি যদি রবে কলঙ্ক নিখিল ভুবনে॥

বল রে জবা বল

বাণী

বল্‌ রে জবা বল্ —
কোন্ সাধনায় পেলি শ্যামা মায়ের চরণতল।।
মায়া–তরুর বাঁধন টু’টে মায়ের পায়ে পড়লি লু’টে
মুক্তি পেলি, উঠলি ফুটে আনন্দ–বিহ্বল।
তোর সাধনা আমায় শেখা (জবা) জীবন হোক সফল।।
কোটি গন্ধ –কুসুম ফোটে, বনে মনোলোভা —
কেমনে মা’র চরণ পেলি, তুই তামসী জবা।
তোর মত মা’র পায়ে রাতুল হবো কবে প্রসাদী ফুল,
কবে উঠবে রেঙে —
ওরে মায়ের পায়ের ছোঁয়া লেগে উঠবে রেঙে,
কবে তোরই মতো রাঙবে রে মোর মলিন চিত্তদল।।

মোরে সেইরূপে দেখা দাও হরি

বাণী

মোরে সেইরূপে দেখা দাও হরি।
তুমি ব্রজের বালারে রাই কিশোরীরে
ভুলাইলে যেই রূপ ধরি’।।
হরি বাজায়ো বাঁশরি সেই সাথে,
যে বাঁশি শুনিয়া ধেনু গোঠে যেত উজান বহিত যমুনাতে।
যে নূপুর শুনে ময়ূর নাচিত এসো হে সেই নূপুর পরি।।
নন্দ যশোদা কোলে গোপাল
যে রূপে খেলিতে, ক্ষীর ননী খেতে এসো সেই রূপে ব্রজ দুলাল।
যে পীত বসনে কদম তলায় নাচিতে এসো সে বেশ পরি।।
কংসে বধিলে যে রূপে শ্যাম,
কুরুক্ষেত্রে হলে সারথি এসো সেইরূপে এ ধরাধাম।
যে রূপে গাহিলে গীতা নারায়ণ, এসো সে বিরাট রূপ ধরি।।

মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে

বাণী

মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে
তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে।।
সমাধি-মগ্না উমা তপতী —
রৌদ্র যেন তার তেজঃ জ্যোতি,
ছায়া মাগে ভীতা ক্লান্তা কপোতী —
কপোত-পাখায় শুষ্ক শাখে।।
শীর্ণা তপিনী বালুচর জড়ায়ে
তীর্থে চলে যেন শ্রান্ত পায়ে।
দগ্ধ-ধরণী যুক্ত-পাণি
চাহে আষাঢ়ের আশিস বাণী
যাপিয়া নির্জলা একদশীর তিথি
পিপাসিত আকাশ যাচে কাহাকে।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan