
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

কেউ ভোলে না কেউ ভোলে অতীত দিনের স্মৃতি কেউ দুঃখ ল’য়ে কাঁদে কেউ ভুলিতে গায় গীতি।। কেউ শীতল জলদে হেরে অশনির জ্বালা কেউ মুঞ্জরিয়া তোলে তার শুষ্ক কুঞ্জ–বীথি।। হেরে কমল–মৃণালে কেউ কাঁটা কেহ কমল। কেউ ফুল দলি’ চলে কেউ মালা গাঁথে নিতি।। কেউ জ্বালে না আর আলো তার চির–দুখের রাতে, কেউ দ্বার খুলি’ জাগে চায় নব চাঁদের তিথি।।
রাগঃ মান্দ
তালঃ কাহার্বা
১.

স্বরলিপিকার: কাজী নজরুল ইসলাম
২.

ইয়া ইলাহী! ইয়া ইলাহী! তব রাহে মোরে কর রাহী। ফরজ-ওয়াজেব জানি না হে স্বামী তব নামে মশগুল দিবা-যামী, চাহিনা শাফায়াৎ বেহেশ্ত দৌলত- হে প্রভু শুধু তোমারে চাহি।। পতঙ্গ ধায় যেমন দীপ-পানে তোমার জ্যোতি মোরে তেমনি টানে, তোমার বিরহে নিশি-দিন কাঁদি- পরানে আমার শান্তি নাহি ৷৷ আমারে রাখো তব প্রেমে ছেয়ে’ বিশ্ব ভুলি যেন তোমারে পেয়ে, নদী যেমন যায় সাগরে ধেয়ে- তেমনি ছুটি যেন তব নাম গাহি ৷৷
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কেন নিশি কাটালি অভিমানে। ডুবে গেল চাঁদ দূর বিমানে।। মান-ভরে চাতকী এ বাদলে মিটালি না পিয়াসা মেঘ-জলে, কোথা রবে এ মেঘে কেবা জানে।। রহে চাঁদ দূরে অমা নিশীথে তবু ফোটে কুমুদী সরসীতে, রহে চাহি’ কলঙ্কী শশী-পানে।। যে ফাগুনে ফুল ফুটিল রাতে রবে না সে-ফাগুন কালি প্রাতে, যে ফুটিল না, সে শুকাবে বাগানে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা / কাহার্বা
বৃথা তুই কাহার পরে করিস অভিমান পাষাণ-প্রতিমা সে যে হৃদয় পাষাণ।। রূপসীর নয়নে জল নয়ন-শোভার তরে ও শুধু মেঘের লীলা নভে যে বাদল ঝরে। চাতকেরই তরে তাহার কাঁদে না পরান।। প্রণয়ের স্বপন-মায়া,ধরিতে মিলায় কায়া গো-ধূলির রঙের খেলা ক্ষণে অবসান।।
রাগঃ জৌনপুরী
তালঃ দাদ্রা

বাজিছে দামামা, বাঁধ রে আমামা শির উঁচু করি মুসলমান। দাওয়াত এসেছে নয়া জামানার ভাঙা কিল্লায় ওড়ে নিশান।। মুখেতে কল্মা হাতে তলোয়ার বুকে ইসলামী জোশ্ দুর্বার, হৃদয়ে লইয়া এশ্ক্ আল্লার — চল্ আগে চল বাজে বিষাণ। ভয় নাই তোর গলায় তাবিজ বাঁধা যে রে তোর পাক কোরান।। নহি মোরা জীব ভোগ বিলাসের শাহাদত ছিল কাম্য মোদের, ভিখারির সাজে খলিফা যাদের — শাসন করিল আধা জাহান। তা’রা আজ প’ড়ে ঘুমায় বেহোঁশ্ বাহিরে বহিছে ঝড় তুফান।। ঘুমাইয়া কাজা করেছি ফজর তখনো জাগিনি যখন জোহর, হেলা ও খেলায় কেটেছে আসর — মাগরিবের আজ শুনি আজান। জমাত-শামিল হও রে এশাতে এখনো জামাতে আছে স্থান।। শুকনো রুটিরে সম্বল ক’রে যে ঈমান আর যে প্রাণের জোরে, ফিরেছি জগৎ মন্থন ক’রে — সে-শক্তি আজ ফিরিয়ে আন। আল্লাহু আকবর রবে পুন কাঁপুক বিশ্ব দূর বিমান।।
রাগঃ ইমন মিশ্র
তালঃ একতাল
ওরে বাবা! এর নাম নাকি পূজা! (রে ভাই)। (এই) পূজার ঠ্যালা সইতে সোজা মানুষ হয় যে কুঁজা। ষষ্ঠীর কৃপায় দশটি মেয়ে রাবণের গুষ্টি সঙ্গে আঁচিলের মতন এঁটুলির মতন নেপটে আছেন অঙ্গে। এরা ছাড়ে না, — তবু আঁচিল ছাড়ে খেলে হোমিওপ্যাথিক থুজা।। বেনারসি, ঢাকাই, রেশমি তসর, এণ্ডি, মট্কা বইতে বইতে গা দিয়ে দাদা ঘাম ছুটে যায় বোঁট্কা। (এই) চাওয়ার ভয়ে শিব ন্যাংটা, কথা কন্ না দশভুজা।। গিন্নি কন্যে হন্যে হয়ে সদাই সওদা করে (ওরা ভাবে) ব্যাঙ্কের টাকা যেন ট্যাঙ্কের জলের মতন ঝরঝর ক’রে ঝরে তাদের এক গোঁ থিয়েটার, সিনেমা, এসেন্স, পাউডার খুঁজা।। এ সব যদি জুটল, তবে যেতে হবে চেঞ্জে শালা শালী সবাই এক জোটে বলে এবার ‘সস্তায় ট্রেন যে,’ ও বোনাই। (না গেলে) দেখব সদাই গিন্নীর কুতুরে চক্ষু কেৎরে-বুঁজা।। সবাই যেন শ্রীদুর্গার গুষ্টি, আমি যেন বাহন সিঙ্গি, আসছে বছর পূজায় মাগো হব আমি ফিরিঙ্গি। জয় বাবা যীশুখ্রিস্টের জয় (এই পূজার সময়) পিতা হওয়ার চেয়ে হাড়িকাঠের পাঁঠা হওয়া সোজা।।
‘পূজার ঠ্যালা’
রাগঃ
তালঃ

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan