বাণী
গুঞ্জা-মঞ্জরি-মালা। অঞ্চলে শুকায় অভিমানে কালা।। সহিতে পারি না আর তোমার বিরহ ধর গিরিধারী মোর বেদনা অসহ, ভোলাও নীরদ-ঘন-শ্যাম-কৃষ্ণ! তৃষ্ণার জ্বালা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ মালগুঞ্জ
তালঃ
গুঞ্জা-মঞ্জরি-মালা। অঞ্চলে শুকায় অভিমানে কালা।। সহিতে পারি না আর তোমার বিরহ ধর গিরিধারী মোর বেদনা অসহ, ভোলাও নীরদ-ঘন-শ্যাম-কৃষ্ণ! তৃষ্ণার জ্বালা।।
রাগঃ মালগুঞ্জ
তালঃ
বিরহের নিশি কিছুতে আর চাহে না পোহাতে ওগো প্রিয়। জাগরণে দেখা দিলে না নাথ স্বপনে আসিয়া দেখা দিও।। হেরিব কবে সে-মোহন রূপ শুকায়েছে মালা, পুড়েছে ধূপ, নিভে যদি যায় জীবন-দীপ তুমি এসে নাথ জ্বালাইও১।। তব আশা-পথ চাহি’ বৃথায় দিবস মাস বরষ যায়, এ জনমে যদি ভুলিলে হায় — পর জনমে না ভুলিও।।
১. নিভাইও
রাগঃ সাহানা
তালঃ একতাল
প্রণমামী শ্রীদুর্গে নারায়ণী গৌরী শিবে সিদ্ধি বিধায়িনী মহামায়া অম্বিকা আদ্যাশক্তি ধর্ম-অর্থ-কাম মোক্ষ-প্রদায়িনী।। শুম্ভ নিশুম্ভ বিমর্দিনী চন্ডী নমো নমঃ দশপ্রহরণ ধারিণী দেবী সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয়-বিধাত্রী জয় মহিষাসুর সংহারিণী। জয় দুর্গে, জয় দুর্গে।। যুগে যুগে দনুজ দলনী মহাশক্তি যোগনিদ্রা মধুকৈটভ নাশিনী বেদ-উদ্ধারিণী মণি-দীপ বাসিনী শ্রীরাম অবতারে বরাভয় দায়িনী। জয় দুর্গে, জয় দুর্গে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

শ্রান্ত-ধারা বালুতটে শীর্ণা-নদীর গান সেই সুরে গো বাজবে আমার করুণ বাঁশির তান॥ সাথী-হারা একেলা পাখি, যে-সুরে যায় বনে ডাকি’ সেই সুরেরি কাঁদন মাখি’ বিধুর আমার প্রাণ॥ দিন শেষের ম্লান আলোতে ঘনায় যে বিষাদ আমার গানে জড়িয়ে আসে তারই অবসাদ। ঝরা-পাতার মরমরে, বাদল-রাতে ঝরঝরে বাজে আমার গানের সুরে গোপন অভিমান॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

দোলা লাগিল দখিনার বনে বনে বাঁশরি বাজিল ছায়ানটে মনে মনে॥ চিত্তে চপল নৃত্যে কে ছন্দে ছন্দে যায় ডেকে; যৌবনের বিহঙ্গ ঐ ডেকে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে॥ বাজে বিজয়-ডঙ্কা তারই এলো তরুণ ফাল্গুনী, জাগো ঘুমন্ত – দিকে দিকে ঐ গান শুনি’। টুটিল সব অন্ধকার – খোলো খোলো বন্ধ দ্বার; বাহিরে কে যাবি আয় সে শুধায় জনে জনে॥
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ একতাল (জলদ)

নয়নে তোমার ভীরু মাধুরীর মায়া বন-মৃগী সম উঠিছ চমকি' হেরিয়া আপন ছায়া।। প্রাতে ঊষার প্রায় রেঙে ওঠো লজ্জায়, এলায়িত লতিকায় ভঙ্গুর তব কায়া।। দৃষ্টিতে তব আরতি-দীপের দ্যুতি তুমি নিবেদিতা সন্ধ্যা-পূজা-আরতি। ভূমি অবলুণ্ঠিতা বনলতা কুণ্ঠিতা কোলাহল-শঙ্কিতা যেন গো তাপস-জায়া।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
