বেলওয়ারি চুড়ি কে নিবি আয়

বাণী

বেলওয়ারি চুড়ি কে নিবি আয় পুর-নারী।
চুড়িওয়ালী আমি এনেছি চুড়ি রকমারি।।
যৌবন যা’র হ’ল বাসী
বঁধু যার পরবাসী,
	এই চুড়ি-কবচ তারি’।।
কে আছ বিরহিণী
এই রেশমি চুড়ি কিনি,
ভোলো বিরহ ভোলো ভোলো।
মিলনের রাখি কাঁচের এ চুড়ি
কালো মেয়ে হবে তাঁর স্বামীর প্যারী।।
যাদু জানে এই চুড়ি বশ হয় ননদ-শাশুড়ি,
এ চুড়ি পরলে হাতে রাঙা বর পায় যত আই-বুড়ি।
চাই চুড়ি চাই — আয় বধূ আয়,
আয় কিশোরী, আয় কুমারী।
নে ভোলা মনের এই চুড়ি মনোহারী।।

যাবার বেলায় সালাম লহ

বাণী

	যাবার বেলায় সালাম লহ হে পাক রমজান।
তব	বিদায় ব্যথায় কাঁদিছে নিখিল মুসলিম জাহান।। 
	পাপীর তরে তুমি পারের তরী ছিলে দুনিয়ায়, 
	তোমারি গুণে দোজখের আগুন নিভে যায়,
	তোমারি ভয়ে লুকায়ে ছিল দূরে শয়তান।। 
	ওগো রমজান, তোমারি তরে মুসলিম যত 
	রাখিয়া রোজা ছিল জাগিয়া চাহি' তবু পথ,
	আনিয়াছিলে দুনিয়াতে তুমি পবিত্র কোরআন।। 
	পরহেজগারের তুমি যে প্রিয় প্রাণের সাথী, 
	মসজিদে প্রাণের তুমি যে জ্বালাও দ্বীনের বাতি,
	উড়িয়ে গেলে যাবার বেলায় নতুন ঈদের চাঁদের নিশান।।

তুমি লহ প্রভু আমার সংসারেরি ভার

বাণী

তুমি লহ প্রভু আমার সংসারেরি ভার লহ সংসারেরি ভার
আজকে অতি ক্লান্তআমি বইতে নারি আর
	এ ভার বইতে নারি আর।।
	সংসারেরি তরে খেটে
	জনম আমার গেল কেটে
(ওরে) তবু অভাব ঘুচল না (আমার) হায় খাটাই হল সার।।
বিফল যখন হলাম পেতে সবার কাছে হাত
তখন তোমায় পড়ল মনে হে অনাথের নাথ।
	অভাবকে আর করি না ভয়
	তোমার ভাবে মগ্ন হৃদয়
তোমায় ফিরিয়ে দিলাম হে মায়াময় তোমারি সংসার।।

ফিরি পথে পথে মজনুঁ দীওয়ানা হয়ে

বাণী

	ফিরি পথে পথে মজনুঁ দীওয়ানা হয়ে।
	বুকে মোর এয়্ খোদা তোমারি এশ্‌ক ল’য়ে।।
	তোমার নামের তস্‌বিহ্‌ ল’য়ে ফিরি গলে
	দুনিয়াদার বোঝে না মোরে পাগল বলে,
	ওরা চাহে ধনজন, আমি চাহি প্রেমময়ে।।
	আছ সকল ঠাঁয়ে শু’নে বলে সবে
	এমনি চোখে তোমার দিদার কবে হবে
আমি	মনসুর নহি যে পাগল হব ‘আনাল্ হক’ ক’য়ে।।
	তোমার হবিবের আমি উম্মত্ এয়্ খোদা
	তাই ত দেখিতে তোমায় সাধ জাগে সদা,
আমি	মুসা নহি যে বেহোঁশ্ হয়ে পড়ব ভয়ে।।
	তোমারি করুণায় যাবই তোমায় জেনে
	বসাব মোর হৃদে তোমার আর্শ এনে,
আমি	চাই না বেহেশ্‌ত, র’ব বেহেশ্‌তের মালিক ল’য়ে।।

তেপান্তরের মাঠে বঁধু হে একা বসে থাকি

বাণী

		তেপান্তরের মাঠে বঁধু হে একা বসে থাকি।
		তুমি যে পথ দিয়ে গেছ চলে তারি ধূলা মাখি’ হে।।
যেমন		পা ফেলেছ গিরিমাটির রাঙা পথের ধূলাতে,
		অমনি করে আমার বুকে চরণ যদি বুলাতে,
আমি		খানিক জ্বালা ভুলতাম ঐ মানিক বুকে রাখি’ হে।।
আমার	খাওয়া পরার নাই রুচি, আর ঘুম আসে না চোখে হে,
আমি		আউরী হয়ে বেড়াই পথে, হাসে পাড়ার লোকে
					দেখে হাসে পাড়ার লোকে।
আমি		তাল পুকুরে যেতে নারি — একি তোমার মায়া হে,
আমি		কালো জলে দেখি তোমার কালো রূপের ছায়া হে;
আমার	কলঙ্কিনী নাম রটিয়ে তুমি দিলে ফাঁকি হে।।

আমি তব দ্বারে প্রেম-ভিখারি

বাণী

আমি তব দ্বারে প্রেম-ভিখারি
নয়নের অনুরাগ-দৃষ্টির সাথে চাহি নয়ন-বারি।।
তব পুষ্পিত তনুতে,হৃদয় -কমলে
গোপনে যে প্রেম-মধু উথলে
তোমার কাছে সেই অমৃত যাচে তৃষিত এ পথচারী।।
জনম জনম আমি রূপ ধ'রে আসি গো,
	তোমারি বিরহে কাঁদিতে,
রাহুর মত আমি আসি না
	বাহু-পাশে বাঁধিতে।
আমি ফুলের মধু চাহি,ছিঁড়ি না ফুল গো,
তদূরে রহি,গাহি গান বন-বুলবুল গো,
মনোবনে আছে তব নন্দন-পারিজাত,আমি তা'রি পূজারি।।