নোটিশ বোর্ড

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

গান শুনুন

Print

ভারত শ্মশান হ’ল মা তুই শ্মশানবাসিনী ব’লে

বাণী

ভারত শ্মশান হ’ল মা, তুই শ্মশানবাসিনী ব’লে।

জীবন্ত-শব নিত্য মোরা, চিতাগ্নিতে মরি জ্ব’লে।।

আজ হিমালয় হিমে ভরা,

দারিদ্র্য-শোক-ব্যাধি-জরা,

নাই যৌবন, যেদিন হতে শক্তিময়ী গেছিস্ চ’লে।।

(মা) ছিন্নমস্তা হয়েছিস্ তাই হানাহানি হয় ভারতে,

নিত্য-আনন্দিনী, কেন টানিস্ নিরানন্দ পথে?

শিব-সীমন্তিনী বেশে

খেল্ মা আবার হেসে হেসে,

ভারত মহাভারত হবে, আয় মা ফিরে মায়ের কোলে।।

রাগ ও তাল

রাগঃ মূলতান

তালঃ একতাল

ভিডিও

Print

ওগো পূজার থালায় আছে আমার ব্যথার শতদল

বাণী

ওগো পূজার থালায় আছে আমার ব্যথার শতদল।

হে দেবতা রাখ সেথা তোমার পদতল।।

নিবেদনের কুসুম সহ

লহ হে নাথ, আমায় লহ

যে আগুনে আমায় দহ

সেই আগুনে আরতি-দীপ জ্বেলেছি উজল।।

যে নয়নের জ্যোতি নিলে কাঁদিয়ে পলে পলে,

মঙ্গল-ঘট ভরেছি নাথ, সেই নয়নের জলে।

যে চরণে করো আঘাত

প্রণাম লহ সেই পায়ে নাথ

রিক্ত তুমি করলে যে হাত,

হে দেবতা! লও সে হাতে অর্ঘ্য-সুমঙ্গল।।

রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ দাদ্‌রা

ভিডিও

Print

আয় মা উমা! রাখ্‌ব এবার ছেলের সাজে সাজিয়ে তোরে

বাণী

(মা) আয় মা উমা! রাখ্‌ব এবার ছেলের সাজে সাজিয়ে তোরে।

(ওমা) মা’র কাছে তুই রইবি নিতুই, যাবি না আর শ্বশুর ঘরে।।

মা হওয়ার মা কী যে জ্বালা

বুঝবি না তুই গিরি-বালা

তোরে না দেখলে শূন্য এ বুক কী যে হাহাকার করে।।

তোরে টানে মা শঙ্কর-শিব আসবে নেমে জীব-জগতে,

আনন্দেরই হাট বসাব নিরানন্দ ভূ-ভারতে।

না দেখে যে মা, তোর লীলা

হ’য়ে আছি পাষাণ-শীলা

আয় কৈলাসে তুই ফির্‌বি নেচে বৃন্দাবনের নূপুর প’রে।।

রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ একতাল

ভিডিও

Print

কী দশা হয়েছে মোদের দেখ্ মা উমা আনন্দিনী

বাণী

কী দশা হয়েছে মোদের দেখ্ মা উমা আনন্দিনী।

তোর বাপ হয়েছে পাষাণ গিরি, মা হয়েছে পাগলিনী।।

(মা) এ দেশে আর ফুল ফোটে না

গঙ্গাতে আর ঢেউ ওঠে না

তোর হাসি-মুখ দেখলে যে মা পোহায় না মোর নিশীথিনী।।

আর যাবি না ছেড়ে মোদের বল্ মা আমায় কন্ঠ ধরি

সুর যেন তার না থামে আর বাজালি তুই যে বাঁশরি।।

(মা) না পেলে তুই শিবের দেখা

রইতে যদি নারিস্ একা,

আমি শিবকে বেঁধে রাখব মা গো হয়ে শিব-পূজারিণী।।

রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ যৎ (৮ মাত্রা)

Print

তোমায় আমায় মিল খেয়েছে ও প্রেয়সী রাজ-যোটক

বাণী

তোমায় আমায় মিল খেয়েছে ও প্রেয়সী রাজ-যোটক।

আমি যেন গোদা চরণ তুমি তাহে বিষ্ফোটক।।

আমি কুম্‌ড়ো তুমি দা, আমি কাঁচকলা তুমি আদা,

তুমি তেজী, (আর) আমি ম্যাদা,

আমিসাপ, তুমি বেজি যেন, বাপ! তুমি হস্তিনী আমি ঘোটক।।

তুমি বঁটী আমি চিচিঙ্গে, আমি চিল, পিছে তুমি ফিঙে

আমি টিঙ্ টিঙে, (আর) তুমি ডিঙ্ ডিঙে

প্রিয়েআমি ভেতো বাঙালিটি, তুমি যেন বর্গী-ঠগ্‌।।

আমি দাড়ি তুমি ক্ষুর, তুমি সাপ আমি ল্যাজুড়,

তুমি মাফ, আমি কসুর

আমি ভাঙা ভোঙা কলার ভেলা তুমি খিদিরপুরের ডক্।।

তুমি বঁড়্ শি আমি মাছ; আমি মোম্ তুমি আগুন-আঁচ,

তুমি আমার হাতের পাঁচ

তুমি আর জনমে স্বামী হয়ো আমায় দিও পদোদক।।

রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ দ্রুত-দাদ্‌রা

Print

আহ্‌মদের ঐ মিমের পর্দা উঠিয়ে দেখ্ মন

বাণী

আহ্‌মদের ঐ মিমের পর্দা উঠিয়ে দেখ্ মন।

(আহা)আহাদ সেথা বিরাজ করেন হেরে গুণীজন।।

যে চিন্‌তে পারে রয় না ঘরে হয় সে উদাসী,

সে সকল ত্যজে ভজে শুধু নবীজীর চরণ।।

ঐ রূপ দেখে পাগল হ’ল মনসুর হল্লাজ,

সে ‌‘আনল্ হক্‌’ ‌‘আনল্ হক্‌’ ব’লে ত্যজিল জীবন।।

তুই খোদ্‌কে যদি চিন্‌তে পারিস্‌ চিন্‌বি খোদাকে,

তুই দেখ্‌রে তাই তোরই চোখে সেই নূরী রওশন।।

রাগ ও তাল

রাগঃ পিলু-খাম্বাজ

তালঃ ঝাঁপতাল

লগইন

বাণী দেখা হয়েছে

গানের বাণী দেখা হয়েছে 1592589 বার

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে 3794627 বার