লক্ষ্মী মাগো নারায়ণী আয়

বাণী

লক্ষ্মী মাগো নারায়ণী আয় এ আঙিনাতে।
সুধার পাত্র সোনার ঝাঁপি ল’য়ে শুভ হাতে।।
	সৌভাগ্যদায়িনী তুই মা এসে
	দারিদ্র্য ক্লেশ নাশ কর মা হেসে
কোজাগরী পূর্ণিমা আন মা দুঃখের আঁধার রাতে।।
আন্‌ কল্যাণ শান্তি শ্রী, জননী কমলা,
এ অভাবের সংসারে থাক মা হয়ে অচঞ্চলা।
	রূপ দে মা যশ দে, দে জয়,
	অভয় পদে দে মা আশ্রয়,
ধরা ভরবে শস্যে ফুলে ফলে মা তোর আসার সাথে।।

মরুর ফুল ঝরিল অবেলাতে

বাণী

মরুর ফুল ঝরিল অবেলাতে
ফোরাত নদী কাঁদে বেদনাতে।
সাকিনা কাঁদে প’ড়ে ধূলায়
হাতের মেহদী মুছিয়া হায়,
কেয়ামত এলো যেন কারবালাতে।।
খুনের বাদল ঝরিছে আসমানে
হুরপরী কাঁদে থির নাহি মানে।
কাঁদিছে আলি ফাতেমা কাঁদে
ঘেরিল মেঘে সূরয চাঁদে
ঝরিছে আঁসু রসুলের আঁখি-পাতে।।

নাচের নেশার ঘোর লেগেছে

বাণী

	নাচের নেশার ঘোর লেগেছে নয়ন পড়ে ঢু’লে (লো)।
	বুনোফুল পড়লো ঝ’রে নাচের ঘোরে
				দোলন-খোঁপা খুলে (লো)।।
	শুনে এই মাদল-বাজা
	নাচে চাঁদ রাতের রাজা নাচে লো নাচে —
	শালুকের কাঁকাল ধ’রে
	তাল-পুকুরের জলে হে’লে দু’লে (লো)।।
	আঁউরে গেল ঝুম্‌কো জবা লেগে গরম গালের ছোঁওয়া
	বাঁশি শুনে ঘুলায় মনে কয়লা-খাদের ধোঁওয়া (লো)।
সই	নাচ ফুরালে ফিরে’ ঘরে,
	রাত কাটাব কেমন ক’রে
	পড়বে মনে বাঁশুরিয়ার চোখ দু’টি টুলটুলে (লো)।।

ঢল ঢল তব নয়ন-কমল

বাণী

ঢল ঢল তব নয়ন-কমল কাজল তোমারেই সাজে।
শোভে তোমারেই চাঁদের হাসি হিঙুল অধর-মাঝে।।
	ফিরোজা-রঙ শাড়ি চাঁপা রঙে তব
	সেজেছে প্রিয়া কি অভিনব,
সুনীল গগনে গোধূলি রঙ যেন মিশেছে আসিয়া ঊষা ও সাঁঝে।।
কোমলে কড়িতে বাজে কাঁকন চুড়ি
শিথিল আঁচল ল’য়ে খেলে হাওয়া লুকোচুরি,
উষ্ণ কপোল ছুঁয়ে থল্-কমলী আঁউ’রে গেল যে লাজে।।

রাধাকৃষ্ণ নামের মালা

বাণী

দ্বৈত	:	রাধাকৃষ্ণ নামের মালা
		জপ দিবানিশি নিরালা॥
পুরুষ	:	অগতির গতি গোকুলের পতি
স্ত্রী	:	শ্রীকৃষ্ণে ভক্তি দেয় যে শ্রীমতী
পুরুষ	:	ভব-সাগরে কৃষ্ণ নাম ধ্রুবজ্যোতি
দ্বৈত	:	সেই কৃষ্ণের প্রিয়া ব্রজবালা॥
স্ত্রী	:	পাপ-তাপ হবে দুর হরির নামে
		শ্রীমতী রাধা যে হরির বামে
পুরুষ	:	ঐ নাম জপি’ যাবি গোলকধামে
দ্বৈত	:	সেই রাধা নাম হবে দুঃখ জ্বালা॥
স্ত্রী	:	সাধনে সিদ্ধ হবে রাধা ব’লে ডাকো
পুরুষ	:	কৃষ্ণ-মূরতি হৃদি-মন্দিরে রাখো
দ্বৈত	:	জপ রে যুগল নাম রাধাশ্যাম
		এই আঁধার জগৎ হবে আলো॥

ছড়ায়ে বৃষ্টির বেলফুল

বাণী

ছড়ায়ে বৃষ্টির বেলফুল, দুলায়ে মেঘলা চাঁচর চুল
চপল চোখে কাজল মেঘে আসিল কে।।
		বাজায়ে মেঘর মাদল
		ভাঙালে ঘুম ছিটিয়ে জল,
একা-ঘরে বিজলিতে এমন হাসি হাসিল কে।।
	এলে কি দুরন্ত মোর ঝোড়ো হাওয়া,
	চির-নিঠুর প্রিয় মধুর পথ-চাওয়া।
		হৃদয়ে মোর দোলা লাগে
		ঝুলনেরই আবেশ জাগে,
ফেলে-যাওয়া বাসি মালায় — আবার ভালোবাসিল কে।।