বাণী
অনেক জ্বালা দিয়েছ তার শাস্তি পাবে কালা। বেঁধেছি তাই গলায় তোমার জড়িয়ে মধুমালা।। আজ গায়ে পড়ে সাধতে হবে পায়ে ধরে কাঁদতে হবে শাপ্লা মধু পানের আগে দেখব বঁধু কেমন লাগে বাব্লা কাঁটার জ্বালা।।
নাটকঃ ‘মধুমালা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
অনেক জ্বালা দিয়েছ তার শাস্তি পাবে কালা। বেঁধেছি তাই গলায় তোমার জড়িয়ে মধুমালা।। আজ গায়ে পড়ে সাধতে হবে পায়ে ধরে কাঁদতে হবে শাপ্লা মধু পানের আগে দেখব বঁধু কেমন লাগে বাব্লা কাঁটার জ্বালা।।
নাটকঃ ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
জয় বিগলিত করূণা রূপিণী গঙ্গে জয় কলুষহারিণী পতিতপাবনী নিত্যা পবিত্রা যোগী-ঋষি সঙ্গে॥ হরি শ্রীচরণ ছুঁয়ে আপন-হারা, পরম প্রেমে হ’লে দ্রবীভূত ধারা; ত্রিলোকের ত্রিতাপ পাপ তুমি নিলে মা, নির্মলে, তোমার পবিত্র অঙ্গে॥
রাগঃ ভৈরব
তালঃ ত্রিতাল

ওগো অন্তর্যামী, ভক্তের তব শোন শোন নিবেদন যেন থাকে নিশিদিন তোমারি সেবায় মোর তনু-প্রাণ-মন।। নয়নে কেবল দেখি যেন আমি তোমারই স্বরূপ ত্রিভুবন-স্বামী শিরে বহি যেন তোমারি পূজার অর্ঘ্য অনুক্ষণ।। এ রসনা শুধু জপে তব নাম এই বর দাও নাথ; তোমারি চরণ সেবায় লাগুক মোর এই দুটি হাত। ওঠে তব নাম প্রতি নিঃশ্বাসে শ্রবনে কেবল তব নাম ভাসে তব মন্দির-পথে যেন সদা চলে মোর এ চরণ।।
রাগঃ
তালঃ একতাল

কি নাম ধ'রে ডাকবো তোরে মা তুই দে ব'লে ওমা কি নাম ধ'রে কাঁদলে পরে ধ'রে তুলিস কোলে (মাগো)।। বনে খুঁজি মনে খুঁজি পটে দেখি ঘটে পূজি মন্দিরে যাই কেঁদে লুটাই মাগো — পাষাণ প্রতিমা মা তোর একটুও না টলে।। কোল যদি না দিবি মাগো, আনলি কেন ভবে, আমি জনম নিয়ে এসেছি যে তোর কোলেরই লোভে। আমি রইতে নারি মা না পেয়ে, মরণ দে মা তাহার চেয়ে এ-ছার জীবনে কোন প্রয়োজন মাগো আমি কোটি বার মা মরতে পারি মা যদি পাই ম'লে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

পরান-প্রিয়! কেন এলে অবেলায় শীতল হিমেল বায়ে ফুল ঝ’রে যায়।। সেদিনও সকাল বেলা খেলেছি কুসুম–খেলা, আজি যে কাঁদি একেলা ভাঙ্গা এ মেলায়।।
রাগঃ পিলু
তালঃ দাদ্রা

যত নাহি পাই দেবতা তোমায় , তত কাঁদি আর পূঁজি। ত্ই লুকাও ধরা নাহি দাও, ততই তোমারে খুঁজি কত সে রূপের রঙের মায়ায়, আড়াল করিয়া রাখ আপনায় তবু তব পানে অশান্ত মন কেন ধায় নাহি বুঝি।। কাঁদালে যদি গো এমন করিয়া কেন প্রেম দিলে তবে অন্তবিহীন এ লুকোচুরির শেষ হবে নাথ কবে? সহে না হে নাথ বৃথা আসা যাওয়া- জনমে জনমে এই পথ চাওয়া কাঁদিয়া কাঁদিয়া ফুরায়ে গেল চোখের জলের পুঁজি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
