বাণী
পিউ পিউ বোলে পাপিয়া ফাল্গুন উন্মন বন ব্যাপিয়া।। বিরহিনী মন বিহগী — ওরি সাথে কাঁদে,একা ঘরে নিশি জাগিয়া।।
রাগ ও তাল
রাগঃ বাহার
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

পিউ পিউ বোলে পাপিয়া ফাল্গুন উন্মন বন ব্যাপিয়া।। বিরহিনী মন বিহগী — ওরি সাথে কাঁদে,একা ঘরে নিশি জাগিয়া।।
রাগঃ বাহার
তালঃ ত্রিতাল

পান্সে জোছ্নাতে কে চল গো পানসি বেয়ে’। ঢেউ-এর তালে তালে বাঁশিতে গজল গেয়ে’।। মেঘের ফাঁকে ফোটে বাঁকা শশীর চিকন হাসি, উজান বেয়ে চল তুমি কি তার চোখে চেয়ে।। ও-পারে লুকায়ে আঁধার গভীর ঘন বন-ছায়, আকাশে হেলান দিয়ে আলসে পাহাড় ঘুমায়। ঘুমায়ে দূরে সে কোন গ্রাম বাসরে পল্লী-বধূর প্রায় এ-পারে ধূ-ধূ বালুচর যেন নদীর আঁচল লুটায়। ছাড়ি’ এ সুখ-বাস চলেছ কোথায় গো নেয়ে।। নদীর দু’তীরে টানে বেতস-লতা উত্তরীয়, চমকি’ উঠি’ চখি ডাকে মুহু মুহু ‘কিও!’ চকোরী চাঁদে ভুলি’ চাহে তব মুখপানে, কেঁদে পাপিয়া শুধায়, ‘পিউ কাঁহা, কাঁহা পিও।’ তুমি যাও আপন-বিভোল স্বপনে নয়ন ছেয়ে’।।
রাগঃ পিলু-খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

মুখে কেন নাহি বলো আঁখিতে যে কথা কহো
অন্তরে যদি চাহো মোরে তবে কেন দূরে দূরে রহো।।
প্রেম -দীপ শিখা অন্তরে যদি জ্বলে
কেন চাহো তারে লুকাইতে অঞ্চলে
পূজিবে না যদি সুন্দরে রূপ -অঞ্জলি কেন বহো।।
ফুটিলে কুসুম -কলি রহে না পাতার তলে,
কুণ্ঠা ভুলিয়া দখিনা-বায়ের কানে কানে কথা বলে।
যে অমৃত-ধারা উথলে হৃদয় মাঝে
রুধিয়া তাহারে রেখো না হৃদয় লাজে
প্রাণ কাঁদে যার লাগি, তারে কেন বিরহ দহনে দহো।।
রাগঃ
তালঃ দাদরা

ও মেঘের দেশের মেয়ে। কোথা হ’তে এলি রে তুই কেয়াপাতার খেয়া বেয়ে।। ধারা নূপুর রুন্ঝুনিয়ে কানে কদম দুল দুলিয়ে ফুল কুড়াতে এলি কি তুই মোর কাননে ধেয়ে।। পূব-হাওয়াতে উড়ছে আঁচল নীলাম্বরী, তুমি বুঝি ভাই রূপকাহিনীর মেঘ্লা-পরী। তোর কণ্ঠে বাজে যে গান মধুর তারি’ তালে নাচে ময়ূর, মেঘ-মাদলের সাথে ওঠে আমারও মন গেয়ে।।
রাগঃ
তালঃ
পুরুষ : এলে তুমি কে, কে ওগো তরুণা অরুণা করুণা সল চোখে। স্ত্রী : আমি তব মনের বনের পথে ঝিরি ঝিরি গিরি-নির্ঝরিণী আমি যৌবন-উন্মনা হরিণী মানসলোকে।। পুরুষ : ভেসে যাওয়া মেঘের সজল ছায়া ক্ষণিক মায়া তুমি প্রিয়া স্বপনে আসি' বাজায়ে বাঁশি স্বপনে যাও মিশাইয়া। স্ত্রী : বাহুর বাঁধনে দিই না ধরা — আমি স্বপন-স্বয়ম্বরা সঙ্গীতে জাগাই ইঙ্গিতে ফোটাই তোমার প্রেমের যুঁই-কোরকে। পুরুষ : আধেক প্রকাশ স্ত্রী : আধেক গোপন পুরুষ : আধো জাগরণ স্ত্রী : আধেক স্বপন উভয়ে : খেলিব খেলা ছায়া-আলোকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তুমি মলিন বাসে থাক যখন, সবার চেয়ে মানায়! তুমি আমার তরে ভিখারিনী, সেই কথা সে জানায়! জানি প্রিয়ে জানি জানি, তুমি হ’তে রাজার রানী, খাট্ত দাসী বাজ্ত বাঁশি তোমার বালাখানায়। তুমি সাধ ক’রে আজ ভিখারিনী, সেই কথা সে জানায়।। দেবী! তুমি সতী অন্নপূর্ণা, নিখিল তোমার ঋণী, শুধু ভিখারিকে ভালোবেসে সাজ্লে ভিখারিনী। সব ত্যজি’ মোর হ’লে সাথি, আমার আশায় জাগ্ছ রাতি, তোমার পূজা বাজে আমার হিয়ার কানায় কানায়! তুমি সাধ ক’রে মোর ভিখারিনী, সেই কথা সে জানায়।।
রাগঃ মূলতান
তালঃ যৎ