বাণী
আনো আনো অমৃত বারি। পিপাসিত চিত্তের তৃষ্ণা নিবারি।। আনো নন্দন হতে পারিজাত-কেশর তীর্থ-সলিল আনো ভরি’ মঙ্গল-হেম-ঝারি।। প্রখর সূর্যকরে দহিছে দিগন্তর, মন্দাকিনী-ধারা সঞ্জীবনী আনো নারী।।
রাগ ও তাল
রাগঃ বৃন্দাবনী সারং
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

আনো আনো অমৃত বারি। পিপাসিত চিত্তের তৃষ্ণা নিবারি।। আনো নন্দন হতে পারিজাত-কেশর তীর্থ-সলিল আনো ভরি’ মঙ্গল-হেম-ঝারি।। প্রখর সূর্যকরে দহিছে দিগন্তর, মন্দাকিনী-ধারা সঞ্জীবনী আনো নারী।।
রাগঃ বৃন্দাবনী সারং
তালঃ ত্রিতাল

মম বেদনার শেষ হ’ল কি এতদিনে। বুঝি তাই এলে প্রিয় পথ চিনে।। বরষার নবধারা ছন্দে এলে বন-মুকুলের গন্ধে, তব চরণ ছোঁয়ায় আজি বাজিল কি সুর মোর মনো-বীণে।। কত যুগ ধরি’ চেয়ে আছি পথ আজি কি হ’ল সফল, তাই সহসা কানন মোর মৌন বিহগ-তানে মুখর চপল। তৃষিত চাতক-হিয়া সম কাঁদে হায়! ‘এসো প্রিয়তম’, হের শূন্য এ অন্তর-মন্দির মোর তোমা-বিনে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
আর লুকাবি কোথা মা কালী বিশ্ব-ভুবন আঁধার ক’রে তোর রূপে মা সব ডুবালি।। সুখের গৃহ শ্মশান ক’রে বেড়াস্ মা তায় আগুন জ্বালি’ দুঃখ দেবার রূপে মা তোর ভুবন-ভরা রূপ দেখালি।। পূজা ক’রে, পাইনি তোরে মা গো এবার চোখের জলে এলি বুকের ব্যথায় আসন পাতা ব’স্ মা সেথা দুখ্-দুলালী।।
রাগঃ বাগেশ্রী
তালঃ একতাল
১.

২.

চাঁপার কলির তুলিকায়, কাজল লেখায় শ্রীমতী শ্রীহরির ছবি আঁকে। রাই ছবি আঁকে পটে গো, যারে হেরে নিতি গোঠে যেতে যমুনার তটে গো, সে বংশী বাজায়ে মঞ্জির পায়ে নাচে ছায়া বটে গো, রাই ছবি আঁকে পটে গো। আঁকিয়া শ্যামের মূরতি আঁকিল না রাধা শ্রীচরণ , রাধা চরণ আঁকে না, তুলি তুলিয়া রাখে চরণ আঁকে না। তখন ললিতা বলে- ‘রাধা! রাধা! রাধা! তুই আঁকলি না কেন চরণ রাধা!’ ‘জীবন মরণ যে চরণে বাঁধা, আঁকলি না কেন চরণ রাধা — বিশ্বের ত্রাণ বৃন্দাবনের ধ্যানজ্ঞান ব্রজগোপী সাধা’ — ‘আঁকলি না কেন চরণ রাধা’ —! তখন রাধা কেঁদে বলে- ‘ওগো ললিতা — সখি আঁকিলে চরণ যাবে সে পালায়ে আমি হব পদদলিতা। পলায়ে যাবে গো মথুরায়, আবার পালায়ে যাবে গো — চির চপল সে মথুরায় আবার পালায়ে যাবে গো — থাক লুকানো হৃদয়ে শ্রীচরণ।’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

শোন শোন, ইয়া ইলাহী, আমার মোনাজাত। তোমারি নাম জপে যেন, (আমার) হৃদয় দিবস-রাত।। যেন কানে শুনি সদা তোমারি কালাম হে খোদা, (আমি) চোখে যেন দেখি শুধু, (দেখি) কোরআনের আয়াত।। মুখে যেন জপি আমি কলেমা তোমার দিবস-যামী, (তোমার) মসজিদেরি ঝাড়ু-বরদার, (খোদা) হোক আমার এ হাত। সুখে তুমি, দুখে তুমি, চোখে তুমি, বুকে তুমি, এই পিয়াসি প্রাণে খোদা (খোদা) তুমি আবহায়াত।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বলেছিলে ভুলিবে না মোরে। ভুলে গেলে হায়, কেমন ক’রে।। নিশীথের স্বপনে কে যেন কহে ধরণীর প্রেম সে কি স্মরণে রহে, ফুলের মতন ফুটে যায় রে ঝ’রে।। বোঝে না বিরহী মন অসহায়, যত নাহি পায় তত জড়াইতে চায়। যত দূরে যাও তত, তব গাওয়া গান কেন স্মৃতিপথে এসে কাঁদায় এ প্রাণ, আঁখিতে দেখি না দেখি আঁখির লোরে।।
রাগঃ আনন্দী
তালঃ ত্রিতাল
