
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

আ’ মেরে সঙ্গ আ, মঙ্গল গা হিল্মিল্কে এয় বনমালী। আরমা ফের পুরে হো জাঁয়ে সারে দিল্কে এয় বনমালী॥ মুঝ্কো জাগানেওয়ালা, হো, জগ্মে তেরা উজালা তু মুঝ্কো ধূল সমঝ্কে, লে লে চরণ মে আপ্নে তুনে দিয়ে জ্বালায়ে বিরাণ মন্জিল্ কে এয় বনমালী॥ তু হামকো খাক্ ছানায়া, (আউর) ব্যাকুল আপনা বানায়া কহিঁ আউ না কহিঁ জাউ, আপনে আগে তুমকো পাউঁ খো জায়েঁ যুঁহি মিট্টি মে হাম মিলকে এয় বনমালী॥
রাগঃ
তালঃ
আজি দোল্-পূর্ণিমাতে দুল্বি তোরা আয়। দখিনার দোল্ লেগেছে দোলন্-চাঁপায়।। দোলে আজ দোল্-ফাগুনে ফুল-বাণ আঁখির তূণে, দুলে আজ বিধুর হিয়া মধুর ব্যথায়।। দুলে আজ শিথিল বেণী, দুলে বধূর মেখলা দুলে গো মালার পলা জড়াতে বঁধুর গলা! মাধবীর দোলন্-লতায় দোয়েলা দোল্ খেয়ে যায়, দুলে যায় হল্দে পাখি সোঁদাল-শাখায়।। বিরহ-শীর্ণা নদীর আজিকে আঁখির কূলে ভরে জল কানায় কানায় জোয়ারে উঠ্ল দু’লে। দুলে বসন্ত-রানী কুসুমিতা বনানী পলাশ রঙন দোলে নোটন-খোঁপায়।। দোলে হিন্দোল-দোলায় ধরণী শ্যাম-পিয়ারী, দুলিছে গ্রহ-তারা আলোক-গোপ-ঝিয়ারি। নীলিমার কোলে বসি’ দুলে কলঙ্কী-শশী, দোলে ফুল-উর্বশী ফুল-দোলায়।।
রাগঃ কালেংড়া-বসন্ত-হিন্দোল
তালঃ দাদ্রা
একদা সব সুরাসুরের খেয়াল হল দাদা। সমুদ্রেরে ঘেঁটে ঘুঁটে করতে হবে দধিকাদা।। দেখেছ তো গয়লানিরা যে-ভাবে দুই মথে। (তেমনি) সাগরকে সব ঘুঁটেছিলেন মন্দার পর্বতে।। (অর্থাৎ) মন্দার গিরি হয়েছিল দই ঘুঁটবার কাঠি।। আর কূর্ম হলেন সমুদ্ররূপ দই রাখবার বাটি।। কাঠি এলো, বাটি এলো, দড়া কোথায় পান। (সবে) বাসুকীর শ্রী-লেজুড় ধ’রে মারেন হেঁচ্কা টান।। বাসুকী কয় ল্যাজ ছাড়ো বাপ গ্যাজ উঠল মুখে। বাসুকীকে করল দড়া দেবতারা সব রুখে।। ল্যাজ ধরল দেবতা, অসুর দানব ধরে মুড়ো। সাগর বলে আস্তে বাবা একি প্রলয় হুড়ো।। যা আছে মোর বের করছি — ঘাঁটিস্নে আর পেট।। উচ্চৈঃশ্রবা, চন্দ্র, লক্ষ্মী — সব দিচ্ছি ভেট।। (ক্রমে) অমৃত যেই উঠল অমনি লাগলো গুঁতোগুঁতি। দৈত্যেরা সব কোপ্নি আঁটে দেবতা কষেন ধুতি।। মাঝে থেকে শ্রীবিষ্ণু মোহিনী রূপ ধ’রে। ছোঁ মেরে সেই সুধার ভাণ্ড নিয়ে পড়লেন স’রে।। অমৃত খান দেবতারা সব, অসুর মাটি চাটে। (যেমন) দোহন শেষে দুগ্ধ খোঁজে বাছুর শুকনো বাঁটে।। (ক্রম) ঘটর ঘটর ঘোঁটার ঠেলায় উঠলো হলাহল। ত্রাহি ত্রাহি বলে ত্রিলোক, করে কোলাহল।। বিষের জ্বালায় সৃষ্টি বুঝি পটল তোলে ওই। সিদ্ধিখোর শ্রীপিশাচপতি কয় ডেকে মাভৈঃ।। ছুটে এসে পাগ্লা ভাঙোড় এক সুমুদ্দুর বিষ। ঢক ঢকিয়ে ফেললে গিলে গা করে নিস্পিস্।। বলদে যে বেড়ায় চ’ড়ে ছাই পাঁশ গায়ে মাখে। তাকে ছাড়া চতুর দেবতা বিষ দেবে বল কাকে।। ফুলের মধ্যে ধুতরো নিলেন মশান যাহার ঘর। (পোড়া) কপালে তার আগুন জ্বলে — জয় ন্যাংটেশ্বর।।
নাটক : ‘সতী’ (মন্মথ রায়-রচিত)
রাগঃ
তালঃ
পুরুষ : সোনার বরণ কন্যা গো, এসো আমার সোনার নায়ে চল আমার বাড়ি স্ত্রী : ওরে অচিন দেশের বন্ধুরে, তুমি ভিন্ গেরামের নাইয়া আমি ভিন্ গেরামের নারী। পুরুষ : গয়না দিব বৈচী খাড়ু শাড়ি ময়নামতীর। স্ত্রী : গয়না দিয়ে মন পাওয়া যায় না কুলবতীর। পুরুষ : শাপলা ফুলের মালা দেব রাঙা রেশমি চুড়ি। স্ত্রী : ঐ মন-ভুলানো জিনিস নিয়ে (বন্ধু) মন কি দিতে পারি? পুরুষ : (তুমি) কোন্-সে রতন চাও রে কন্যা, আমি কি তা জানি? স্ত্রী : তোমার মনের রাজ্যে আমি হ’তে চাই রাজরানী। দ্বৈত : হইও সাক্ষী তরুলতা পদ্মা নদীর পানি (আরে ও) (আজি) কূল ছাড়িয়া দু’টি প্রাণী অকূলে দিল পাড়ি॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

এসো কল্যাণী চির-আয়ুষ্মতী। তব নির্মল করে ভবন-প্রদীপ জ্বালো জ্বালো জ্বালো সতী।। মঙ্গল-শঙ্খ বাজাও বাজাও সুমঙ্গলা সকল অকল্যাণ সকল অমঙ্গল কর দূর (শুভ) সমুজ্জ্বলা! এ মাটির কুটিরে দূর আকাশের অরুন্ধতী।। এসো লক্ষ্মী গৃহের আঁকো অঙ্গনে মঙ্গল আল্পনা তব পুণ্য-পরশ দিয়ে ধূলি-মুঠিরে কর গো সোনা, তুমি দেবতার শুভ বর মূর্তিমতী।। স্নান-শুদ্ধা তুমি পূজা-দেউলে যবে কর আরতি, আনত আকাশ যেন তব চরণে করে প্রণতি। তব কুণ্ঠিত গুণ্ঠন-তলে চির শান্তির ধ্রবতারা জ্বলে, সংসার অরণ্যে ধ্যান-মগ্না তুমি তপতী।।
রাগঃ পটদীপ
তালঃ ত্রিতাল
বল্ নাহি ভয় নাহি ভয়! বল্ মাভৈঃ মাভৈঃ, জয় সত্যের জয়! তুই নির্ভর কর্ আপনার ‘পর আপন পতাকা কাঁধে তুলে ধর্ ওরে যে যায় যাক্ সে, তুই শুধু বল্ ‘আমার হয়নি লয়’! বল্ ‘আমি আছি’, আমি পুরুষোত্তম, আমি চির-দুর্জয়! বল্ মাভৈঃ মাভৈঃ, জয় সত্যের জয়!! যে গেল সে নিজেরে নিঃশেষ করি’ তোদের পাত্র দিয়ে গেল ভরি’! ঐ বন্ধ মৃত্যু পারেনি ক’ তাঁরে পারেনি করিতে লয়! তাই আমাদের মাঝে নিজেরে বিলায়ে সে আজি শান্তিময় বল্ মাভৈঃ মাভৈঃ, জয় সত্যের জয়!! ওরে রুদ্র তখনি ক্ষুদ্রেরে গ্রাসে আগেই যবে সে ম’রে থাকে ত্রাসে ওরে আপনার মাঝে বিধাতা জাগিলে বিশ্বে সে নির্ভয় এই ক্ষুদ্র কারায় কভু কি ভয়াল ভৈরব বাঁধা রয়? বল্ মাভৈঃ মাভৈঃ, জয় সত্যের জয়!! ওরে আত্ম-অবিশ্বাসী, ভয়ে-ভীত! কেন হেন ঘন অবসাদ চিত বল্ পর-বিশ্বাসে পর-মুখপানে চেয়ে কি স্বাধীন হয়? তুই আত্মাকে চিন্, বল আমি আছি,’ ‘সত্য আমার জয়’! বল্ মাভৈঃ মাভৈঃ, জয় সত্যের জয়!!
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan