
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

ফুলের বনে আজ বুঝি সই রূপসায়রের ঢেউ লেগেছে। ঘুমিয়ে পড়া শ্যাম-ভ্রমরা গুন্গুনিয়ে গান ধ’রেছে।। কুড়িয়ে পাওয়া কুসুম দলে ডুবিয়ে নিয়ে শিশির-জলে, পরতে ধরা আপন গলে মালা গেঁথেছে।। প্রেম-পিয়াসীর বুকের কাঁদন জাগিয়ে দিল মলয় পবন, পরান-বঁধুর কাজল নয়ন মনে জেগেছে।।
রাগঃ
তালঃ
চাঁপার কলির তুলিকায়, কাজল লেখায় শ্রীমতী শ্রীহরির ছবি আঁকে। রাই ছবি আঁকে পটে গো, যারে হেরে নিতি গোঠে যেতে যমুনার তটে গো, সে বংশী বাজায়ে মঞ্জির পায়ে নাচে ছায়া বটে গো, রাই ছবি আঁকে পটে গো। আঁকিয়া শ্যামের মূরতি আঁকিল না রাধা শ্রীচরণ , রাধা চরণ আঁকে না, তুলি তুলিয়া রাখে চরণ আঁকে না। তখন ললিতা বলে- ‘রাধা! রাধা! রাধা! তুই আঁকলি না কেন চরণ রাধা!’ ‘জীবন মরণ যে চরণে বাঁধা, আঁকলি না কেন চরণ রাধা — বিশ্বের ত্রাণ বৃন্দাবনের ধ্যানজ্ঞান ব্রজগোপী সাধা’ — ‘আঁকলি না কেন চরণ রাধা’ —! তখন রাধা কেঁদে বলে- ‘ওগো ললিতা — সখি আঁকিলে চরণ যাবে সে পালায়ে আমি হব পদদলিতা। পলায়ে যাবে গো মথুরায়, আবার পালায়ে যাবে গো — চির চপল সে মথুরায় আবার পালায়ে যাবে গো — থাক লুকানো হৃদয়ে শ্রীচরণ।’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

পুরুষ : (আমি) মুস্লিম যুবা, মোর হাতে বাঁধা আলির জুল্ফিকার। স্ত্রী : (আমি) মুস্লিম নারী জ্বালিয়া চেরাগ ঘুচাই অন্ধকার।। পুরুষ : ধরিয়া রাখিতে দীনের নিশান আনন্দে করি জান কোরবান, স্ত্রী : কত ছেলে মোর শহীদ হয়েছে মরুতে কারাবালার। আমি নন্দিনী মা ফাতেমার।। পুরুষ : য়ুরোপ-এশিয়া-আফ্রিকা জুড়ে ছড়ানু খোদার বাণী, স্ত্রী : মোর একা গৃহ-মক্কাতে আমি আনি জম্জম্ পানি। পুরুষ : (আমি) জিনিব পৃথিবী আছে মোর আশা স্ত্রী : (আমি) প্রাণে দেই তেজ, বুকে ভালোবাসা, পুরুষ : আমি মুস্লিম যুবা স্ত্রী : আমি মুস্লিম নারী, উভয়ে : দুইধারী তলোয়ার।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বসন্ত আজ আসল ধরায় ফুল ফুটেছে বনে বনে। শীতের হাওয়া পালিয়ে বেড়ায় ফাল্গুনী মোর মন-বনে।। ফুলগুলি হায় ঝরেছিল হিমেল হাওয়ার পরশনে, দখিন হাওয়ার হিল্লোলে আজ প্রিয়তমের স্পর্শ নে’। উদাসী এই মাতাল বাতাস জাগায় ধরায়, মাতায় আকাশ, হাসিতে তার কিসের আভাস মন জানে, মনে মনে।।
রাগঃ
তালঃ
আরক্ত কিংশুক কাঁপে, মালতীর বক্ষ ভরি’ চন্দ্রের অমৃত স্পর্শে উঠিতেছে শিহরি’ শিহরি’।। নীরব কোকিলের গুঞ্জন চৈত্র পূর্ণিমা রাত্রি, বাড়িয়াছে বক্ষের স্পন্দন, মোদের নাচের নূপুরের ছন্দ কভু চপল কভু মৃদুমন্দ, বসন্ত-উৎসব সজ্জা অন্তরাল হতে মৃদু ভাষে সুন্দর গুঞ্জন ধ্বনি কেন ভেসে আসে। মমতার মধু-বিন্দু ক্ষরিল মোরা মধু খেয়ে বলিলাম — আহা মরি।। ধরণীর অঙ্গ হতে বাসরের সজ্জা পড়ে খুলি’ গভীর আনন্দে মোরা চাহি দুটি আঁখি তুলি, চৈত্রের পূর্ণিমা রাত্রি এলো ফিরি প্রিয় তুমি কেন চ’লে গেলে ধীরি ধীরি। তুমি ফিরে এলে মোরা লভিতাম অমৃতের স্বাদ চন্দ্রের অমিয়া পান করি।।
নাটক : ‘মদিনা’
রাগঃ
তালঃ
এলো রে এলো ঐ রণ-রঙ্গিণী শ্রীচন্ডী, চন্ডী এলো রে এলো ঐ অসুর সংহারিতে বাঁচাতে উৎপীড়িতে ধ্বংস করিতে সব বন্ধন বন্দী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী, এলো রে এলো ঐ॥ দনুজ দলনে চামুন্ডা এলো ঐ প্রলয় অগ্নি জ্বালি নাছিছে তাথৈ তাথৈ তাতা থৈ থৈ দুর্বলে বলে মা মাভৈঃ মাভৈঃ মুক্তি লভিবি সব শৃঙ্খল বন্দী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী, এলো রে এলো ঐ॥ রক্ত-রঞ্জিত অগ্নি শিখায় করালী কোন্ রসনা দেখা যায়। পাতাল তলের যত মাতাল দানব পৃথিবীতে এসেছিল হইয়া মানব তাদের দন্ড দিতে আসিয়াছে চন্ডীকা সাজিয়া চন্ডী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী এলো রে॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan