
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

ধীরে চল চরণ টলমল সখি নতুন মদের নেশা পিয়েছে বিষ-মেশা, চল্তে পথে উঠি চ’ম্কে। এক খাওয়ালো মুখপোড়া কালো ছোঁড়া ওঠে অঙ্গ ক্ষণে ক্ষণে ছ’ম্কে।। গুরুজনের কাছে ঢ’লে ঢ’লে পড়ি, গেল কুলমান আমি লাজে মরি। ও সে কদম-তলায়, বাঁশি বাজায়, আড় চোখে চায়, পেলে একলা পথে আগ্লে দাঁড়ায় সে থ’ম্কে।।
চলচ্চিত্র : ‘পাতালপুরী’
রাগঃ
তালঃ
আমি কুল ছেড়ে চলিলাম ভেসে বলিস ননদীরে সই, বলিস ননদীরে। শ্রীকৃষ্ণ নামের তরণীতে প্রেম-যমুনার তীরে বলিস ননদীরে সই, বলিস্ ননদীরে।। সংসারে মোর মন ছিল না, তবু মানের দায়ে আমি ঘর করেছি সংসারেরি শিকল বেঁধে পায়ে শিক্লি-কাটা পাখি কি আর পিঞ্জরে সই ফিরে।। বলিস গিয়ে কৃষ্ণ নামের কলসি বেঁধে গলে হডুবেছে রাই কলঙ্কিনী কালিদহের জলে। কলঙ্কেরই পাল তুলে সই, চললেম অকূল-পানে নদী কি সই, থাকতে পারে সাগর যখন টানে। রেখে গেলাম এই গোকুলে কুলের বৌ-ঝিরে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

এসো মা ভারত-জননী আবার জগৎ-তারিণী সাজে। রাজরানী মা’র ভিখারিনী বেশ দেখে প্রাণে বড় বাজে॥ শিশু-জগতেরে মায়ের মতন, তুমি মা প্রথম করিলে পালন, আজ মাগো তোরই সন্তানগণ কাঁদিছে দৈন্য-লাজে॥ আঁধার বিশ্বে তুমি কল্যাণী জ্বালিলে প্রথম জ্ঞান-দীপ আনি; হইলে বিশ্ব-নন্দিতা রানী নিখিল নর-সমাজে॥ দেখা মা পুন সে অতীত মহিমা, মুছে দে ভীরুতা গ্লানির কালিমা, রাঙায়ে আবার দশদিক-সীমা দাঁড়া মা বিশ্ব-মাঝে॥
রাগঃ জৌনপুরী মিশ্র
তালঃ একতাল

কাঁদিছে তিমির-কুন্তলা সাঁঝ আমার হৃদয় গগনে। এসো প্রিয়া এসো বঁধূ-বেশে এই বিদায়-গোধূলি-লগনে।। দিনের চিতার রক্ত-আলোকে শুভ-দৃষ্টি গো হবে চোখে চোখে, আমার মরণ-উৎসব-ক্ষণে শঙ্খ বাজুক সঘনে।। চাঁদের প্রদীপ জ্বালাইয়া হের খুঁজিছে মোদেরে তারাদল, সজল-বসনা বাদল-পরীর নয়ন করিছে ছল ছল।। মরণে তোমারে পাইব বলিয়া জীবনে করেছি আরাধনা প্রিয়া, এসো মায়ালোক-বিহারিণী মোর কুহেলি-আঁধার-স্বপনে।।
রাগঃ ধানশ্রী
তালঃ একতাল
ও ভাই কোলা-ব্যাঙ, ও ভাই কোলাব্যাঙ। সর্দি তোমার হয় না বুঝি, ও ভাই কোলাব্যাঙ, সারাটি দিন জল ঘেঁটে যাও, ছড়িয়ে দুটি ঠ্যাঙ।। লক্ষ্মী মেয়ে মা তোর বুঝি খেল্লে বেড়ায় নাকো খুঁজি’, কেউ বকে না, মজাসে তাই গাইছো ঘেঙর ঘ্যাঙ।। দিবানিশি জল ঘাঁটো তাও চোখ ওঠে না, কি ওষুধ খাও? জলদানোটা আসলে, ফেলে দাও কি মেরে ল্যাঙ।। ব্যাঙ দাদা! তোর মায়ের মত মা যদি মোর লক্ষ্মী হ’ত, তোর সাথে ভাই থাকতাম জলে ছ্যাড্যাং ড্যাড্যাং ড্যাং।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত–দাদ্রা

এলো ঈদল-ফেতর এলো ঈদ ঈদ ঈদ। সারা বছর যে ঈদের আশায় ছিল নাক’ নিদ।। রোজা রাখার ফল ফ’লেছে দেখ রে ঈদের চাঁদ, সেহরী খেয়ে কাটল রোজা, আজ সেহেরা বাঁধ, ওরে বাঁধ আমামা বাঁধ। প্রেমাশ্রুতে ওজু ক’রে চল্ ঈদগাহ মসজিদ।। (আজ) ছিটায় মনের গোলাব-পাশে খুশির গোলাব-পানি (আজ) খোদার ইস্কের খুশবু-ভরা প্রাণের আতরদানি, ভরল হৃদয়-তশ্তরিতে শিরনি তৌহিদ।। (দেখ্) হজরতের হাসির ছটা ঈদের চাঁদে জাগে সেই চাঁদেরই রং যেন আজ সবার বুকে লাগে, (এই) দুনিয়াতেই মিটল ঈদে বেহেশ্তী উমিদ।।
নাটিকা : ‘ঈদ’ (বিদৌরার গান)
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan