
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

বাঁধিয়া দুইজনে দুঁহু ভুজ বন্ধনে কাঁদিছে শ্যাম রাই। মিলনের মাঝে এত বেদনা যে বাজে গো – দেখি নাই, শুনি নাই।। সাগরে মিশে নদী, তবু কাঁদে নিরবধি, বুঝি না কেন গো – বুকে যত পায়, তত তৃষ্ণা বেড়ে যায়, সাধ মেটে না যেন গো।। সাধ কি মেটে গো চাঁদকে হেরে চকোরিণীর সাধ কি মেটে গো – মেঘ দেখে চাতকিনীর সাধ কি মেটে গো। হের, নব নাগরি নব নাগর মাতিল প্রেম-রসে, নব প্রভাত-কমলে যেন বন ভ্রমর বসে। নব সোনার শতদলে যেন নব মেঘের ছায়া কনকমালা ঘিরিল যেন বন নীল গিরি কায়া। গিরিধারীরে ধরিল, ধিরিধিরি রাধা গিরিধারীরে ধরিল।। আধ অধরে ধরে নাক’ হাসি, আধ-অধরে বাঁশি, হেরি’ আধ অঙ্গ দাস হতে চায়, আধ অঙ্গ দাসী; শ্রীচরণ ঘিরিয়া মন মধুকর গাহে, চরণাম্বুজ-রজ মাধুকরী চাহে।। বলে, ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও – ওই চরণ কমল-মধু ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও, ঐ যুগল-রূপ রাধা-শ্যাম দেখি যেন অবিরাম (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও) আমি আনন্দ-যমুনা হয়ে, চরণ ধুয়ে যাব বয়ে, (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও) আমি নিত্য হৃদি-ব্রজধামে হেরিব মোর রাধা-শ্যামে, (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও)।।
বেতার গীতিচিত্রঃ ‘যুগল মিলন’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

কে এলি মা টুকটুকে লাল রক্ত-চেলি প’রে। সারা গায়ে আবির মেখে ভুবন আলো ক’রে মা ত্রিভুবন রূপে ভ’রে।। পায়ে লাল জবার ফুল কানে ঝুমকো জবার দুল্, লাল শাপ্লার মালা প’রে দুলিয়ে এলোচুল — শুভ্র-বরণ শিবকে ফাগের রঙে রঙীন ক’রে।। ওমা! যোগমায়া, তোর রঙে রসের ব্রজে এলো হোরি, (তোর) নাচের তালে আনন্দ কুঙ্কুম প’ড়ে ঝরি’। তোর চরণ-অরুণ রাগে মা প্রভাত-রবি রাঙে মণিপুর-কমলে গায়ত্রী জাগে। (সেই) অনুরাগের রঙীন ধারা পড়ুক বুকে ঝ’রে।।
রাগঃ
তালঃ
ললাটে মোর তিলক এঁকো মুছে বঁধুর চরণ-ধুলি আঁখিতে মোর কাজল মেখো ঘন শ্যামের বরণগুলি।। বঁধুর কথা মধুর প্রিয় কর্ণ মূলে দুলিয়ে দিও বক্ষে আমার হার পরিও বঁধুর পায়ের নূপুর খুলি।। তার পীত বসন দিয়ে ক'রো এই যোগিনীর উত্তরীয় হবে অঙ্গেরই চন্দন আমার কলঙ্ক তার মুছে নিও। সে দেয় যা ফেলে মনের ভুলে তাই অঞ্চলে মোর দিও তুলে তার বনমালার বাসি ফুলে ভ'রো আমার ভিক্ষা ঝুলি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

প’রো প’রো চৈতালি-সাঁজে কুস্মি শাড়ি। আজি তোমার রূপের সাথে চাঁদের আড়ি॥ প’রো ললাটে কাঁচপোকার টিপ, তুমি আলতা প’রো পায়ে হৃদি নিঙাড়ি’॥ প্রজাপতির ডানা-ঝরা সোনার টোপাতে, ভাঙা ভুরু জোড়া দিও বাতুল শোভাতে। বেল-যূথিকার গ’ড়ে মালা প’রো খোঁপাতে দিও উত্তরীয় শিউলি-বোঁটার রঙে ছোপাতে, রাঙা সাঁঝের সতিনী তুমি রূপ-কুমারী॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুপ জালোটা

নৃত্যকালী শঙ্কর সঙ্গে নাচে অতি রুদ্র-বিহঙ্গে। ছন্দ ঝরে ঝর্ঝর ধারায় মন্দাকিনী গঙ্গা তরঙ্গে।। মুক্তবেণী ধূর্জটি-জটা বিধূনিত অম্বরে দোলে সসাগরা ভীতা পৃথ্বী কাঁপে মহাবিষ্ণুর কোলে, বাজে ঘোর ডম্বরু শিঙ্গা উল্কা ছোটে ভ্রুকুটি ভঙ্গে।। মৃত্যু-ক্ষুধা জাগিল একি রে, সৃষ্টি-স্থিতি সংহার মানসে। পঞ্চভূত চিত্ত অহঙ্কার ব্রহ্মা-হরি লয় হ’ল ব্রহ্মে উগ্র তারা রুদ্রেরে আবরি’ নাচে একা উন্মাদ দম্ভে, একি হেরি মূর্ছিতা শক্তি সোহম্ শিব আমারি অঙ্গে।।
রাগঃ বাঙ্গাল ভৈরব
তালঃ ঝুম্রা

ভুল ক'রে যদি ভালোবেসে থাকি ক্ষমিও সে অপরাধ। অসহায় মনে কেন জেগেছিল ভালবাসিবার সাধ।। কত জন আসে তব ফুলবন মলয়, ভ্রমর, চাঁদের কিরণ, — তেমনি আমিও আসি অকারণ অপরূপ উন্মাদ।। তোমার হৃদয়-শূন্যে জ্বলিছে কত রবি শশী তারা, তারি মাঝে আমি ধূমকেতু সম এসেছিনু পথহারা। তবু জানি প্রিয় একদা নিশীথে মনে পড়ে যাবে আমারে চকিতে, সহসা জাগিবে উৎসব-গীতে সকরুণ অবসাদ।।
রাগঃ দরবারী কানাড়া
তালঃ দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan