
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

ওরে বাবা! এর নাম নাকি পূজা! (রে ভাই)। (এই) পূজার ঠ্যালা সইতে সোজা মানুষ হয় যে কুঁজা। ষষ্ঠীর কৃপায় দশটি মেয়ে রাবণের গুষ্টি সঙ্গে আঁচিলের মতন এঁটুলির মতন নেপটে আছেন অঙ্গে। এরা ছাড়ে না, — তবু আঁচিল ছাড়ে খেলে হোমিওপ্যাথিক থুজা।। বেনারসি, ঢাকাই, রেশমি তসর, এণ্ডি, মট্কা বইতে বইতে গা দিয়ে দাদা ঘাম ছুটে যায় বোঁট্কা। (এই) চাওয়ার ভয়ে শিব ন্যাংটা, কথা কন্ না দশভুজা।। গিন্নি কন্যে হন্যে হয়ে সদাই সওদা করে (ওরা ভাবে) ব্যাঙ্কের টাকা যেন ট্যাঙ্কের জলের মতন ঝরঝর ক’রে ঝরে তাদের এক গোঁ থিয়েটার, সিনেমা, এসেন্স, পাউডার খুঁজা।। এ সব যদি জুটল, তবে যেতে হবে চেঞ্জে শালা শালী সবাই এক জোটে বলে এবার ‘সস্তায় ট্রেন যে,’ ও বোনাই। (না গেলে) দেখব সদাই গিন্নীর কুতুরে চক্ষু কেৎরে-বুঁজা।। সবাই যেন শ্রীদুর্গার গুষ্টি, আমি যেন বাহন সিঙ্গি, আসছে বছর পূজায় মাগো হব আমি ফিরিঙ্গি। জয় বাবা যীশুখ্রিস্টের জয় (এই পূজার সময়) পিতা হওয়ার চেয়ে হাড়িকাঠের পাঁঠা হওয়া সোজা।।
‘পূজার ঠ্যালা’
রাগঃ
তালঃ

ভুল ক’রে কোন্ ফুল-বিতানে গানের পাখি পথ হারালি। প্রেম-সমাধির বুকে এ-যে সাজানো ম্লান ফুলের ডালি।। বাণ-বেঁধা বুক ল’য়ে কোথায় উড়ে এলি শান্তি-আশায়, চোখের জলের নদীর পাশেই রয় নিরাশার চোরা-বালি।। জানিস্নে তুই ফুলের বনে কাল-সাপিনী রয় গোপনে, তৃষ্ণা-কাতর হৃদয়ে তোর বিষের জ্বালা দিলি ঢালি’।। আলেয়ারই আলোয় ভুলে এলি এ কোন্ মরণ-কূলে, হৃদয়ের এ শ্মশান-ভূমে প্রেমের চিতা জ্বলছে খালি।।
রাগঃ মাঢ় মিশ্র
তালঃ লাউনি
নাচো বনমালী করতালি দিয়া হেলে দুলে ধিয়া তাধিয়া। মধুর ছন্দে নাচো আনন্দে আমার প্রাণ নাচাইয়া। একবার নাচো হে — বাঁকা শিখী পাখা বামে হেলায়ে, বাঁকাশ্যাম একবার নাচো হে। বাঁকা নয়ন পীত-বসন, বনমালা গলে নাচ হে। এসো ত্রিভঙ্গ ঠামে শ্যামরায় — ‘দক্ষিণে বামে ছন্দ নামে’ রুমুঝুমু নূপুর-পায়।। অলক-তিলক আঁকা, শিরে শিখী পাখা, এসো মন-বন-ছায়ায়। ঐ শুনি তার বাজে বাঁশরি আসে ঐ আসে প্রাণের হরি।। কোটি অমল কমল-গন্ধে, আসে দশদিক আমোদিত করি’ এলো ঐ এলো প্রাণের হরি।।
চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

শ্রাবণ রাতের আঁধারে নিরালা ব’সে আছি বাতায়নে রেবা নদীর খরস্রোত বহে বেগে আমার মনে॥ দিগন্তে করুণ কাতর শুনি কার ক্রন্দন স্বর ভেসে বন-মর্মর ঝরঝর সজল উতল পুবালি পবনে॥ বিরহী যক্ষ কাঁদে একাকী কোথায় কোন্ দূর চিত্রকূটে আমার গানে যেন তার বেদনার সকরুণ ভাষা ফুটে। আমার মনের অলকায় কোন্ বিরহিণী পথ চায় মালবিকার আঁখি-ধার ঝরে হায় অঝোর ধারায় মোর নয়নে॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

স্ত্রী : তুমি কি নিশীথ-চাঁদ ভাঙাতে ঘুম চুপি চুপি আসিলে বাতায়নে। পুরুষ : তুমি কি গো বন-দেবী পুষ্প-শোভিতা চেয়ে আছ কোন দূরে আনমনে।। স্ত্রী : তোমারে হেরিয়া ফোটে মালতী হেনা হে চির চেনা পুরুষ : সুদুর বনান্তে সমীরণ হেরি' তোমায় হ'লো অধীর পাপিয়া ডাকে বকুল বনে।। স্ত্রী : তব কলঙ্ক অধিক মধুর লাগে হে কলঙ্কী চাঁদ, তোমারে হেরিয়া যত সাধ জাগে প্রাণে জাগে তত অবসাদ। পুরুষ : তোমার ছায়া প'ড়ে মোর আননে কলঙ্কী নাম হলো মোর এই ভুবনে। উভয়ে : আকাশের চাঁদে কুমুদ ফুলে মিলন হ'লো ধরার ভুলে অশ্রুসায়রে সঙ্গোপনে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

ব্যথার উপরে বঁধু ব্যথা দিও না দলিত এ হৃদি মম দ’লে যেয়ো না ॥ ল’য়ে কত সাধ আশা তোমার দুয়ারে আসা (বঁধু) দিলে যদি আলোবাসা ফিরে নিয়ো না॥ স্রোতের কুসুম প্রায় ভাসিতাম অসহায় তুলে নিয়ে বুকে তারে ফেলে দিলে পুনরায়। নিরদয় এ কি খেলা প্রাণ নিয়ে হেলাফেলা খেলার লাগিয়া ভালবাসিও না॥
রাগঃ পাহাড়ি
তালঃ দাদ্রা
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan