Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

আমি রবি-ফুলের ভ্রমর

বাণী

আমি	রবি-ফুলের ভ্রমর।
তা’র	আলোক-মধু প্রিয়ে আমি আলোর মধুপ অমর।।
ঐ	শ্বেত-শতদল ফুটলো যেদিন গভীর গগন নীল সায়রে
তা’র	আলোর শিখা আকাশ ছেপে ছড়িয়ে গেল বিশ্ব ‘পরে — স্তরে স্তরে,
সেই	বহ্নি-নলের পরাগ-রেণু
	আমিই যেন প্রথম পেনু, প্রথম পেনু গো
তাই	বাহির পানে ধেয়ে এনু গেয়ে আকুল স্বরে।
আজ	জাগো জগৎ! ঘুম টুটেছে বিশ্বে নিবিড় তমোর।।
তাঁ’র	জাগরণীর অরুণ কিরণ — গন্ধ যেদিন নিশি-শেষে
এই	অন্ধ জগৎ জাগিয়ে গেল আকাশ-পথের হাওয়ায় ভেসে — হঠাৎ এসে;
আমি	ঘুম-চোখে মোর পেনু আভাস,
	ঘরের বাহির করা সে-বাস ভাঙলে আবাস মোর।।
তাই	কূজন-বেণু বাজায়ে চলি আলোর দেশের শেষে
যথা	সহস্রদল কমল, আনন জাগ্‌ছে প্রিয়তমর।।
যেন	এ শ্বেত-সরোজ-সরোদ বাঁধা সপ্ত সুরের রঙিন তারে
	রচ্‌ছে সুরের ইন্দ্রধনু গগন-সীমায় তোরণ-দ্বারে তমোর ‘পারে,
তার	সে-সুর বাজি’ আমার পাখায় গহন-গহন শাখায় শাখায়
	তারায় কাঁপায় গো।
জাগে	ঐ কমলে পরশ প্রিয়ার চরণ নিরুপমর।।

নাহি কেহ আমার ব্যথার সাথী

বাণী

নাহি কেহ আমার ব্যথার সাথী,
জ্বলি পিল্‌সুজে একা মোমের বাতি।
পতঙ্গ সুখি, পুড়ে এক নিমেষে –
পুড়িয়া মরি আমি সারা রাতি।।
আসে যে সুখের দিনে বন্ধু রূপে,
অসময়ে যায় স’রে চুপে চুপে।
	উড়ে গেছে অলি
	ফুল ঝরেছে বলি’ – 
কাঁদি একাকী কণ্টক-শয্যা পাতি’।।
কেহ কারো নয় তবু প্রাণ কাঁদে
চকোর চাহে যেন সুদূর চাঁদে,
শুধু বেদনা পাই প্রেম-মোহে মাতি’।।

ঝড়-ঝঞ্ঝার ওড়ে নিশান

বাণী

ঝড়-ঝঞ্ঝার ওড়ে নিশান, ঘন-বজ্রে বিষাণ বাজে।
জাগো জাগো তন্দ্রা-অলস রে, সাজো সাজো রণ-সাজে।।
দিকে দিকে ওঠে গান, অভিযান অভিযান!
আগুয়ান আগুয়ান হও ওরে আগুয়ান
ফুটায়ে মরুতে ফুল-ফসল।
জড়ের মতন বেঁচে কি ফল? কে র’বি প’ড়ে লাজে।।
বহে স্রোত জীবন-নদীর, চল চঞ্চল অধীর,
তাহে ভাসিবি কে আয়, দূর সাগর ডেকে যায়।
হ’বি মৃত্যু-পাথার পার, সেথা অনন্ত প্রাণ বিরাজে।।
	পাঁওদল্‌ রণে চল্‌, চল্‌ রণে চল্‌
	পাঁওদল আগে চল্‌, চল্‌ রণে চল্‌
মরুতে ফোটাতে পারে ওই পদতল প্রাণ-শতদল।
	বিঘ্ন-বিপদে করি’ সহায়
	না-জানা পথের যাত্রী আয়,
স্থান দিতে হবে আজি সবায়, বিশ্ব-সভা-মাঝে।।

জয়-জগৎ-জননী ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর

বাণী

জয়-জগৎ-জননী, ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর বন্দিতা,
		জয় মা-ত্রিলোক তারিণী।
জয় আদ্যাশক্তি পরমেশ্বরী নন্দন-লোক-নন্দিতা
			জয় দুর্গতিহারিণী।।
তোমাতে সর্বজীবের বসতি, সর্বাশ্রয় তুমি মা,
জয় হয় সব বন্ধন পাপ-তাপ তব পদ চুমি’ মা।
তুমি শাশ্বতী, সৃষ্টি-স্থিতি, তুমি মা প্রলয়কারিণী।।
তুমি মা শ্রদ্ধা, প্রেম, ভক্তি তুমি কল্যাণ সিদ্ধি
ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ তুমি তিন-জন ঋদ্ধি,
জয় বরাভয়া ত্রিগুণময়ী দশ-প্রহরণ-ধারিণী।।

নাটক : ‘বিদ্যাপতি’ (স্তব)

ঝাঁকড়া-চুলো তালগাছ তুই দাঁড়িয়ে কেন

বাণী

ঝাঁকড়া-চুলো তালগাছ তুই দাঁড়িয়ে কেন ভাই।
আমার মত পড়া কি তোর মুখস্থ হয় নাই।।
	আমার মত একপায়ে ভাই
	দাঁড়িয়ে আছিস্‌ কান ধ’রে ঠায়,
একটুখানি ঘুমোয় না তোর পণ্ডিত মশাই।।
	মাথায় তুলে পাত্‌তাড়ি তোর
	কি ছাই বকিস্‌ বকর বকর,
আম্‌তা আম্‌তা করে নাম্‌তা পড়িস্‌ কি সদাই।।
	তালগাছ তোর পাতার কোলে
	বাবুই পাখির বাসা ঝোলে,
কোচড়-ভরা মুড়ি যেন, দেনা দুটি খাই।।
	পাখিরা তোর মাথায় এসে
	উড়ে এসে জুড়ে বসে,
ঠুক্‌রে ওরা দেয় কি মাথায় পাতা নাড়িস্‌ তাই।।

এই আমাদের বাংলাদেশ

বাণী

এই আমাদের বাংলাদেশ এই আমাদের বাংলাদেশ
যে দিকে চাই স্নিগ্ধ শ্যামল চোখ জুড়ানো রূপ অশেষ।।
চন্দনিত শীতল বাতাস বয় এ দেশে নিরন্তর
জোছনা সম কোমল হয়ে আসে হেথায় রবির কর
জীবন হেথায় স্নেহ সরস সরল হৃদয় সহজ বেশ।।
নিত্য হেথা করছে মেঘে স্বর্গ হতে শান্তি জল
মাঠে ঘাটে লক্ষ্মী হেথায় ছড়িয়ে রাখে ফুল কমল।
হাঙ্গোর কুমির শার্দুল সাপ খেলার সাথি এই জাতির
দিল্লির যশ করল হরণ এই দেশেরি প্রতাপ বীর
একদা এই দেশের ছেলে জয় করেছে দেশ বিদেশ।।

রেকর্ড: ‘প্রতাপদিত্য’, (নাটিকার: যোগেশ চৌধুরী)

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan