
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

খুলেছে আজ রঙের দোকান বৃন্দাবনে হোরির দিনে। প্রেম-রঙিলা ব্রজ-বালা যায় গো হেথায় আবির কিনে।। আজ গোকুলের রঙ মহলায় রামধনু ঐ রঙ পিয়ে যায় সন্ধ্যা-সকাল রাঙতো না গো ঐ হোরির কুমকুম বিনে।। রঙ কিনিতে এসে সেথায় রব শশী আকাশ ভেঙে' এই ফাগুনী ফাগের রাগে অশোক শিমুল ওঠে রেঙে'। আসে হেথায় রাধা-মাধব এই রঙেরই পথ চিনে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমি মূলতানী গাই শ্রোতারা বাছুর সম মুখপানে চেয়ে মম ঘন ঘন তোলে হাই।। জাপটে সুরের দাড়ি শ্বশুরের দাড়ি, ভাসুরের দাড়ি সাপটে তান মারি-আ-আ-আ জাপটে সুরের দাড়ি পমকে ধমক দেই, মীরে মাড় চটকাই।। হায় হায় রে হায়- বোলতানে আবোল-তাবোল তানে খেলি হা-ডু-ডু কিত-কিত - হা-ডু-ডু- হা-ডু-ডু-কিত-কিত-কিত-কিত-কিত মোড়-মোড়-মোড় আমি বাটের চাট মেরে সুরে করি চিত আমি তালের সিঙ দিয়ে বেদম গুতাই।। মোর মুখের হা দেখে হিপোপটেমাস আফ্রিকার জঙ্গলে ভয়ে করে বাস আমি যত নাহি গাই তার অধিক রাগাই।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

মাগো আমি তান্ত্রিক নই তন্ত্র মন্ত্র জানি না মা। আমার মন্ত্র যোগ-সাধনা ডাকি শুধু শ্যামা শ্যামা।। যাই না আমি শ্মশান মশান দিই না পায়ে জীব বলিদান, খুঁজতে তোকে খুজি না মা অমাবস্যা ঘোর ত্রিযামা।। ঝিল্লী যেমন নিশীথ রাতে একটানা সুর গায় অবিরাম তেমনি করে নিত্য আমি জপি শ্যামা তোমারি নাম। শিশু যেমন অনায়াসে জননীরে ভালোবাসে, তেমনি সহজ সাধনা মোর তাতেই পাব তোর দেখা মা।।
রাগঃ
তালঃ একতাল

(ওরে) হতভাগী রক্ত-খাগী, কোথায় ছিলি বল্! (তোর) দেখে ছিরি ভয়ে মরি চোখে আসে জল।। বেণী খুলে এলোকেশে বেড়াস্ এ কোন্ পাগল-বেশে, চাঁদকে ফেলে নীল আকাশে আন্লি কোন্ অনল।। (কপালে জ্বাল্লি কোন্ অনল) (ঐ) সদ্য ফোঁটা পদ্মফুলে কে মাখাল কালি? মা আমরি কপাল মন্দ কারে দিব গালি। রাজ-দুলালী আদর পেয়ে সাজ্লি ছি ছি নাগর মেয়ে, (তোর) চিন্তে পারি, গৌরী দেখে রাঙা পদতল।।
রাগঃ
তালঃ
শ্রীরাধা : ওলো বিন্দে! গোবিন্দে আর দিস্নে ব্যথা, দিস্নে। ওর দু নয়নে লো অঝোর ধারে বারি ঝরে, চোখে কি দেখিস্ নে? চোখের মাথা খেলি নাকি? [ঐ সজল কাজল চোখ দেখে তুই ঐ ডাগর চোখের চাওয়া দেখে তুই] ওর অশ্রুত নিবেদন অশ্রুতে ঝরে, ওরে কাঁদিতে দেখিলে মন কেমন করে। আমি রেইতে নারি — [হ’য়ে নারী সইতে নারি ওর নয়ন-বারি]। মোর পায়ে ধরার সাধে পদে-পদে অপরাধে আপনারে বাঁধে, কলঙ্ক হতে, সখি অধিক জোছনা দেয় কলঙ্কী-চাঁদে। ওরে তাই ভালোবাসি গো — [ত্রিভুবন ভালোবাসে ওরে]। এ-কুলে ও-কুলে যত নারী আছে, বৃন্দে, গোবিন্দে সকলে চায় — ও সকলের প্রিয় তবু কারো সে নয় কভু, প্রেমময় প্রেম দিয়ে কেবলি কাঁদায়, ওরে কে ধ’রে রাখবে? [ঐ দুরন্তরে বল্ ঐ উড়ন্ত পাখির] আমারি প্রিয়তমে সকলে বাসে ভালো গরবিনী আমি সেই গরব-ভরে। নিন্দা করি’, ‘বৃন্দা, বৃন্দাবনে লো — মনে মনে ক্ষমা চাই চরণ ধ’রে। ওর মন যে জানি লো, [ও চন্দ্রা’র বুকে কাঁদে ‘রাধা, রাধা’ ব’লে] ওর মনে যদি থাকত কিছু আবেশে, এ বেশে কি আসত? [চোর কি নিজে দেয় ধরা সই? অ-ধরা, ধরায়, ধরা পড়ত না সই] ও অত মুখ্যু নয় লো’ [কোটি কোটি মুমুক্ষেরে মোক্ষ দেয় যে, সে অত মুখ্যু নয় লো] প্রাণ গোবিন্দে, আন্ লো বৃন্দে — জুড়াক এ বুকের জ্বালা। বনমালী-কণ্ঠে নাহি জড়ালে সখি, প্রাণ-হীন আমি বনমালা! মোর কৃষ্ণ প্রাণ লো কৃষ্ণ ধ্যান, কৃষ্ণ জ্ঞান, কৃষ্ণ অভিমান — কৃষ্ণ প্রাণ লো! মোর কৃষ্ণ বিরহ, কৃষ্ণ কলহ, কৃষ্ণ প্রাণ লো!
‘কলহ-কলহান্তরিতা’
রাগঃ
তালঃ
গঙ্গা সিন্ধু নর্মদা কারেরী যমুনা ঐ বাহিয়া চলেছে আগের মতন, কই রে আগের মানুষ কই।। মৌনী স্তব্ধ সে হিমালয় তেমনি অটল মহিমময় নাই তার সাথে সেই ধ্যানী ঋষি, আমরাও আর সে জাতি নই।। আছে সে আকাশ ইন্দ্র নাই কৈলাসে সে যোগীন্দ্র নাই অন্নদা-সুত ভিক্ষা চাই কি কহিব এরে কপাল বই।। সেই আগ্রা সে দিল্লী ভাই প’ড়ে আছে, সেই বাদশা নাই নাই কোহিনুর ময়ূর-তখ্ত নাই সে বাহিনী বিশ্বজয়ী। আমরা জানি না, জানে না কেউ কূলে ব’সে কত গণিব ঢেউ দেখিয়াছি কত, দেখিব এও নিঠুর বিধির লীলা কতই।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ কল্পনা আনাম

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan