
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

অরুণ কিরণ সুধা-স্রোতে, ভাসাও প্রভু মোরে। গ্লানি পাপ তাপ মলিনতা, যাক ধুয়ে চিরতরে।। প্রশান্ত স্নিগ্ধ তব হাসি, ঝরুক অশান্তি প্রাণে বুকে১ প্রভাত আলোর ধারা, যেমন ঝরে সব ঘরে।। যেমন বিহগেরা জাগি ভোরে, আলোর নেশার ঘোরে আকাশ পানে ..., বন্দে প্রেম-মনোহরে২।।
১. পান্ডুলিপিতে পরিবর্ত লাইন হিসেবে ‘সবারে আজ যেন ভালোবাসি’ লেখা আছে।
২. পান্ডুলিপিতে গানটির সঙ্গে কবি-কৃত স্বরলিপি আছে।
রাগঃ কুকুভ বিলাবল
তালঃ একতাল
মমতাজ মমতাজ তোমার তাজমহল — যেন ফিরদৌসের একমুঠো প্রেম, বৃন্দাবনের একমুঠো প্রেম, আজো করে ঝলমল।। কত সম্রাট হ’ল ধূলি স্মৃতির গোরস্তানে — পৃথিবী ভুলিতে নারে প্রেমিক শাহ্জাহানে, শ্বেত মর্মরে সেই বিরহীর ক্রন্দন –মর্মর গুঞ্জরে অবিরল।। কেমনে জানিল শাজাহান – প্রেম পৃথিবীতে ম’রে যায়, তাই পাষাণ প্রেমের স্মৃতি রেখে গেল পাষাণে লিখিয়া হায়! যেন তাজের পাষাণ অঞ্জলি ল’য়ে নিঠুর বিধাতা পানে অতৃপ্ত প্রেম বিরহী আত্মা আজো অভিযোগ হানে! বুঝি সেই লাজে বালুকায় মুখ লুকাইতে চায় শীর্ণা যমুনা জল।।
রাগঃ মুলতানী মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

বিষ্ণুসহ ভৈরব অপরূপ মধুর মিলন শম্ভু মাধব। দক্ষিণে শঙ্কর শ্রীহরি বামে, মিলিয়াছে যেন রে কানু বলরামে দেখি এক সাথে যেন দেখি রে স্বয়ম্ভু কেশব।। বিমল চেতনা আনন্দ মদন শিব-নারায়ণের যুগল মিলন, এক সাথে ব্রজধাম শিবলোকে অরূপ স্বরূপ নেহারি চোখে — শোন্ রে একসাথে বেণূকার প্রণব।।
রাগঃ বিষ্ণু-ভৈরব
তালঃ
আঁখি ঘুম-ঘুম-ঘুম নিশীথ নিঝুম ঘুমে ঝিমায়। বাহুর ফাঁদে স্বপন-চাঁদে বাঁধিতে কারে চায়।। আমি কারো লাগি একা নিশি জাগি বিরহ-ব্যথায় কোথায় কাহার বুকে বঁধু ঘুমায় কাঁদি চাতকিনী মরে তৃষায় কুসুম-গন্ধ আজি যেন বিষ-মাখা হায়।। কেন এ ব্যথা এ আকুলতা পরের লাগি এ পরান পুড়ে? মরুভূমিতে বারি কি ঝুরে আমি যেন ম’রে তোরি রূপ ধ’রে আসি সে যাহারে চায়।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও দাদ্রা)

দুরন্ত বায়ু পূরবইয়াঁ বহে অধীর আনন্দে তরঙ্গে দুলে আজি নাইয়া রণ-তুরঙ্গ-ছন্দে।। অশান্ত অম্বর-মাঝে মৃদঙ্গ গুরুগুরু বাজে, আতঙ্কে থরথর অঙ্গ মন অনন্তে বন্দে।। ভূজঙ্গী দামিনীর দাহে দিগন্ত শিহরিয়া চাহে, বিষন্ন ভয়-ভীতা যামিনী খোঁজে সেতারা চন্দে।। মালঞ্চে এ কি ফুল-খেলা, আনন্দে ফোটে যূথী বেলা, কুরঙ্গী নাচে শিখী-সঙ্গে মাতি’ কদম্ব-গন্ধে।। একান্তে তরুণী তমালী অপাঙ্গে মাঝে আজি কালি, বনান্তে বাঁধা প’ল দেয়া কেয়া-বেণীর বন্ধে।। দিনান্তে বসি’ কবি একা পড়িস্ কি জলধারা-লেখা, হিয়ায় কি কাঁদে কুহু-কেকা আজি অশান্ত দ্বন্দ্বে।।
রাগঃ কাফি-সিন্ধু
তালঃ কাহার্বা

বন-মল্লিকা ফুটিবে যখন গিরি-ঝর্নার তীরে। সেই চৈতালি গোধূলি-লগনে এসো তুমি ধীরে ধীরে — গিরি-ঝর্নার তীরে।। বনের কিশোর এসো সেথা হেসে হেসে সাজায়ো আমায় বন-লক্ষ্মীর বেশে, ধোওয়াব তোমার চরণ-কমল বিরহ-অশ্রু নীরে।। ঘনায়ে গহন সন্ধ্যার মায়া আসিও সোনার রথে, অতি সুকোমল শিঁরিশ, কুসুম বিছায়ে রাখিব পথে। মালতী-কুঞ্জে ডাকিবে পাপিয়া পাখি তুমি এসে বেঁধো আলোক-লতার রাখি, ভ্রমরের সম পিপাসিত মোর আঁখি কাঁদিবে তোমারে ঘিরে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan