


নিশি-পবন! নিশি-পবন! ফুলের দেশে যাও ফুলের বনে ঘুমায় কন্যা তাহারে জাগাও — যাও যাও যাও।। মৌ-টুস্টুস্ মুখখানি তার ঢেউ-খেলানো চুল (ওরে) ভোমরার ঝাঁক-ঘেরা যেন ভোরের পদ্ম-ফুল হাসিতে তার মাঠের সরল বাঁশির আভাস পাও যাও যাও যাও।। চাঁপা ফুলের পুত্লি-ঘেরা চাঁপা রঙের শাড়ি তারেই দেখতে আকাশ-গাঙে (ওরে) চাঁদ দেয় রে পাড়ি। তার একটুখানি চোখের আদল বাদল-মেঘে পাও। যাও যাও যাও।। ধীরে ধীরে জাগাইয়ো তায় ঝরা-কুসুম ফেলিয়া গায় জাগলে কন্যা যেন রে মোর পত্রখানি দাও — যাও যাও যাও।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
শিল্পীঃ নাশিদ কামাল

পাঠাও বেহেশ্ত হ’তে হজরত্ পুন সাম্যের বাণী, (আর) দেখিতে পারি না মানুষে মানুষে এই হীন হানাহানি।। বলিয়া পাঠাও, হে হজরত যাহারা তোমার প্রিয় উম্মত, সকল মানুষে বাসে তা’রা ভালো খোদার সৃষ্টি জানি’ — সবারে খোদারই সৃষ্টি জানি।। আধেক পৃথিবী আনিল ঈমান (তোমার) যে উদারতা-গুণে, শিখিনি আমরা সে-উদারতা, (কোরানে হাদিসে) কেবলি গেলাম শুনে’। তোমার আদেশ অমান্য ক’রে লাঞ্ছিত মোরা ত্রিভুবন ভ’রে, আতুর মানুষে হেলা ক’রে বলি, ‘আমরা খোদারে মানি’।।
রাগঃ
তালঃ
ও সে বাঁশরি বাজায় হেলে দুলে যায় গোঠে শ্যামরায় নওল কিশোর। জোছনা পিয়াসে চাঁদ মুখ পাশে। ঘোরে গোপিনীর নয়ন-চকোর।। নীল উৎপল ভ্রমে মধুকর উড়ে চলে সাথে, ছাড়ি’ সরোবর, অঙ্গে গোপী-চন্দন বাস লুটিয়া পলায় সমীর-চোর।। চরণ-কমলে ভ্রমরের প্রায় — সোনার নূপুর গুঞ্জরিয়া যায়। শ্যামেরে নবীন নীরদ ভাবিয়া নাচিছে ময়ূর কলাপ মেলিয়া, ঢেউ তুলে যেন চলে রূপের সায়র।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

গুণে গরিমায় আমাদের নারী আদর্শ দুনিয়ায় রূপে লাবেন্য মাধুরী ও শ্রীতে হুরী-পরী লাজ পায়।। নর নহে,নারী ইসলাম 'পরে প্রথম আনে ঈমান আম্মা খাদিজা জগতে সর্ব প্রথম মুসলমান। পুরুষের সব গৌরব ম্লান এক এই মহিমায়।। নবী-নন্দিনী ফাতেমা মোদের সতী-নারীদের রানী যাঁর গুণ-গাথা ঘরে ঘরে প্রতি নর-নারী আজো গায়।। রহিমার মত মহিমা কাহার তাঁর সম সতী কেবা নারী নয় যেন মূর্তি ধরিয়া এসেছিল পতি-সেবা মোদের খাওয়ালা জতের আলা বীরত্বে গরিমায়।। রাজ্য শাসনে রিজিয়ার নাম ইতিহাসে অক্ষয় শৌর্যে সাহসে চাঁদ-সুলতানা বিশ্বের বিস্ময় জেবুন্নেসার তুলনা কোথায়,জ্ঞানের তপস্যায়।। আঁধার হেরেমে বন্দিনী হল সহসা আলোর মেয়ে সেইদিন হতে ইসলাম গেল গ্লানির কালিতে ছেয়ে। লক্ষ খালেদ আসিবে যদি এ নারীরা মুক্তি পায়।।
রাগঃ মালকোষ মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা। কাঁদিও না, কাঁদিও না — তব তরে রেখে গেনু প্রেম-আনন্দ মেলা।। খেলো খেলো তুমি আজো বেলা আছে খেলা শেষ হলে এসো মোর কাছে, প্রেম-যমুনার তীরে ব’সে রব লইয়া শূন্য ভেলা।। যাহারা আমার বিচার করেছে — ভুল করিয়াছে জানি, তাহাদের তরে রেখে গেনু মোর বিদায়ের গানখানি। হই কলঙ্কী, হোক মোর ভুল বালুকার বুকে ফুটায়েছি ফুল, তুমিও ভুলিতে নারিবে সে-কথা — হানো যত অবহেলা।।
পাঠান্তর
খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা। কাঁদিও না, কাঁদিও না — তব তরে রেখে গেনু প্রেম-আনন্দ মেলা।। খেলো খেলো তুমি আজো বেলা আছে খেলা শেষ হলে এসো মোর কাছে, প্রেম-যমুনার তীরে ব’সে রব লইয়া শূন্য ভেলা।। যাহারা আমার বিচার করেছে আর তাহাদের কেহ, দেখিতে পাবে না কলঙ্ক কালিমাখা মোর এই দেহ। হই কলঙ্কী, হোক মোর ভুল পৃথিবীতে আমি এনেছি গোকুল, তুমিও ভুলিতে নারিবে সে-কথা — হানো যত অবহেলা।।
[গানটি ১৯৬৫ সালে জগন্ময় মিত্রের কণ্ঠে রেকর্ডের সময় প্রশিক্ষক কমল দাশগুপ্ত বাণীর কিছু পরিবর্তন করেছিলেন।
যথা: ১. খেলা শেষ হলে যেয়ো, যেয়ো মোর কাছে, ২. হোক অপরাধ হোক মোর ভুল]
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
তোমার সজল চোখে লেখা মধুর গজল গান। চেয়ে চেয়ে তাই দেখে গো আমার দু’নয়ান।। আমার পুঁথির আখর যত তোমার মালার মোতির মত, তাই দেখি আর পাঠ ভুলে যাই, আকুল করে প্রাণ।। যেমন বুলবুলি আর রঙিন গোলাব লায়লী-মজনু দুইজনে ভাব, ওদের প্রেমে ধূলির ধরা হল গুলিস্তান।।
নাটিকা: ‘লায়লী-মজনু’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan