
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

শ্যামে হারায়েছি বলে কাঁদি না বিশাখা হারায়েছি শ্যামের হৃদয় আমি তারি তরে কাঁদি গো সেই নিদয়ের তরে নয় তার হৃদয়ের তরে কাঁদি গো হারায়েছি শ্যামের হৃদয়। যে হৃদয় ছিল একা গোপিকার রাধিকার কুবুজা করেছে তারে জয়, সখি গো কুবুজা তারে কু বুঝায়েছে যে রাধা ছাড়া জানত না সই কুবুজা তারে কু বুঝায়েছে কুবুজা করেছে তারে জয়। কি হবে মথুরা গিয়া, হেরি সে হৃদয়হীন পাষাণ দেবতায় সে কিছুই দেবে না, দেবতাই বটে গো সে দেবতাই বটে গো পাষাণ খুঁজে না রাধা তার প্রিয় আনন্দঘন শ্যামরায় তোরা যেতে চাস যা লো — ঠাকুর দেখিতে তোরা যেতে চাস যা লো, সখি গো ধরম-করম মম তনু-মন-যৌবন সঁপিনু চরণে যার সে পর-পুরুষ, হ’ল আজি অপরার পুরুষ স্বভাব ভ্রমবার। সে ভ্রমরাই সমতুল ফুলে ফুলে ভ্রমে সে ভ্রমরাই সমতুল তারে, দেখলে ভ্রমে জাতিকুল, ভ্রমরাই সমতুল পুরুষ স্বভাব ভ্রমরার যা’র হরি ছাড়া বোধ নাই প্রবোধ দিস্নে তায়, সজনী সবারই পোহাবে নিশি, পোহাবে না রাধারই এ আঁধার রজনী॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

রাখাল রাজ! কি সাজে সাজালে আমায় আজ! আমার ঘরের ভূষণ কেড়ে নিয়ে দিলে চির-পথিক সাজ।। তোমার পায়ের নূপুর আমায় দিয়ে ঘোরাও পথে-ঘাটে নিয়ে, বেড়াই বাউল একতারা বাজিয়ে হে, (ও মরি হায় রে) এই ভুবন-নাটে বেড়াই ভুলে শরম-ভরম-লাজ।। তোমার নৃত্য-খেলার নিত্য-সাথি আনন্দেরি গোঠে হে, জীবন-মরণ আমার সহজ চরণ-তলে লোটে হে। আমার হাতে দিলে সর্বনাশী ঘর-ভোলানো তোমার বাঁশি, কাজ ভুলাতে যখন তখন আসি হে’ (ও মরি হায় রে) আমার ভবন কেড়ে — দিলে ছেড়ে বিশ্বভুবন-মাঝ।।
রাগঃ
তালঃ খেম্টা

দুধে আলতায় রঙ যেন তার সোনার অঙ্গ ছেয়ে (সে) ভিন্ গেরামের মেয়ে। চাঁদের কথা যায় ভুলে লোক তাহার মুখে চেয়ে, ভিন্ গেরামের মেয়ে। ও পারে ওই চরে যখন চুল খুলে সে দাঁড়ায়, কালো মেঘের ভিড় লেগে যায় আকাশের ওই পাড়ায়, পা ছুঁতে তার নদীর জলে (ও ভাই) জোয়ার আসে ধেয়ে।। চোখ তুলে সে মেঘের পানে ভুরু যখন হানে, অম্নি ওঠে রামধনু গো সেই চাহনির টানে। কপালের সে ঘাম মুছে গো আঁচল যখন খুলে, ধানের ক্ষেতে ঢেউ খেলে যায়, দরিয়া ওঠে দুলে। আমি চোখের জলে খুঁজি তারেই (ও ভাই) দুখের তরী বেয়ে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

নবীন বসন্ত যে যায় যায় যায় রে। ফুলদল অবিরল, ঝ’রে পড়ে পায়, তার ঝ’রে পড়ে পায় রে।। আছে এখনো বেলা এখনো আছে ফুলের মেলা আয় নেচে গেয়ে খেলিয়া যাই ভুলের খেলা, আপন প্রেমে আপনি যে জন করিল হেলা। সেই উদাসী পানে ধায় কেন মন — হায়, কেন প্রাণ তারে চায় চ’লে যায় যায় রে।।
নাটক : ‘সর্বহারা’
রাগঃ
তালঃ
চিকন কালো বেদের কুমার কোন্ পাহাড়ে যাও? কোন্ বন-হরিণীর পরান নিতে বাঁশরি বাজাও? তুমি শিস্ দিয়ে গান গাও তুমি কুটিল চোখে চাও।। তীর-ধনুক নিয়ে সারাবেলা ও শিকারি, এ কি খেলা? শাল গাছেরই ডাল ভাঙিয়া একটু বাতাস খাও।। কাঁকর-ভরা কাঁটার পথে (আজ) নাই শিকারে গেলে, অশথ্-তলে বাজাও বাঁশি (তোমার) হাতের ধনুক ফেলে’। তোমার কালো চোখের কাজল নিয়ে ঝিল উঠেছে ঝিল্মিলিয়ে, ঝিল্মিলিয়ে। ঐ কমল ঝিলের শাপলা নিয়ে বাঁশিখানি দাও।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

নীল আকাশের কোলে শুয়ে হেরে শ্রান্ত মেঘের দল, পল্লবে-ফুলে পূর্ণ হ’লো কি ধরণীর অঞ্চল।। দেয়া গরজে না, উপবনে তাই বেণী-বন্ধনে কেয়া ফুল নাই, গুণ্ঠন খুলি’ প্রকৃতি হাসিছে, মেলি’ এলো-কুন্তল।। সায়র ছেয়েছে শাপ্লা শালুকে, ‘নায়রে’ চলেছে বৌ, বৌ-কথা-কও ডাকে ফুলবনে, ঝরে মমতার মৌ। বাজে আনন্দ-বেণু শারদীয়া মিলন পিয়াসি ডাকে পিয়া পিয়া, সৌরভ-মধু ভারে বেদনায় কার প্রেম-শতদল, করে টলমল।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan