
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

কেন মেঘের ছায়া আজি চাঁদের চোখে? মোর বুকে মুখ রাখি ঝড়ের পাখি সম কাঁদে ওকে? গভীর নিশীথের কন্ঠ জড়ায়ে শ্রান্ত কেশভার গগনে ছড়ায়ে, হারানো প্রিয়া মোর এলো কি লুকায়ে আমার একা ঘরে ম্লান আলোকে॥ গঙ্গায় তারি চিতা নিভেছে কবে, মোর বুকে সেই চিতা আজো জ্বলে নীরবে; স্মৃতির চিতা তার নিভিবে না বুঝি আর কোন সে জনমে কোন সে লোকে॥
রাগঃ দারবারী-কানাড়া
তালঃ ত্রিতাল

জাগো কৃষ্ণকলি, জাগো কৃষ্ণকলি। মধুকরের মিনতি মানো, ডাকে জাগো বলি’, বিহগ-কাকলি।। তব দ্বারে বারে বারে মন-উদাসী ভোরের হাওয়া এসে বাজায় বাঁশি, ফিরে গেল ভ্রমরা মউ-পিয়াসি — অযথা বিতানে কানে কথা বলি।। হের হাতের তার ফুলঝুরি ফেলে’ ধূলায় উদাসী বসন্ত মাগে বিদায়, দীরঘ-শ্বাস ফেলি’ ঝরা পাতায়। চাহে রঙিন ঊষা তব রঙের আভাস তব লাল আভায় লজ্জা পায় হিঙুল পলাশ। এলো কোকিল তোমার রঙে খেল্তে হোলি।।
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ আড়খেম্টা

ব্যনমে শুন স্যখিরি পিয়া পিয়া বোলে বাঁশুরিয়া। সখি ক্যওন উও বন্শী ব্যজায় ঘ্যরমে ন্য র্যহন্ যায়, মন্ ভ্যয়ে উদাস্ সখি ন্যহি মানে জিয়া রি।। নিরালা ঢং বাজে মৃদঙ্গ ম্যওর পাপিহা বোলে রি চ্যরণন্ মে ছ্যন্দ জাগে ত্যন্ মন্ প্রাণ ডোলে রি প্রেম্সে ম্যতওয়ালী ভ্যয়ি চাঁদ কি আঁখিয়া রি।। স্যখি প্যহনো নীল শাড়ি চূড়া বাঁধো ম্যনহারি যাঁহা ব্যন্চারী চ্যলো ক্যরকে সিঙ্গার চ্যরণন্ মে গুজরী গ্যালেমে চম্পা হার — নাচুঙ্গী আজ ওয়াকে সাথ্ গাউঙ্গি র্যসিয়ারি।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

মার্হাবা সৈয়দে মক্কী-মদনী আল্-আরবি। বাদ্শারও বাদশাহ্ নবীদের রাজা নবী।। ছিলে মিশে আহাদে, আসিলে আহমদ হয়ে বাঁচাতে সৃষ্টি খোদার, এলে খোদার সনদ ল’য়ে, মানুষে উদ্ধারিলে মানুষের আঘাত সয়ে — মলিন দুনিয়ায় আনিলে তুমি যে বেহেশ্তী ছবি।। পাপের জেহাদ-রণে দাঁড়াইলে তুমি একা নিশান ছিল হাতে ‘লা-শরীক আল্লাহ্’ লেখা, গেল দুনিয়া হতে ধুয়ে মুছে পাপের রেখা — বহিল খুশির তুফান উদিল পুণ্যের রবি।।
রাগঃ বেহাগ
তালঃ কাহার্বা

সমবেত : সারাদিন পিটি কার দালানের ছাদ গো পাত ভ’রে ভাত পাই না, ধ’রে আসে হাত গো॥ ১ম : তোর ঘরে আজ কি রান্ন হায়েছে? ২য় : ছেলে দুটো ভাত পায়নি, পথ চেয়ে রয়েছে। ৩য় : আমিও ভাত রাঁধিনি, দেখ্ না চুল বাঁধিনি শাশুড়ি মান্ধাতার বুড়ি মন্দ কথা কয়েছে। ৪র্থ : আমার ননদ বড় দজ্জাল বজ্জাত গো। সমবেত : সারাদিন পিটি কার দালানের ছাদ গো পাত ভ’রে ভাত পাই না, ধ’রে আসে হাত গো॥ ১ম : এত খায় তবু ওদের বউগুলো সুঁট্কো ২য় : ছেলেগুলো প্যাঁকাটি, বাবুগুলো মুট্কো। ৩য় : এরা কাগজের ফুল, এরা চোখে চাঁদ দেখে না। ৪র্থ : ইটের ভিতরে কীটের মত কাটায় এরা রাত গো। সমবেত : সারাদিন পিটি কার দালানের ছাদ গো পাত ভ’রে ভাত পাই না, ধ’রে আসে হাত গো॥
চলচ্চিত্রঃ ‘চৌরঙ্গী’
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

ওরে তরু তমাল শাখা। আছে পল্লবে তোর মোর বল্লভ কৃষ্ণ কান্তি মাখা। আমি তাইতো তমাল কুঞ্জে আসি তাইতো তমাল ভালোবাসি, তোর পথ-ছায়ায় আছে যে তার (কৃষ্ণ) চরণ-চিহ্ন আঁকা।। তোর চূড়ায় ময়ূর নাচে, যেন কৃষ্ণ-ময়ূর পাখা তাই দেখে পরান বাঁচে — কৃষ্ণহারা পরান আমার বাঁচে। তোর শাখাতে স্বর্ণ-লতা দোলে আমি ভাবি শ্যামের পীত বসন বলে, মোর অঙ্গ যেন থাকে রে তোর কালো ছায়ায় ঢাকা তোর ছায়া নয় রে শ্যামের ছোঁওয়া, যেন শ্যামের শীতল ছোঁওয়া।।
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan