দ্রুত-দাদ্‌রা

  • কন্যার পায়ের নূপুর বাজে রে বাজে রে

    বাণী

    	কন্যার পায়ের নূপুর বাজে রে বাজে রে।
    	রুমুঝুমু রুমুঝুমু বাজে রে বাজে রে।
    যেন	ভোমরারি ঝাঁক উড়ে গেল ফুল-বনের মাঝে রে।।
    	কালো জলে নামলো যেন বুনো হাসেঁর দল,
    যেন	পাহাড় বেয়ে ছুটে এলো ঝর্ণা ছলছল
    	থির সায়রে টাপুর-টুপুর ঝরে মেঘের জল
    		যেন বাদল সাঝেঁ  রে।।
    যেন	আচমকা নিঝুম রাতে গাঙে জোয়ার এলো
    	ঝরা পাতায় চৈতী বাতাস বইলো এলোমেলো।
    		সে সুর ওঠে রিমঝিমিয়ে
    		আমার বুকে চমক দিয়ে
    	মহুয়া-ডালে গানের পাখি	নীরব হলো লাজে রে।।
    
  • কানে আজো বাজে আমার তোমার গানের

    বাণী

    কানে আজো বাজে আমার তোমার গানের রেশ
    নয়নে মোর জাগে তোমার নয়নের আবেশ।।
    	তোমার বাণী অনাহত
    	দুলে কানে দুলের মত
    ও গান যদি কুসুম হত সাজাতাম মোর কেশ।।
    নদীর ধারে যেতে নারি শুনে তোমার সুর
    মনে আনে তোমার গান করুণ বিধুর।
    	শুনি বুনো পাখির গীতি
    	জাগে তোমার গানের স্মৃতি
    পরান আমার যায় যে ভেসে তোমার সুরের দেশ।।
    
  • কারার ওই লৌহকপাট

    বাণী

    কারার ঐ লৌহ-কপাট
    ভেঙ্গে ফেল্ কর্‌ রে লোপাট রক্ত-জমাট
    শিকল-পূজার পাষাণ-বেদী!
    ওরে ও তরুণ ঈশান!
    বাজা তোর প্রলয়-বিষাণ! ধ্বংস-নিশান
    উঠুক প্রাচী-র প্রাচীর ভেদি’॥
    গাজনের বাজনা বাজা!
    কে মালিক? কে সে রাজা? কে দেয় সাজা
    মুক্ত-স্বাধীন সত্য কে রে?
    হা হা হা পায় যে হাসি, ভগবান প’রবে ফাঁসি? সর্বনাশী —
    শিখায় এ হীন্ তথ্য কে রে?
    ওরে ও পাগ্‌লা ভোলা, দেরে দে প্রলয়-দোলা গারদগুলা
    জোরসে ধ’রে হ্যাঁচকা টানে।
    মার্‌ হাঁক হায়দরী হাঁক্ কাঁধে নে দুন্দুভি ঢাক ডাক ওরে ডাক
    মৃত্যুকে ডাক জীবন-পানে॥
    নাচে ঐ কাল-বোশেখী, কাটাবি কাল ব’সে কি?
    দে রে দেখি ভীম কারার ঐ ভিত্তি নাড়ি’।
    লাথি মার, ভাঙ্‌রে তালা! যত সব বন্দী-শালায় —
    আগুন জ্বালা, আগুন জ্বালা, ফেল্ উপাড়ি॥
    

    সিনেমাঃ ‘চট্রগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন’

  • কালা এত ভাল কি হে কদম্ব গাছের তলা

    বাণী

    কালা		এত ভাল কি হে কদম্ব গাছের তলা।
    আমি		দেখ্‌ছি কত দেখ্‌ব কত তোমার ছলাকলা;
    আমি		নিতুই নিতুই সবই কত, (কালা) তিন সতিনের জ্বালা॥
    আমি		জল নিতে যাই যমুনাতে তুমি বাজাও বাঁশি হে,
    		মনের ভুলে কলস ফেলে তোমার কাছে আসি হে,
    শ্যাম		দিন-দুপুরে গোকুলপুরে (আমার) দায় হল পথ চলা॥
    আমার	চারদিকেতে ননদ-সতীন দু’কূল রাখা ভার,
    		আমি সইব কত আর বাঁকা শ্যাম।
    ওরা		বুঝছে সবই নিত্যি-নতুন, (নিতি) মিথ্যে কথা বলা॥
    
  • কালো পাহাড় আলো করে কে

    বাণী

    কালো পাহাড় আলো করে কে ও কে কালো শশী,
    নিতুই এসে লো বাজায় বাঁশি কদম তলায় বসি।।
    	সই লো মানা কর্‌ না ওকে,
    	ও চায় না যেন অমন চোখে,
    ওর চাউনি দেখে অলপ বয়সে হলাম দোষী।।
    গুরুজনের সে ভয় করে না,
    বাঁকিয়ে ভুরু ডাকে — সে ডাকে, আমারে সে ডাকে।
    রাতের বেলায় চোরের মত চাহে বেড়ার ফাঁকে।
    	আমি না চাহিলে নূপুর ছুঁড়ে
    	কলসি ভেঙে পালায় দূরে,
    আমি মরেছি সই প'রে তাহার বনমালার রশি।।
    
  • কি মজার কড়াই ভাজা

    বাণী

    কি মজার কড়াই ভাজা কুড়ুর মুড়ুর খাই রে,
    		যদি পয়সা একটি পাই রে।
    মোদের জামাও আছে পকেটও আছে
    		পয়সা কিন্তু নাই রে।।
    	দাদা, পয়সা যদি পাই
    	চল পেয়ারা তলায় যাই,
    আমি আনি নুন লঙ্কা, তুমি লুকিয়ে চল বাইরে।।
    

    রেকর্ড-নাটিকাঃ ‌‘খুকি ও কাঠবেরালি’

  • কিশোর রাখাল বেশে মেষ চারণে যায় নবী

    বাণী

    কিশোর রাখাল বেশে মেষ চারণে যায় নবী
    নীল রেশমি রুমাল বেঁধে তার চারু-চাঁচর কেশে।
    তাঁর রাঙা পদতলে পুলকে ধরা টলে
    তাঁর রূপ -লাবনির ঢলে মরুভূমি গেল ভেসে।।
    তাঁর মুখে রহে চাহি মেষ-শিশু তৃণ ভুলি‌'
    বিশ্বের শাহানশাহ আজ মাখে গোঠের ধূলি,
    তাঁর চরণ-নখরে কোটি চাঁদ কেঁদে মরে
    তাঁর ছায়া ক'রে চলে আকাশে মেঘ এসে।।
    কিশোর নবী গোঠে চলে
    তাঁর চরণ-ছোঁয়ায় পথের পাথর মোম হয়ে যায় গ'লে
    তসলিম জানায় পাহাড় চরণে ঝুকে তাঁহার।
    নারাঙ্গি,আঙুর,খরজুর,পায়ে নজরানা দেয় হেসে।।
    
  • কিশোরী মিলন-বাঁশরি

    বাণী

    	কিশোরী, মিলন-বাঁশরি
    শোন	বাজায় রহি’ রহি’ বনের বিরহী —
    	লাজ বিসরি’ চল জল্‌কে।
    তার	বাঁশরি শুনি’ কথার কুহু
    	ডেকে ওঠে কুহুকুহু - মুহুমুহু;
    	রস-যমুনা-নীর হ’ল অধীর, রহে না থির;
    ও তার 	দু-কূল ছাপায়ে তরঙ্গদল ওঠে ছল্‌কে॥    
    	কেন লো চম্‌কে দাঁড়ালি থম্‌কে —
    পেলি	দেখতে কি তোর প্রিয়তম্‌কে!
    পেয়ে	তারি কি দেখা নাচিছে কেকা,
    হ’ল	উতলা মৃগ কি দেখে চপল্‌কে॥
    

    নাটকঃ ‘চক্রব্যূহ’

  • কুনুর নদীর ধারে ঝুনুর ঝুনুর বাজে

    বাণী

    পুরুষ	:	কুনুর নদীর ধারে ঝুনুর ঝুনুর বাজে
    		বাজে বাজে লো ঘুঙুর কাহার পায়ে।
    স্ত্রী	:	হাতে তল্‌তা বাঁশের বাঁশি মুখে জংলা হাসি
    		কে ঐ বুনো গো বড়ায় আদুল গায়ে।।
    পুরুষ	:	তার ফিঙের মত এলোখোঁপায় ঝিঙেরি ফুল
    স্ত্রী	:	যেন কালো ভোম্‌রার গা কালার ঝামর চুল।
    দ্বৈত	:	ও যদি না হতো পর
    		দু’জনের হতো ঘর
    		একই গাঁয়ে গো।।
    পুরুষ	:	ওর বাঁকা ভঙ্গিমা দেখে
    		তৃতীয়ার চাঁদ ডেকে,
    		হতে চাহে ওর হাঁসুলি-হার।
    স্ত্রী	:	ঝিলের শঙ্খ ঝিনুক বলে
    		কিনুক বিনামূলে
    		আমরা হব কালার কণ্ঠেরই হার।
    পুরুষ	:	ও মেয়ে না পাহাড়ি-ঝর্নার সুর
    স্ত্রী	:	ও পুরুষ না কষ্টি পাথরের ঠাকুর
    দ্বৈত	:	যদি বাসত ভালো, যদি আসত কাছে
    		রাখতাম হিয়ায় লুকায়ে গো।।
    
  • কে দিল খোঁপাতে ধুঁতুরা ফুল লো

    বাণী

    কে দিল খোঁপাতে ধুঁতুরা ফুল লো
    খোঁপা খুলে কেশ হলো বাউল লো।।
    পথে সে বাজালো মোহন–বাঁশি
    তোর ঘরে ফিরে যেতে হলো এ ভুল লো।।
    কে নিল কেড়ে তোর পৈঁচী চুড়ি
    বৈঁচি মালায় ছি ছি খোয়ালি কুল লো।।
    ও সে বুনা পাগল পথে বাজায় মাদল
    পায়ে ঝড়ের নাচন শিরে চাঁচর চুল লো।।
    দিল নাকেতে নাকছাবি বাবলা ফুলি
    কুঁচের চুড়ি আর ঝুঁমকো ফুল দুল লো।।
    সে নিয়ে লাজ দু’কূল দিল ঘাঘরি
    সে আমার গাগরি ভাসালো জলে বাতুল লো।।
    

    নাটকঃ মহুয়া

  • কে নিবি মালিকা এ মধু যামিনী

    বাণী

    		কে নিবি মালিকা এ মধু যামিনী,
    		আয় লো যুবতী কুল কামিনী॥
    আমার		বেল ফুলের মালা গুণ জানে গো,
    		পরবাসী বঁধুকে ঘরে আনে গো।
    আমার		মালার মায়ায় ভালোবাসা পায়
    কেঁদে		কাটায় রাতি যে অভিমানিনী॥
    আমি		রূপের দেশের মায়া পরী,
    (সেই)		আমার মালার গুণে কুরূপা যে সে হয় সুন্দরী।
    যে		চঞ্চলে অঞ্চলে বাঁধিতে চায়,
    যার		নিঠুর বঁধু সদা পালিয়ে বেড়ায়।
    আমার		মালার মোহে ঘরে রহে সে
    ফোটে		মলিন মুখে হাসির সৌদামিনী॥
    
  • গলে টগর মালা কাদের ডাগর মেয়ে

    বাণী

    গলে টগর মালা কাদের ডাগর মেয়ে
    যেন রূপের সাগর চলে উজান বেয়ে॥
    তার সুডোল তনু নিটোল বাহুর পরে
    চাঁদের আলো যেন পিছ্‌লে পড়ে
    ও কি বিজলি পরী এলো মেঘ পাসরি’
    চাঁদ ভুলে যায় লোকে তার নয়নে চেয়ে॥
    যেন রূপকথার দেশের সে রাজকুমারী
    রামধনুর রঙ ঝরে অঙ্গে তারি
    মদন রতি করে তার আরতি
    তার রূপের মায়া দুলে ভুবন ছেয়ে॥
    
  • গুলশান কো চুম্‌ চুম্‌ কহ্‌তি বুলবুল

    বাণী

    গুলশান কো চুম্‌ চুম্‌ কহ্‌তি বুলবুল
    রুখসারী সে বেদর্‌দী বোর্‌খা খুল খুল।।
    হাঁসতি হায় বোস্তা মস্ত্‌ হো যা দোস্তা
    শিরি শিরাজি সে হো যা বেহোঁশ জাঁ
    সব কুছ আজ রঙ্গীন হ্যায় সব কুছ মশগুল
    হাঁসতি হায় গুল হো কর দোজখ্‌ বিল্‌কুল্‌।
    হারে আশক মাশুক কি চমনোঁ মে ফুলতা নেই
    দোবারা ফুল, ফুল ফুল ফুল।।
    
  • গেরুয়া রঙ মেঠো পথে বাঁশরি বাজিয়ে কে যায়

    বাণী

    গেরুয়া রঙ মেঠো পথে বাঁশরি বাজিয়ে কে যায়।
    সুরের নেশায় নুয়ে প'ড়ে ভুঁই-কদম তার পায়ে জড়ায়।
    	আহা ভূঁই-কদম তারা পায়ে জড়ায়।।
    	সুর শুনে তার সাঝেঁর ঠোটেঁ,
    	বাঁকা শশীর হাসি ফোটে,
    গো-পথ বেয়ে ধেনু ছোটে রাঙা মাটির আবির ছড়ায়।
    	তারা রাঙা মাটির আবির ছাড়ায়।।
    	গগন গোঠে গ্রহ তারা
    	সে সুর শুনে দিশেহারা
    হাটের পথিক ভেবে সারা ঘরে ফেরার পথ ভুলে যায়।।
    	জল নিতে নদী কূলে
    	কুলবালা কূল ভুলে
    সন্ধ্যা তারা প্রদীপ তুলে বাঁশুরিয়ার নয়নে চায়।
    	তারা বাঁশুরিয়ার নয়নে চায়।।
    
  • চম্পা পারুল যূথী টগর চামেলা

    বাণী

    চম্পা পারুল যূথী টগর চামেলা।
    আর সই, সইতে নারি ফুল-ঝামেলা।।
    	সাজায়ে বন-ডালি,
    	বসে রই বন-মালি
    যা'রে দিই এ ফুল সেই হানে হেলাফেলা।।
    	কে তুমি মায়া-মৃগ
    	রতির সতিনী গো
    ফুল নিতে আসিলে এ বনে অবেলা।।
    	ফুলের সাথে প্রিয়
    	ফুল মালরে নিও
    তুমিও এক সই, আমিও একেলা।।
    
  • চল মন আনন্দ-ধাম

    বাণী

    চল	মন আনন্দ-ধাম।
    	চল মন আনন্দ-ধাম রে,
    	চল আনন্দ-ধাম।।
    	লীলা-বিহার প্রেম লোক
    	নাই রে সেথা দুঃখ শোক,
    সেথা	বিহরে চির-ব্রজ-বালক — 
    	বন্‌শিওয়ালা শ্যাম রে
    	চল আনন্দ-ধাম।।
    	নাহি মৃত্যু নাহি ভয়
    	নাহি সৃষ্টি, নাহি লয়,
    খেলে	চির-কিশোর চির-অভয় —
    	সঙ্গীত ওম্ না রে
    	চল আনন্দ ধাম।।১
    	নাহি চরাচর নাহি রে ব্যোম
    	লীলা-সাথী গ্রহ রবি ও সোম,
    	সঙ্গীত ‘ওম্’ নাম রে
    	চল আনন্দ ধাম।।
    

    ১. অবাঙ্‌মনস-গোচরম্‌

  • চিকন কালো বেদের কুমার

    বাণী

    	চিকন কালো বেদের কুমার কোন্‌ পাহাড়ে যাও?
    কোন্‌	বন-হরিণীর পরান নিতে বাঁশরি বাজাও?
    	তুমি শিস্‌ দিয়ে গান গাও
    	তুমি কুটিল চোখে চাও।।
    	তীর-ধনুক নিয়ে সারাবেলা
    	ও শিকারি, এ কি খেলা?
    শাল গাছেরই ডাল ভাঙিয়া একটু বাতাস খাও।।
    কাঁকর-ভরা কাঁটার পথে (আজ) নাই শিকারে গেলে,
    অশথ্‌-তলে বাজাও বাঁশি (তোমার) হাতের ধনুক ফেলে’।
    	তোমার কালো চোখের কাজল নিয়ে
    	ঝিল উঠেছে ঝিল্‌মিলিয়ে, ঝিল্‌মিলিয়ে।
    ঐ কমল ঝিলের শাপলা নিয়ে বাঁশিখানি দাও।।
    
  • চুড়ির তালে নুড়ির মালা

    বাণী

    চুড়ির তালে নুড়ির মালা রিনিঝিনি বাজে লো –
    খোঁপায় দোলে বুনো ফুলের কুঁড়ি।
    কালো ছোঁড়ার কাঁকাল ধ’রে নাচে মাতাল ছুঁড়ি লো।।
    মহুয়া মদের নেশা পিয়ে বুঁদ হয়েছে বৌয়ে–ঝিয়ে
    চাঁদ ছুটছে মনকে নিয়ে
    ডুরি ছেঁড়া ঘুড়ি (যেন) লো।।
    বাজে নুপূর পাঁইজোড় সারা গায়ে নাচের ঘোর
    ওলো লেগেছে, মন হ’ল নেশায় বিভোর;
    ওই আকাশে চাঁদ হের মেঘের সাথে যেন করে খুনসুড়ি লো।।
    
  • চোখ গেল চোখ গেল

    বাণী

    ‘চোখ গেল’ ‘চোখ গেল’ কেন ডাকিস রে
    			চোখ গেল পাখি (রে)।
    তোর ও চোখে কাহার চোখ পড়েছে নাকি রে
    			চোখ গেল পাখি (রে)।।
    চোখের বালির জ্বালা জানে সবাই রে
    চোখে যার চোখ পড়ে তার অষুধ নাই রে
    কেঁদে কেঁদে অন্ধ হয় তাহার আঁখি রে।।
    তোর চোখের জ্বালা বুঝি নিশি রাতে বুকে লাগে
    চোখ গেল ভুলে রে ‘পিউ কাঁহা’ ‘পিউ কাঁহা’ বলে
    			তাই ডাকিস অনুরাগে রে।
    ওরে বন পাপিয়া কাহার গোপন্-প্রিয়া
    			ছিলি আর জনমে
    আজো ভুলতে নারিস আজো ঝুরে হিয়া
    ওরে পাপিয়া বল্ যে হারায় তাহারে কি
    			পাওয়া যায় ডাকি’ রে।।
    
  • জ্যোতির্ময়ী মা এসেছে আঁধার আঙিনায়

    বাণী

    জ্যোতির্ময়ী মা এসেছে আঁধার আঙিনায়।
    ভুবনবাসী ছেলেমেয়ে আয় রে ছুটে আয়॥
    আনন্দ আজ লুট হতেছে কে কুড়াবি আয়,
    আনন্দিনী দশভূজা দশ হাতে ছড়ায়,
    মা অভয় দিতে এলো ভয়ের অসুর’ দ’লে পায়॥
    বুকের মাঝে টইটম্বুর ভরা নদীর জল,
    ওরে দুলছে টলমল, ওরে করছে ঝলমল।
    ঝিলের জলে ফুটল কত রঙের শতদল
    	ছুঁতে মায়ের পদতল।
    দেব সেনারা বাইচ্ খেলে রে আকাশ গাঙের স্রোতে,
    সেই আনন্দে যোগ দিবি কে? আয় রে বাহির পথে,
    আর দেব না যেতে মাকে রাখব ধ’রে পায়
    মাতৃহারা মা পেলে কি ছাড়তে কভু চায়॥