
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

জাগো কৃষ্ণকলি, জাগো কৃষ্ণকলি। মধুকরের মিনতি মানো, ডাকে জাগো বলি’, বিহগ-কাকলি।। তব দ্বারে বারে বারে মন-উদাসী ভোরের হাওয়া এসে বাজায় বাঁশি, ফিরে গেল ভ্রমরা মউ-পিয়াসি — অযথা বিতানে কানে কথা বলি।। হের হাতের তার ফুলঝুরি ফেলে’ ধূলায় উদাসী বসন্ত মাগে বিদায়, দীরঘ-শ্বাস ফেলি’ ঝরা পাতায়। চাহে রঙিন ঊষা তব রঙের আভাস তব লাল আভায় লজ্জা পায় হিঙুল পলাশ। এলো কোকিল তোমার রঙে খেল্তে হোলি।।
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ আড়খেম্টা

এসো এসো এসো ওগো মরণ! এই মরণ-ভীতু মানুষ-মেষের ভয় কর গো হরণ।। না বেরিয়েই পথে যা’রা পথের ভয়ে ঘরে বন্ধ-করা অন্ধকারে মরার আগেই মরে, তাতা থৈ থৈ তাতা থৈ থৈ তাদের বুকের ’পরে — ভীম রুদ্রতালে নাচুক তোমার ভাঙন-ভরা চরণ।। দীপক রাগে বাজাও জীবন-বাঁশি মড়ার মুখেও আগুন উঠুক হাসি’। কাঁধে পিঠে কাঁদে যথা শিকল জুতোর ছাপ নাই সেখানে মানুষ সেথা বাঁচাও মহাপাপ, সে দেশের বুকে শ্মাশান মশান জ্বালুক তোমার শাপ, সেথা জাগুক নবীন সৃষ্টি অবার হোক নব নাম-করণ।। হাতের তোমার দণ্ড উঠুক কেঁপে’, এবার দাসের ভুবন ভবন ব্যেপে’। মেষগুলোকে শেষ ক’রে দেশ-চিতার বুকে নাচো! শব ক’রে আজ শয়ন, হে শিব, জানাও তুমি আছ। মরায় ভরা ধরায়, মরণ! তুমিই শুধু বাঁচো — এই শেষের মাঝেই অশেষ তুমি, করছি তোমায় বরণ।। জ্ঞান-বুড়ো ঐ বলছে জীবন মায়া, নাশ কর ঐ ভীরুর কায়া ছায়া! মুক্তি-দাতা মরণ! এসো কাল-বোশেখীর বেশে; মরার আগেই মরলো যারা, নাও তাদেরে এসে। জীবন তুমি সৃষ্টি তুমি জরা-মরার দেশে, তাই শিকল বিকল মাগ্ছে তোমার মরণ-হরণ-শরণ।।
‘মরণ-বরণ’
রাগঃ বিলাবল মিশ্র
তালঃ তেওড়া

ওমা তোর চরণে কি ফুল দিলে পূজা হবে বল। রক্ত-জবা অঞ্জলি মোর হ’লো যে বিফল।। বিশ্বে যাহা আছে মাগো তাতেও পূজা হবে নাকো, তাই তো দুঃখে নয়নে মোর শুধুই আসে জল।। মনের কোণে অর্ঘ্য রচি’ আঁধার ঘরে একা, ডাকলে তোরে সকল ভুলে দিবি না তুই দেখা। তখন কি মা দুঃখ-হরা শেষ হবে না অশ্রুধারা, কি ফুলে তোর পূজা হবে বল — কেন করিস্ ছল।।
রাগঃ
তালঃ
এসো নওল কিশোর এসো এসো, লুকায়ে রাখিব আঁখিতে মম। আমার আঁখির ঝিনুকে বন্দী রহিবে মুকুতা সম।। তুমি ছাড়া আর এই পৃথিবীতে এ আঁখি কারেও পাবে না দেখিতে, তুমিও আমারে ছাড়া আর কারেও হেরিবে না প্রিয়তম।। লুকায়ে রাখিব ফণিনী যেমন মানিক লুকায়ে রাখে, ঘিরিয়া থাকিব দামিনী যেমন শ্যাম মেঘ ঘিরে থাকে। মেঘ হয়ে আমি হে চাঁদ তোমায় আবরি’ রাখিব আঁখির পাতায়, নিশীথে জাগিয়া কাঁদিব দু’জন প্রিয় হে, চির জনম।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কেন হেরিলাম নব ঘনশ্যাম কালারে কাল্ কালিন্দী-কূলে। (সে যে) বাঁশরির তানে সকরুণ গানে ডাকিল প্রেম-কদম্ব মূলে।। কেন কলস ভরিতে গেনু যমুনা-তীরে, মোর কলস সাথে গেল ভাসি, লাজ-কূল-মান আকুল নীরে। কলসির জল মোর নয়নে ভরিয়া সই আসিনু ফিরে।। সখি হে তোদের সে রাই নাই, গোকুলের রাই গোকুলে নাই। সে যে হারাইয়া গেছে শ্যামের রূপে লো নবীন নীরদে বিজলি প্রায়। সে রবি-শশী সম ডুবিয়া গেছে লো সুনীল রূপের গগন-গায়।। হরি-চন্দন-পঙ্কে লো সখি শীতল ক’রে দে জ্বালা, দুলায়ে দে গলে বল্লভ-রূপী শ্যাম পল্লব মালা। নীল কমল আর অপরাজিতার, শেজ্ পেতে দে লো কোমর বিথার পেতে দে শয্যা পেতে দে, নীল শয্যা পেতে দে পেতে দে! পরাইয়া দে লো সখি অঙ্গে নীলাম্বরী, জড়াইয়া কালো বরণ আমি যেন মরি।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

ওরে আলয়ে আজ মহালয়া মা এসেছে ঘর। তোরা উলু দে রে, শঙ্খ বাজা, প্রদীপ তুলে ধর্।। (এলো মা, আমার মা) মাকে ভুলে ছিলাম ওরে কাজের মাঝে মায়ার ঘোরে, আজ বরষ পরে মাকে ডাকার মিলল অবসর।। মা ছিল না ব’লে সবাই গেছে পায়ে দ’লে, মার খেয়েছি যত তত ডেকেছি মা ব’লে। মা এসেছে ছুটে রে তাই ভয় নাইরে আর ভয় নাই, মা অভয়া এনেছে রে দশ হাতে তাঁর বর।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan