
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

ওরে ও-চাঁদ! উদয় হ’লি কোন্ জোছনা দিতে! দেয় অনেক বেশি আলো আমার নবীর পেশানীতে।। ওরে রবি! আলোক দিস্ যত তুই দগ্ধ করিস্ তত আমার নবী স্নিগ্ধ শীতল কোটি চাঁদের মত, সে নাশ করেছে মনের আঁধার ঈষৎ হাসিতে।। ওরে আসমান! তুই সুনীল হলি জানি কেমন ক’রে আমার নবীর কালো চোখের একটুকু নীল হ’রে। ওরে তারা! তোরা জ্যোতি পেলি নবীজীর চাউনিতে।। ওরে বসরা গোলাব! অনেক বেশি খোশবু তোদের চেয়ে সেই ধূলিতে মোর নবীজী যেতেন যে পথ বেয়ে, সেই বারতা ফুলকে শোনায় বুল্বুলি সঙ্গীতে।।
রাগঃ
তালঃ
আমি মূলতানী গাই শ্রোতারা বাছুর সম মুখপানে চেয়ে মম ঘন ঘন তোলে হাই।। জাপটে সুরের দাড়ি শ্বশুরের দাড়ি, ভাসুরের দাড়ি সাপটে তান মারি-আ-আ-আ জাপটে সুরের দাড়ি পমকে ধমক দেই, মীরে মাড় চটকাই।। হায় হায় রে হায়- বোলতানে আবোল-তাবোল তানে খেলি হা-ডু-ডু কিত-কিত - হা-ডু-ডু- হা-ডু-ডু-কিত-কিত-কিত-কিত-কিত মোড়-মোড়-মোড় আমি বাটের চাট মেরে সুরে করি চিত আমি তালের সিঙ দিয়ে বেদম গুতাই।। মোর মুখের হা দেখে হিপোপটেমাস আফ্রিকার জঙ্গলে ভয়ে করে বাস আমি যত নাহি গাই তার অধিক রাগাই।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ওরে আলয়ে আজ মহালয়া মা এসেছে ঘর। তোরা উলু দে রে, শঙ্খ বাজা, প্রদীপ তুলে ধর্।। (এলো মা, আমার মা) মাকে ভুলে ছিলাম ওরে কাজের মাঝে মায়ার ঘোরে, আজ বরষ পরে মাকে ডাকার মিলল অবসর।। মা ছিল না ব’লে সবাই গেছে পায়ে দ’লে, মার খেয়েছি যত তত ডেকেছি মা ব’লে। মা এসেছে ছুটে রে তাই ভয় নাইরে আর ভয় নাই, মা অভয়া এনেছে রে দশ হাতে তাঁর বর।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

সন্ধ্যার গোধূলি রঙে নাহিয়া। কে এলে কাহারে চাহিয়া।। মধুর লগনে অপরূপ বেশে কেন দাঁড়ালে মম দ্বারে এসে, দিনের শেষে ঝরা ফুলের দেশে — আসিলে চাঁদের তরণী বাহিয়া।। অস্ত রবির রঙ ল’য়ে কোন্ যাদুকর নিরমিল তোমার মূরতি মনোহর, মনের পদ্ম-বনে বাণীর মধুকর — ‘সুন্দর! সুন্দর!’ — ওঠে গাহিয়া।।
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ ত্রিতাল

এত জল ও কাজল চোখে, পাষানী আনলে বল কে। টলমল জল-মোতির মালা দুলিছে ঝালর-পলকে ।। দিল কি পূব হাওয়াতে দোল, বুকে কি বিঁধিল কেয়া? কাঁদিয়া কুটিলে গগন এলায়ে ঝামর-অলকে।। চলিতে পৈঁচি কি হাতের বাঁধিল বৈচি-কাঁটাতে? ছাড়াতে কাঁচুলির কাঁটা বিঁধিল হিয়ার ফলকে।। [যে দিনে মোর দেওয়া-মালা ছিঁড়িলে আনমনে সখি, জড়াল জুই-কুসুমি-হার বেণীতে সেদিন ওলো কে।। যে-পথে নীর ভরণে যাও বসে রই সে পথ-পাশে দেখি, নিত কার পানে চাহি কলসীর সলিল ছলকে।।] মুকুলী-মন সেধে সেধে কেবলি ফিরিনু কেঁদে, সরসীর ঢেউ পালায় ছুটি' না ছুঁতেই নলিন-নোলকে ।। বুকে তোর সাত সাগরের জল, পিপাসা মিটল না কবি ফটিক জল ! জল খুঁজিস যেথায় কেবলি তড়িৎ ঝলকে।।
রাগঃ মান্দ
তালঃ কাহার্বা

তুমি আমার চোখের বালি, ওগো বনমালী। আমার চোখে পড়ল কখন, তোমার রূপের কালি।। (চোখ) চাইলে ও-রূপ সইতে নারি নয়ন মুদেও রইতে নারি, তোমার লীলা, প্রিয়জনে কাঁদাও খালি।। কাঁদিয়ে আমায় করলে কানা, কানাই একি লীলা, এবার ম’রে আর জনমে যেন হই কুটিলা। তোমার নয়ন-মণি রাইকে নিয়ে রাখব ঘরে দুয়ার দিয়ে চোখে চোখে সেদিন যেন হয় মিতালি।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan