
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

ঢল ঢল তব নয়ন-কমল কাজল তোমারেই সাজে। শোভে তোমারেই চাঁদের হাসি হিঙুল অধর-মাঝে।। ফিরোজা-রঙ শাড়ি চাঁপা রঙে তব সেজেছে প্রিয়া কি অভিনব, সুনীল গগনে গোধূলি রঙ যেন মিশেছে আসিয়া ঊষা ও সাঁঝে।। কোমলে কড়িতে বাজে কাঁকন চুড়ি শিথিল আঁচল ল’য়ে খেলে হাওয়া লুকোচুরি, উষ্ণ কপোল ছুঁয়ে থল্-কমলী আঁউ’রে গেল যে লাজে।।
রাগঃ মাঢ়
তালঃ কাহার্বা
দেশ গৌড়-বিজয়ে দেবরাজ গগনে এলো বুঝি সমর-সাজে। তাহারি মেঘ-মৃদঙ্গ গুরু গুরু আষাঢ়-প্রভাতে সহসা বাজে।। গহন কৃষ্ণ ঐরাবত-দল রবিরে আবরি’ ঘিরিল নভতল, হানে খরশর বৃষ্টি ধারা জল — পবন-বেগে প্রতি ভবন-মাঝে।। বনের এলোকেশ বিজলি-পাশে বাঁধিয়া দেব্-সেনা অট্রহাসে। শ্যামল গৌড়ের অমল হাসি শস্যে-কুসুমে ওঠে প্রকাশি’, অঙ্গে তাহার আঘাত-রাশি — দেব-আশীর্বাদ হয়ে বিরাজে।।
রাগঃ দেশ-গৌড়
তালঃ তেওড়া

আল্লাহ রসুল বোল রে মন আল্লাহ রসুল বোল। দিনে দিনে দিন গেল তোর দুনিয়াদারি ভোল।। রোজ কেয়ামতের নিয়ামত এই আল্লাহ-রসুল বাণী তোর আখেরের ভুখের খোরাক পিয়াসের ঐ পানি তোর দিল দরিয়ায় আল্লাহ-রসুল জপের লহর তোল।। তোর স্ত্রী-পুত্র ভাই-বেরাদর কেউ হবে না সাথি আঁধার গোরে রইবি প’ড়ে জ্বালবে না কেউ বাতি। যে নামে হেসে পার হবি তুই পুল-সেরাতের পোল।। (ওরে) হাড়-ভাঙা খাটুনি খেটে ঘুরে ঘুরে পথে আনিস যা তুই লাগবে না তা তোর কাজে আকবতে। যে যে নাম জ’পে পাবি রে তুই মোস্তফারই কোল।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমার দুখের বন্ধু, তোমার কাছে চাইনি ত’ এ সুখ। আমি জানিনি ত বুকে পেয়েও কাঁদবে এ মন বুক।। আমার শাখায় যবে ফোটেনি ফুল আমি চেয়েছি পথ আশায় আকুল, আজ ফোটা ফুলে কাঁদে কেন কুসুম ঝরার দুখ।। প্রিয় মিলন-আশায় ছিনু সুখে ছিলে যবে দূর, আজ কাছে পেয়ে পরান কাঁদে বিদায়-ভয়াতুর। এ যে অমৃতে গরল মিশা প্রাণে কেবলি বাড়িছে তৃষা, আমার স্বর্গে কেন মলিন ধরার বেদন জাগরূক।।
রাগঃ ছায়ানট-কেদারা
তালঃ একতাল
নাচে সুনীল দরিয়া আজি দিল্-দরিয়া পূর্ণিমা চাঁদেরে পেয়ে। কূলে তার ঝুমুর ঝুমুর ঘুঙুর বাজে মিঠে আওয়াজে নাচে জল্-পরীর মেয়ে।। তার জল-ছলছল্ কূলে কূলে ফেনিল যৌবন ওঠে দু’লে, চাঁদিনী উজল্ তনু ঝলমল্ পরানে উছল জাগে জোয়ার — আধো ঘুমে আসে তার নয়ন ছেয়ে।। জল-বালা মুক্তা-মালা গাঁথে নিরালা চাঁদের তরে, কাজল-বরণী তরুণী তটিনী চলেছে ধেয়ে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
পুঁথির বিধান যাক পুড়ে তোর, বিধির বিধান সত্য হোক! (এই) খোদার উপর খোদকারী তোর মানবে না আর সর্বলোক।। নানান মুনির নানান মত্ যে, মানবি বল্ সে কার শাসন? কয়জনার বা রাখবি মন? একজনকে মানলে করবে আর এক সমাজ নির্বাসন, চারদিকে শৃঙ্খল বাঁধন! সকল পথে লক্ষ্য যিনি চোখ পুরে নে তাঁর আলোক।। জাতের চেয়ে মানুষ সত্য, অধিক সত্য প্রাণের টান প্রাণ-ঘরে সব এক সমান। বিশ্ব-পিতার সিংহ-আসল প্রাণ বেদীতেই অধিষ্ঠান, আত্মার আসন তাইত প্রাণ। জাত-সমাজের নাই সেথা ঠাই জগন্নাথের সাম্য লোক জগন্নাথের তীর্থ লোক।। চিনেছিলেন খ্রিষ্ট, বুদ্ধ, কৃষ্ণ, মোহাম্মদ ও রাম মানুষ কী আর কী তার দাম! (তাই) মানুষ যাদের করত ঘৃণা, তাদের বুকে দিলেন স্থান, গান্ধী আবার গান সে-গান। (তোরা) মানব-শত্রু, তোদেরই হায় ফুটল না সেই জ্ঞানের চোখ।।
রাগঃ আলাহিয়া বিলাবল
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan