
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

ঐ জল্কে চলে লো কার ঝিয়ারি। রূপ চাপে না তার নীল শাড়ি।। এমন মিঠি বিজলি দিঠি শেখালে তায় কে গো? রূপে ডুবু ডুবু রবির রঙ-ভরা ছবির, ছোঁয়াচ লেগেছে গো। মন মানে না, আর কি করি ! চলে পিছনে ছুটে’ তারি।। নাচে বুলবুলি ফিঙে ঢেউয়ে নাচে ডিঙে মাঠে নাচে খঞ্জন; তার দু’টি আঁখি-তারা নেচে হতো সারা — দেখেছে বল কোন জন? আঁখি নিল যে মোর মন্ কাড়ি’ — ঘরে থাকিতে আর নারি লো।। গোলাপ বেলী যুঁই-চামেলি - কোন্ ফুল তারি তুল্ গো তার যৌবন-নদী বয় নিরবধি ভাসায়ে দু’ কূল গো নিল ভাসায়ে প্রাণ আমারি রূপে দু’কূল–ছাপা গাঙ্ তারি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বঁধু, তোমার আমার এই যে বিরহ এক জনমের নহে। তাই যত কাছে পাই তত এ হিয়ায় কি যেন অভাব রহে।। বারে বারে মোরা কত সে ভুবনে আসি দেখিয়া নিমেষে দুইজনে ভালোবাসি, দলিয়া সহসা মিলনের সেই মালা (কেন) চলিয়া গিয়াছি দোঁহে।। আমরা বুঝি গো বাঁধিব না ঘর, অভিশাপ বিধাতার। শুধু চেয়ে থাকি, কেঁদে কেঁদে ডাকি, চাঁদ আর পারাবার যেন চাঁদ আর পারাবার। মোদের জীবন-মঞ্জরি দুটি হায়! শতবার ফোটে শতবার ঝ'রে যায়; আমি কাদি ব্রজে (বঁধু), তুমি কাঁদ মথুরায়, মাঝে অপার যমুনা বহে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

কুহু কুহু কুহু ব’লে মহুয়া-বনে। মাধবী চাঁদ এলে পূব-গগনে।। দুলে ওঠে বনান্ত আসিলে কে পান্থ, তব পদধ্বনি অশান্ত — হে শুনি মম মনে।। বাতায়নে প্রদীপ জ্বালি’ আসা-পথ চাহি’, প্রহর গণি, গান গাহি’। এলে আজি নিশীথে দেখা দিতে তৃষিতে, শুনি দশ-দিশিতে — বাঁশি তব ক্ষণে ক্ষণে।।
রাগঃ
তালঃ
ছাড়িয়া যেও না আর। বিরহের তরী মিলনের ঘাটে লাগিল যদি আবার।। কত সে-বিফল জনমের পর পথ-চাওয়া মোর ফিরে এলে ঘর, এলো শুভ দিন, কাটিল অসহ রাতের অন্ধকার।। দেবতা গো ফিরে চাও, মোর বেদনার তপস্যা-শেষ, মিলনের বর দাও। ল’য়ে জীবনের সঞ্চিত ব্যথা তোমার চরণে হলাম প্রণতা, লহ পূজা মোর নয়নের লোর শীর্ণা তনুর হার।।
রাগঃ
তালঃ
ওগো সুন্দর! তুমি আসিবে বলিয়া বনপথে পড়ে ঝরি’ (রাঙা) অশোকের মঞ্জরি। হাসে বনদেবী বেণীতে জড়ায়ে মালতীর বল্লরী, নব কিশলয় পরি’।। কুমুদী-কলিকা ঈষৎ হেলিয়া চাঁদেরে নেহারি হাস মুচিকিয়া, মহুয়ার বনে ভ্রম-ভ্রমরী ফিরিতেছে গুঞ্জরি’।। যাহা কিছু হেরি ভাল লাগে আজ লুকাইতে নারি হাসি, কাজ করি আর শুনি যেন কানে মিঠে পাহাড়িয়া বাঁশি। এক শাড়ি খুলে পরি’ আর শাড়ি বারে বারে মুখ মুকুরে নেহারি, দুরু দুরু হিয়া উঠে চমকিয়া, অকারণে লাজে মরি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
যখন আমার কুসুম ঝরার বেলা তখন তুমি এলে ভাটির স্রোতে ভাসলো যখন ভেলা পারের পথিক এলে।। আঁধার যখন ছাইল বনতল পথ হারিয়ে এলে হে চঞ্চল দীপ নিভাতে এলে হে বাদল ঝড়ের পাখা মেলে।। শূন্য যখন নিবেদনের থালা তখন তুমি এলে শুকিয়ে যখন ঝরল বরণ-মালা তখন তুমি এলে। নিরশ্রু এই নয়ন পাতে শেষ পূজা মোর আজকে রাতে নিবু নিবু প্রাণ শিখাতে আরতি দীপ জ্বেলে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan