Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

ঘন ঘোর বরিষণ মেঘ-ডমরু বাজে

বাণী

ঘন ঘোর বরিষণ মেঘ-ডমরু বাজে
শ্রাবণ রজনী আঁধার।
বেদনা-বিজুরি-শিখা রহি’ রহি’ চমকে
মন চাহে প্রেম অভিসার॥
কোথা তুমি মাধব কোথা তুমি শ্যামরায়?
ঝরিছে নয়ন-বারি অঝোর ধারায়,
কদম-কেয়া-বনে
ডাহুকী আনমনে —
সাথি বিনা কাঁদে অনিবার॥

ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হ’য়ে

বাণী

ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হ’য়ে আমার গানের বুলবুলি —
করুণ চোখে চেয়ে আছে সাঁঝের ঝরা ফুলগুলি।।
ফুল ফুটিয়ে ভোর বেলাতে গান গেয়ে
নীরব হ’ল কোন নিষাদের বান খেয়ে;
বনের কোলে বিলাপ করে সন্ধ্যা–রাণী চুল খুলি’।।
কাল হ’তে আর ফুটবে না হায় লতার বুকে মঞ্জরী,
উঠছে পাতায় পাতায় কাহার করুণ নিশাস্‌ মর্মরি’।
গানের পাখি গেছে উড়ে, শূন্য নীড় —
কণ্ঠে আমার নাই যে আগের কথার ভীড়
আলেয়ার এ আলোতে আর আসবে না কেউ কূল ভুলি’।।

সেই পথে মন মম ধায়

বাণী

	সেই পথে মন মম ধায়।
প্রিয়	রসুলে খোদার, নবীর সরদার —
			যে পথে চলিলেন হায়।
	পরান আমার বিকাতে চাহে
	মাহে আরব লীলাভূমে বিকাতে চাহে।
যাব	কমলিওয়ালা-পাশ ছাড়ি' গৃহবাস
			কম্বল সম্বল করি'।
পাক	রওজার ধূলি শিরে ল'ব তুলি'
			পরিব অঞ্জন করি'।
	অঙ্গে রবে ভূষণ হয়ে সদা —
	পাক রওজার ধূলি ভূষণ হয়ে সদা অঙ্গে রবে।
আমি	(ওগো) মম দুখ-ভার করিয়া উজাড়
			দিব সে-চরণে ডারি।
ওগো	যত দুখ মোর বহিবে অঝোর
			হইবে নয়ন-বারি।
	আমার যাবে গো ব'য়ে
	আমার নয়নের ধারা যাবে গো ব'য়ে,
	পাক রওজাতে নিতি লুকানো বহ্নি
			নয়নের ধারা যাবে গো ব'য়ে।

কীর্তন-সুরে নাত-ই-রসুল

ঐ কাজল-কালো চোখ

বাণী

			ঐ কাজল-কালো চোখ।
আদি কবির আদি রসের যেন দু’টি শ্লোক।।
	দু’টি কুসুম আছে ফু’টে
	পুষ্প-লতার পত্র-পুটে,
সেই আলোকে১ রেঙে উঠে — বনের গহন লোক।।
রূপের সাগর সাঁত্‌রে বেড়ায় পান কৌড়ি পাখি
			ঐ কাজল-কালো আঁখি,
মদির আঁখির নীল পেয়ালায় শরাব বিলাও নাকি,
			ওগো কাজল-কালো আঁখি।
	তোমার দু’টি আঁখি-তারা
	তারার মত তন্দ্রাহারা,
আমার মুখে চেয়ে চেয়ে অশ্রু-সজল হোক।।

১. হাসিতে

বিজলি চাহিনী কাজল কালো নয়নে

বাণী

বিজলি চাহিনী কাজল কালো নয়নে।
রহি’ রহি’ কেন হানিছ ক্ষণে ক্ষণে।।
	ভীরু প্রণয় মম
	ঝড়ের পাখির সম,
শরণ মাগে তোমার মনো-বনে।।
আমার প্রণয়-প্রদীপ-শিখা তোমারে শ্বাসে থেকে থেকে,
কেঁপে মরে, ওগো প্রিয়, বাঁচাও তারে আঁচল-ঢেকে।
ধ্যান যাহার ওই রাঙা চরণ, বেঁধো না তারে বেণীর ফাঁদে
কি হবে পিঞ্জরে রাখি’, বেঁধেছ যা’য় বাহুর বাঁধে,
	কেন হান আঘাত যে হেরে আছে রণে।।

রাখিস্‌নে ধরিয়া মোরে ডেকেছে মদিনা

বাণী

রাখিস্‌নে ধরিয়া মোরে, ডেকেছে মদিনা আমায়।
আরাফাত্‌ময়দান হতে তারি তক্‌বীর শোনা যায়।।
কেটেছে পায়ের বেড়ি, পেয়েছি আজাদী ফরমান,
কাটিল জিন্দেগী বৃথাই দুনিয়ার জিন্দান-খানায়।।
ফুটিল নবীর মুখে যেখানে খোদার বাণী
উঠিল প্রথম তক্‌বীর ‘আল্লাহ্ আকবর’ ধ্বনি,
যে দেশে পাহাড়ে মুসা দেখিল খোদার জ্যোতি — 
রব না দারুল হরবে যেতে দে যেতে দে সেথায়।।
যে দেশে ধূলিতে আছে হজরতের চরণ-ধূলি
সে ধূলি করিব সুরমা চুমিব নয়নে তুলি’,
যে দেশের মাটিতে আছে নবীজীর মাজার শরিফ — 
নবীজীর দেহের পুষ্প ভাসে রে যে দেশের হাওয়ায়।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan