
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

নিখিল ঘুমে অচেতন সহসা শুনিনু আজান শুনি’ সে তকবিরের ধ্বনি আকুল হল মন-প্রাণ বাহিরে হেরিনু আসি বেহেশতী রৌশনীতে রে ছেয়েছে জমিন ও আসমান আনন্দে গাহিয়া ফেরে ফেরেশ্তা হুর গেলেমান — এলো কে, কে এলো ভুলোকে! দুনিয়া দুলিয়া উঠিল পুলকে।। তাপীর বন্ধু, পাপীর ত্রাতা, ভয়-ভীত পীড়িতের শরণ-দাতা মুকের ভাষা নিরাশার আশা, ব্যথার শান্তি, সান্ত্বনা শোকে এলো কে ভোরের আলোকে।। দরুদ পড় সবে : সাল্লে আলা, মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লে আলা। কেহ বলে, এলো মোর কম্লিওয়ালা — খোদার হাবীব কেহ কয় নিরালা মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লে আলা। কেহ বলে, আহমদ নাম মধু ঢালা — মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লে আলা। মজনুঁরও চেয়ে হল দীওয়ানা সবে, নাচে গায় নামের নেশায় ঝোঁকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
আমি বাউল হ’লাম ধূলির পথে ল’য়ে তোমার নাম। আমার একতারাতে বাজে শুধু তোমারই গান, শ্যাম।। নিভিয়ে এলাম ঘরের বাতি এখন তুমিই সাথের সাথি, আমি যেখানে যাই সেই সে এখন আমার ব্রজধাম।। আমি আনন্দ-লহরি বাজাই নূপুর বেঁধে পায়ে, শ্রান্ত হ’লে জুড়াই তনু বন-বীথি বটের ছায়ে।১ ভাবনা আমার তুমি নিলে আমায় ভিক্ষা-পাত্র দিলে কখন তুমি আমার হবে পূরবে মনস্কাম।।
১. শ্রান্ত হলে জুড়াই তবু বংশী-বটের ছায়ে।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

ফুল চাই — চাই ফুল — টগর চম্পা চামেলি ফিরি ফুলওয়ালী নিয়ে ফুল ডালি — মল্লিকা মালতী যুঁই বেলি।। যার প্রাণে বিরহ জ্বালা লহ এ অশোক মাধবী মালা, এ হাস্নুহানা নেবে যে বালা — কাটিবে জীবন তার হাসি খেলি।। মোর এই বকুল মালা পরে যে আদর ক’রে বঁধু তার ব্যাকুল হয়ে ফিরিয়া আসে ঘরে। আমার এই পলাশ জবা রঙন ও কৃষ্ণচূড়া বিনোদ বেণীতে খোঁপায় পরে নববধূরা, শুনি মোর ফুলের বাণী সন্ধ্যারানী পরে গোধূলি রাঙা চেলি।।
রাগঃ
তালঃ
দুরন্ত বায়ু পূরবইয়াঁ বহে অধীর আনন্দে তরঙ্গে দুলে আজি নাইয়া রণ-তুরঙ্গ-ছন্দে।। অশান্ত অম্বর-মাঝে মৃদঙ্গ গুরুগুরু বাজে, আতঙ্কে থরথর অঙ্গ মন অনন্তে বন্দে।। ভূজঙ্গী দামিনীর দাহে দিগন্ত শিহরিয়া চাহে, বিষন্ন ভয়-ভীতা যামিনী খোঁজে সেতারা চন্দে।। মালঞ্চে এ কি ফুল-খেলা, আনন্দে ফোটে যূথী বেলা, কুরঙ্গী নাচে শিখী-সঙ্গে মাতি’ কদম্ব-গন্ধে।। একান্তে তরুণী তমালী অপাঙ্গে মাঝে আজি কালি, বনান্তে বাঁধা প’ল দেয়া কেয়া-বেণীর বন্ধে।। দিনান্তে বসি’ কবি একা পড়িস্ কি জলধারা-লেখা, হিয়ায় কি কাঁদে কুহু-কেকা আজি অশান্ত দ্বন্দ্বে।।
রাগঃ কাফি-সিন্ধু
তালঃ কাহার্বা

আজ ভারতের নব আগমনী জাগিয়া উঠেছে মহাশ্মশান জাগরণী গায় প্রভাতের পাখি ফুলে ফুলে হাসে গোরস্থান॥ ট’লেছে অটল হিমালয় আজি সাগরে শঙ্খ উঠিয়াছে বাজি’ হলাহল শেষে উঠেছে অমৃত বাঁচাইতে মৃত মানব-প্রাণ॥ আঁধারে ক’রেছে হানাহানি যারা আলোকে চিনেছে আত্মীয় তা’রা এক হয়ে গেছে খ্রিস্টান, শিখ, হিন্দু, পারসি, মুসলমান। এই তাপসীর চরণের তলে লভিয়াছে জ্ঞান শিক্ষা সকলে আবার আসিবে তারা দলে দলে করিতে পুণ্য-তীর্থ-স্নান॥
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা

(হায়) তুমি চ’লে যাবে দূরে লায়লী তব মজনু কাঁদিবে একা। বুঝি পাব না তোমায় জীবনে বুঝি এই নিয়তির লেখা।।
নাটিকা: ‘লায়লী-মজনু’
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ বৈতালিক

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan