
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

ও বাবা! তুর্কী-নাচন নাচিয়ে দিলে। (ওসে) কোন্ অভাগা অঙ্ক-লক্ষ্মী নাম দিল এই শঙ্খ-চিলে।। দিন রাত্তির অঙ্ক কষে পান্ হতে চুন কখন্ খসে, স্ত্রী ব’লে আন্নু ঘরে শাড়ি পরা কোন্ উকিলে।। প্রাণ-পাখি মোর খাঁচা-ছাড়া, (এই) ঝুল্তি বেণীর গুল্তি ঢিলে’ মাতঙ্গিনী মহিষিণী গুঁতিয়ে ফাটায় পেটের পিলে। যেমন বাঘ দেখে ছাগ ছুটেরে ভাই তেমনি কাছা খুলে পালিয়ে বেড়াই ওগো মাগো এসে রক্ষা কর হালুম-বাঘায় ফেল্ল গিলে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

প্রভু সংসারেরি সোনার শিকল বেঁধো না আর পায় তোমার প্রেম ডোরে ত্রিভুবন স্বামী বাঁধ হে আমায়॥ সারা জীবন বোঝা বয়ে, এসেছি আজ ক্লান্ত হয়ে জুড়াতে হে শান্তি দাতা তোমার শীতল ছায়॥ হে নাথ যতদিন শক্তি ছিল বোঝা বহিবার হাসি মুখে বয়েছি নাথ তোমার দেওয়া ভার। শেষ হল আজ ভবের খেলা, কি দান দেব যাবার বেলা তোমার নামের ভেলায় যেন এ দীন তরে যায়॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

চাঁপার কলির তুলিকায়, কাজল লেখায় শ্রীমতী শ্রীহরির ছবি আঁকে। রাই ছবি আঁকে পটে গো, যারে হেরে নিতি গোঠে যেতে যমুনার তটে গো, সে বংশী বাজায়ে মঞ্জির পায়ে নাচে ছায়া বটে গো, রাই ছবি আঁকে পটে গো। আঁকিয়া শ্যামের মূরতি আঁকিল না রাধা শ্রীচরণ , রাধা চরণ আঁকে না, তুলি তুলিয়া রাখে চরণ আঁকে না। তখন ললিতা বলে- ‘রাধা! রাধা! রাধা! তুই আঁকলি না কেন চরণ রাধা!’ ‘জীবন মরণ যে চরণে বাঁধা, আঁকলি না কেন চরণ রাধা — বিশ্বের ত্রাণ বৃন্দাবনের ধ্যানজ্ঞান ব্রজগোপী সাধা’ — ‘আঁকলি না কেন চরণ রাধা’ —! তখন রাধা কেঁদে বলে- ‘ওগো ললিতা — সখি আঁকিলে চরণ যাবে সে পালায়ে আমি হব পদদলিতা। পলায়ে যাবে গো মথুরায়, আবার পালায়ে যাবে গো — চির চপল সে মথুরায় আবার পালায়ে যাবে গো — থাক লুকানো হৃদয়ে শ্রীচরণ।’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

সৃজন-ভোরে প্রভু মোরে সৃজিলে গো প্রথম যবে, (তুমি) জান্তে আমার ললাট-লেখা, জীবন আমার কেমন হবে।। তোমারি সে নিদেশ প্রভু, যদিই গো পাপ করি কভু, নরক-ভীতি দেখাও তবু, এমন বিচার কেউ কি স’বে।। করুণাময় তুমি যদি দয়া কর দয়ার লাগি’ ভুলের তবে ‘আদমেরে’ করলে কেন স্বর্গ-ত্যাগী! ভক্তে বাঁচাও দয়া দানি’ সে ত গো তার পাওনা জানি’ পাপীরে লও বক্ষে টানি’ করুণাময় কইব তবে।।
রাগঃ সিন্ধু-কাফি
তালঃ কাওয়ালি
দিনগুলি মোর পদ্মেরই দল যায় ভেসে যায় কালের স্রোতে ওগো সুদূর ওগো বিধুর তোমার সাগর-তীর্থ -পথে।। বিফল দিনের কমলগুলি পড়লো ঝ'রে পাপড়ি খুলি' নিও প্রিয় তদের তুলি দিন শেষের ম্লান আলোতে।। সঞ্চিত মোর দিনগুলি হায় ছড়িয়ে গেল অযতনে; তোমার বরণ-মালা গাঁথা হলো না আর এ জীবনে। অন্য মনে কখন বেভুল ভাসিয়ে দিলাম দলি সে ফুল বঞ্চিত তাই হবে কি হায় তোমার চরণ-ছোওয়া হ'তে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

রিম্ ঝিম্ রিম্ঝিম্ ঝিম্ ঘন দেয়া বরষে। কাজরি নাচিয়া চল, পুর-নারী হরষে।। কদম তমাল ডালে দোলনা দোলে কুহু পাপিয়া ময়ূর বোলে, মনের বনের মুকুল খোলে নট-শ্যাম সুন্দর মেঘ পরশে।। হৃদয়-যমুনা আজ কূল জানে না গো, মনের রাধা আজ বাধা মানে না গো। ডাকিছে ঘর-ছাড়া ঝড়ের বাঁশি অশনি আঘাত হানে দুয়ারে আসি’, গরজাক গুরুজন ভবনবাসী — আমরা বাহিরে যাব ঘনশ্যাম দরশে।।
নাটকঃ ‘অর্জুন বিজয়’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ সুবর্ণা চৌধুরী

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan