
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

সুদূর সিন্ধুর ছন্দ উতল আমরা কলগীতি চঞ্চল॥ তুফান ঝঞ্ঝা কল্লোল ছলছল ঊর্ধ্বে আমি ঝড় বহি শন্শন্ মম বক্ষে তব মঞ্জির তোলে গো রণন্ আনন্দ চিত্তে মেতে উঠি নৃত্যে গুরু গুরু গুরু বাজে বাদল মাদল॥ তুমি গগন তলে উঠি মেঘের ছলে জল-বিম্বমালা বালা পরাও গলে। তুমি বাদল হাওয়ায় কর আদন যখন মোরে কান্না পাওয়ায়। ধুলি গৈরিক ঝড়ে সাগর নীলাম্বরী জড়াইয়া অপরূপ করে ঝলমল॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ওরে ও-চাঁদ! উদয় হ’লি কোন্ জোছনা দিতে! দেয় অনেক বেশি আলো আমার নবীর পেশানীতে।। ওরে রবি! আলোক দিস্ যত তুই দগ্ধ করিস্ তত আমার নবী স্নিগ্ধ শীতল কোটি চাঁদের মত, সে নাশ করেছে মনের আঁধার ঈষৎ হাসিতে।। ওরে আসমান! তুই সুনীল হলি জানি কেমন ক’রে আমার নবীর কালো চোখের একটুকু নীল হ’রে। ওরে তারা! তোরা জ্যোতি পেলি নবীজীর চাউনিতে।। ওরে বসরা গোলাব! অনেক বেশি খোশবু তোদের চেয়ে সেই ধূলিতে মোর নবীজী যেতেন যে পথ বেয়ে, সেই বারতা ফুলকে শোনায় বুল্বুলি সঙ্গীতে।।
রাগঃ
তালঃ
শত জনম আঁধারে আলোকে তারকা-গ্রহে লোকে লোকে প্রিয়তম! খুঁজিয়া ফিরেছি তোমারে।। স্বপন হয়ে রয়েছ নয়নে তপন হ’য়ে হৃদয়-গগনে, হেরিয়া তোমারে বিরহ-যমুনা, প্রিয়তম! দুলিয়া উঠে বারে বারে।। হে লীলা-কিশোর! ডেকেছে আমারে তোমার বাঁশি, যুগে যুগে তাই তীর্থ-পথিক ফিরি উদাসী। দেখা দাও, তবু ধরা নাহি দাও ভালোবাস ব’লে তাই কি কাঁদাও, তোমারি শুভ্র পূজার-পুষ্প প্রিয়তম! ফুটিয়া ওঠে অশ্রুধারে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

সাত ভাই চম্পা জাগো রে, ঐ পারুল তোদের ডাকে। ভাই আর কত ঘুমাবি সবুজ পাতা-ঘেরা শাখে।। কি যাদু করলি তোদের বিদেশী সৎ-মায়ে, রাজার দুলাল ঘুমিয়ে আছিস আঁধার কানন-ছায়ে, নিজেরা না জাগলে কবে মুক্ত করবি মা’কে।। তোদের বোন এনেছে জিয়ন-কাঠি প্রাণের পরশ-মণি, মায়া-নিদ্রা ভোলাতে ঐ গায় সে জাগরণী। গুবরে পোকায় মউ খেয়ে যায় তোদের ঐ মৌচাকে।। তোদের চাঁপা রঙে চাপা আছে অরুণ-কিরণ-রেখা; তোরা জাগবি রে যেই, অমনি পাবি দিনমণির দেখা, বোনের সাথে ভাই জাগিলে ভয় করি আর কা’কে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কার মঞ্জির রিনিঝিনি বাজে — চিনি চিনি। প্রাণের মাঝে সদা বাজে তারি রাগিণী।। বন-শিরিষের জিরিজিরি পাতায় ধীরি ধীরি ঝিরি ঝিরি নূপুর বাজায়, তমাল-ছায়ায় বেড়ায় ঘুরে মায়া-হরিণী।। আমার গানে তারি চরণের অনুরণনে ছন্দ জাগে গন্ধে রসে রূপে বরণে। কান পেতে রই দুয়ার পাশে — তারি আসার আভাস আসে, ঝঙ্কার তোলে মনের বীণায় বীণ-বাদিনী।।
রাগঃ সিন্ধুরা
তালঃ কাহার্বা

ও কে চলিছে বন-পথে একা নূপুর পায়ে রন ঝন ঝন। তারি চপল চরণ-আঘাতে দুলিছে নদী-দোলে ফুলবন।। ঝরে ঝর ঝর গিরি -নির্ঝর তার ছন্দ চুরি করে, 'এলো সুন্দর-এলো সুন্দর’ বাজে বনের মর্মরে। গায় পাখি মেলি আঁখি বলে,বন-দেবী এলো নাকি? মধুর রঙ্গে অঙ্গে-ভঙ্গে জাগে শিহরণ।। সন্ধ্যায় ঝিল্লির মঞ্জির হতার ঝির ঝির শির শির তোলে ঝঙ্কার। মধুভাষিণী সুচারু-হাসিনী সে মায়াহরিণী' — ফোটালো আঁধারে মরি মরি দুলিছে অলকে আঁখির পলকে দোলন-চাঁপার নাচের মতন।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan