Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

ইসলামের ঐ সওদা লয়ে এলো নবীন

বাণী

ইসলামের ঐ সওদা লয়ে এলো নবীন সওদাগর।
বদনসীব আয়, আয় গুনাহগার নূতন করে সওদা কর।।
জীবন ভ'রে করলি লোকসান আজ হিসাব তার খতিয়ে নে;
বিনিমূলে দেয় বিলিয়ে সে যে বেহেশতী নজর।।
কোরানের ঐ জাহাজ বোঝাই হীরা মুক্তা পান্নাতে,
লুটে নে রে, লুটে নে সব, ভরে তোল তোর শূন্য ঘর।
কেয়ামতের বাজারে ভাই মুনাফা যে চাও বহুৎ —
এই ব্যাপারীর হও খরিদ্দার লও রে ইহার সিল-মোহর।।
আরশ হতে পথ ভুলে এ এলো মদিনা শহর,
নামে মোবারক মোহাম্মদ — পুঁজি 'আল্লাহু আকবর'।।

তুমি সুন্দর হতে সুন্দর মম

বাণী

তুমি সুন্দর হতে সুন্দর মম মুগ্ধ মানস-মাঝে।।
ধ্যানে, জ্ঞানে, মম হিয়ার মাঝারে তোমারি মূরতি রাজে।।
	তোমারি বিহনে হৃদয় আঁধার
	তোমারি বিরহে বহে আঁখি-ধার,
আকাশে বাতাসে নিখিল ভুবনে বেদনার বাঁশি বাজে — 
পাব কি গো দেখা বারেকের তরে আমার জীবন-সাঁঝে।।

বৃন্দাবনী কুমকুম আবির রাগে

বাণী

বৃন্দাবনী কুমকুম আবির রাগে যেন মোর অন্তর বাহির রাঙ্গে।।
		রস-যমুনা যেন বহে
		কভু মধুর মিলনে কভু বিধুর বিরহে,
রস-তৃষাতুরা ব্রজ-নাগরী যেন গাগরিতে সেই রস মাগে।।
যেন মোর কুঞ্জ-দুয়ারে,
ভাব-বিলাসিনী শ্রীমতী আসে অভিসারে।
		যেন মোর নিবিড় ধ্যানে
		মুরলী-ধ্বনি শুনি কানে,
বিরহের বরষায় আশা-নীপ-শাখায় যেন ঝুলনের দোলা লাগে।।

সখি সাজায়ে রাখ্ লো পুষ্প-বাসর

বাণী

সখি		সাজায়ে রাখ্ লো পুষ্প-বাসর তেমনি করিয়া তোরা,
		কে জানে কখন্ আসিবে ফিরিয়া গোপিনীর মনোচোরা।
		(সে কি) ভুলিয়া থাকিতে পারে, তা’র চির-দাসী রাধিকারে,
		কত ঝড় ঝঞ্চায় বাদল-নিশীথে এসেছে সে অভিসারে।।
		মধু-বন হ’তে চেয়ে আন্ আধ-ফোটা বনফুল,
		পাপিয়ারে বল গান গাহিতে অনুকূল।
		চাঁপার কলিকা এনে নূপুর গেঁথে রাখ
		তেমনি তমাল-ডালে ঝুলনা বাঁধা থাক্।
		দেহের ডালায় রূপ-অঞ্জলি ধরিয়া
		রাস-মঞ্চে চল্ বেশ ভূষা করিয়া।
আখর	:	[বেঁধে রাখ্ লো — ঝুলনা তেমনি বেঁধে রাখ লো —
		তমাল-ডালে ঝুলনা তেমনি বেঁধে রাখ্ লো]
		সখি, যোগিনীর বেশ ছাড়িয়া আবার পরিব নীলাম্বরী,
		মথুরা ত্যজিয়া এ ব্রজে ফিরিয়া আসিবে কিশোর হরি।।
		হরি ফিরিয়া আসিবে, সময় পাবি না তোরা মুছিতে চোখের জল
		আনন্দে ভাসিবে, আনন্দ ব্রজধাম আনন্দে ভাসিবে।।
আখর	:	[ফিরে আসিবে — কিশোর নটবর ফিরে আসিবে —
		এই ব্রজে পদরজ দিতে ফিরে আসিবে আসিবে]
		আনন্দে ভাসিবে — নিরানন্দ ব্রজপুর আনন্দে ভাসিবে —
		এই নিরানন্দ ব্রজপুর হরিপদ-রজ লভি’ আনন্দে ভাসিবে।।

আঁধার ভীত এ চিত যাচে মা গো

বাণী

আঁধার ভীত এ চিত যাচে মা গো আলো আলো।
বিশ্ববিধাত্রী আলোকদাত্রী নিরাশ পরানে আশার সবিতা জ্বালো
				জ্বালো, আলো, আলো।।
	হারায়েছি পথ গভীর তিমিরে
	লহ হাতে ধ’রে প্রভাতের তীরে
পাপ তাপ মুছি’ কর মা গো শুচি, আশিস-অমৃত ঢালো।।
দশ প্রহরণধারিণী দুর্গতিহারিণী দুর্গে মা অগতির গতি
সিদ্ধি-বিধায়িনী দনুজ-দলনী বাহুতে দাও মা শকতি।
	তন্দ্রা ভুলিয়া যেন মোরা জাগি —
	এবার প্রবল মৃত্যুর লাগি’,
রুদ্র-দাহনে ক্ষুদ্রতা দহ’ বিনাশ গ্লানির কালো।।
১. প্রভু, ২. নাথ, ৩, পান্ডুলিপিতে এখানে দুটি পঙ্ক্তি বেশি আাছে
		অচেতন প্রাণে জাগরণ তৃষ্ণা আনো আনো
		জড়তার বুকে জীবন-পিপাসা দানো দানো।

নাচে তেওয়াড়ী চৌবেজী দৌবে পাঁড়ে

বাণী

নাচে তেওয়াড়ী চৌবেজী দৌবে পাঁড়ে
তালে তালে ভুঁড়ি নাড়ে (হাঁরে)।।
নাচে কাবলিওয়ালা আগা হেলায় দাড়ি
নাচে ইয়া গোঁফওয়ালা প’রে ঘাঘরি শাড়ি।
নাচে পান্ডাজী ধপাস্ ধপাস্
নাচে যুপী বুড়ি থপাস্  থপাস্
ফোঁপরা ঢেঁকিতে যেন চাল কাঁড়ে।।
নাচে তাড়তা হিড়িম্বে শূর্পণখা
নাচে উচ্চিংড়ে আরশোলা গুবরে পোকা
নাচে কিক্কড় কাল্লু গামা, নাচিছে ধুচুনি নাচিছে ধামা
নাচিছে ডুয়েট ঘটোৎকচ গোপাল ভাঁড়ে।।
নাচে নানা মিঞা হায় হায় ঘুরিয়ে লুঙ্গি
নাচে মাদ্রাজি উড়িয়া মগ বার্মিজ ফুঙ্গি
তাকিয়ার খোল পরে বল নাচে
সায়েবের সাথে মেম পাছে পাছে
ঘুরে ঘুরে যেন গরু ধান মাড়ে।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan