Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন

নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন

নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন

ওমা দুঃখ-অভাব-ঋণ যত মোর

বাণী

(ওমা)	দুঃখ-অভাব-ঋণ যত মোর (শ্যামা) রাখলাম তোর পায়ে।
(এবার)	তুই দিবি মা, ভক্তের তোর সকল ঋণ মিটায়ে।।
		মাগো		সমন হাতে মোর মহাজন
				ধরতে যদি আসে এখন,
		তোরই পায়ে পড়বে বাঁধন ছেলের ঋণের দায়ে।।
ওমা		সুদ আসলে এ সংসারের বেড়েই চলে দেনা,
এবার		ঋণ মুক্তির তুই নে মা ভার, রইব তোরই কেনা।
				আমি আমার আর নহি ত
		(আমি)	তোর পায়ে যে নিবেদিত,
এখন		তুই হয়েছিস্ জামিন আমার দে ওদের বুঝায়ে।।

আমার নয়নে কৃষ্ণ-নয়নতারা

বাণী

আমার নয়নে কৃষ্ণ-নয়নতারা হৃদয়ে মোর রাধা-প্যারী।
আমার প্রেম-প্রীতি-ভালোবাসা শ্যাম-সোহাগী গোপ-নারী।।
	আমার স্নেহে জাগে সদা
	পিতা নন্দ মা যশোদা,
ভক্তি আমার শ্রীদাম-সুদাম আঁখি-জল যমুনা-বারি।।
	আমার সুখের কদম-শাখায়
	কিশোর হরি বংশী বাজায়
আমার দুখের তমাল ছায়ায় — লুকিয়ে খেলে বন-বিহারী।।
মুক্ত আমার প্রাণের গোঠে চরায় ধেনু রাখাল-কিশোর,
আমার প্রিয়জনে নেয় সে হরি’, সেই ত ননী খায় ননী-চোর।
রাধা-কৃষ্ণ-কথা শুনায় — দেহ ও মন শুক-শারী।।

বন-কুন্তল এলায়ে বন শবরী ঝুরে

বাণী

বন-কুন্তল এলায়ে বন শবরী ঝুরে সকরুণ সুরে।
বিষাদিত ছায়া তার চৈতালী সন্ধ্যার চাঁদের মুকুরে।।
	চপলতা বিসরি যেন বন-যৌবন
	বিরহ-ক্ষীণ আজি উদাস উন্মন,
তোলে না ঝঙ্কার আর ঝরা পাতার মর্মর নূপুরে।।
যে কুহু কুহরিত মধুর পঞ্চমে বিভোর ভাবে,
ভগ্ন কণ্ঠে তার থেমে যায় সুর করুণ রেখাবে।
	কোন বন-শিকারীর অকরুণ তীর
	আলো হ’রে নিল ওই উজল আঁখির —
ফেলে যাওয়া বাঁশি তা’র অঞ্চলে লুকায়ে —
	গিরি–দরি–প্রান্তরে খোঁজে সে নিঠুরে।।

বিরহী বেণুকা যেন বাজে সখি ছায়ানটে

বাণী

বিরহী বেণুকা যেন বাজে সখি ছায়ানটে।
উথলি’ উঠিল বারি শীর্ণা যমুনাতটে।।
	নীরব কুঞ্জে কুহু
	গেয়ে ওঠে মুহু মুহু,
আঁধার মধু বনে বকুল চম্পা ফোটে।।
সহসা সরস হল বিরস বৃন্দাবন,
চন্দ্রা যামিনী হাসে খুলি মেঘ-গুণ্ঠন।
	সে এলো, তারে নিরখি’
	পরান কি রবে সখি,
আবেশে অঙ্গ মম থরথর কেঁপে ওঠে।।

নব কিশলয়-রাঙা শয্যা পাতিয়া

বাণী

নব কিশলয়-রাঙা শয্যা পাতিয়া
বালিকা-কুঁড়ির মালিকা গাঁথিয়া
আমি একেলা জাগি রজনী
বঁধু,এলো না তো কই সৃজনী,
বিজনে বসিয়া রচিলাম বৃথা
বনফুল দিয়া ব্যজনী।
কৃষ্ণচূড়ার কলিকা অফুট
আমি তুলি আনিবৃথা রচিনু মুকুট,
মোর হৃদয়ের রাজা এলো না,
মোর হৃদি-সিংহাসন শূন্য রহিল
আমি যাহার লাগিয়া বাসর সাজাই
সে ভাবে মিছে এ খেলনা (সখি)।
সে-যে জীবন লইয়া খেলা করে সখি,
আমি মরণের তীরে ব'সে তা'রে ডাকি
হেসে যায় বঁধু আনঘরে
সে-যে জীবন লইয়া খেলা করে।
সে-যে পাষাণের মুরতি বৃথা পূজা-আরতি
	নিবেদন করি তার পায়:
সাধে কি গো বলে সবে পাষাণ গলেছে কবে?
	তবু মন পাষাণেই ধায় (সখি রে)।
আমি এবার মরিয়া পুরুষ হইব,বঁধু হবে কুলবালা
দিয়ে তারে ব্যথা যাব যথাতথা বুঝিবে সেদিন কালা,
বিরহিণীর কি যে জ্বালা তখনি বুঝিবে কালা।
দিয়ে তারে ব্যথা যাব যথাতথা বুঝিবে সেদিন কালা।।

তব যাবার বেলা ব’লে যাও

বাণী

তব যাবার বেলা ব’লে যাও মনের কথা।
কেন কহিতে এসে চলে যাও চাপিয়া ব্যথা।।
কেন এনেছিলে ফুল আঁচলে দিতে কাহারে,
কেন মলিন ধূলায় ছড়ালে সে ফুল অযথা।।
পরি’ খয়েরী শাড়ি আসিলে সাঁঝের আঁধারে,
ওকি ভুল সবই ভুল, নয়নের ও-বিহ্বলতা।।
তুমি পুতুল ল’য়ে খেলেছ বালিকা-বেলা,
বুঝি আমারে ল’য়ে তেমনি খেলিলে খেলা।
তব নয়নের জল সে কি ছল, জানাইয়া যাও,
এই ভুল ভেঙ্গে দাও সহে না এ নীরবতা।।

১. পিলু-সিন্ধু — কাহার্‌বা ২. যাও

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan