
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

তুমি সুখে থাক প্রিয়া আমি আজ চ’লে যাই। তোমারে চাহিয়া জনমে জনমে এই ব্যথা যেন পাই।। দুদিনের সাথী দু’দিনের লাগি’ এসেছিনু আমি তব অনুরাগী, হৃদয় বাণীতে চেয়েছিনু শুধু আর কিছু চাহি নাই।। আকাশে তব দিয়ে গেনু ফুল কণ্ঠে গানের মালা, হয়তো একদা অন্তরে তব জাগিবে স্মৃতির জ্বালা। হয়তো বা তব নয়নের কোণে নতুনের ছায়া জাগিবে গোপনে, স্মৃতিটি আমার মুছে যাবে জানি তবু কিছু ক্ষতি নাই — এই ব্যথা যেন পাই।।
রাগঃ
তালঃ
এসো এসো এসো ওগো মরণ! এই মরণ-ভীতু মানুষ-মেষের ভয় কর গো হরণ।। না বেরিয়েই পথে যা’রা পথের ভয়ে ঘরে বন্ধ-করা অন্ধকারে মরার আগেই মরে, তাতা থৈ থৈ তাতা থৈ থৈ তাদের বুকের ’পরে — ভীম রুদ্রতালে নাচুক তোমার ভাঙন-ভরা চরণ।। দীপক রাগে বাজাও জীবন-বাঁশি মড়ার মুখেও আগুন উঠুক হাসি’। কাঁধে পিঠে কাঁদে যথা শিকল জুতোর ছাপ নাই সেখানে মানুষ সেথা বাঁচাও মহাপাপ, সে দেশের বুকে শ্মাশান মশান জ্বালুক তোমার শাপ, সেথা জাগুক নবীন সৃষ্টি অবার হোক নব নাম-করণ।। হাতের তোমার দণ্ড উঠুক কেঁপে’, এবার দাসের ভুবন ভবন ব্যেপে’। মেষগুলোকে শেষ ক’রে দেশ-চিতার বুকে নাচো! শব ক’রে আজ শয়ন, হে শিব, জানাও তুমি আছ। মরায় ভরা ধরায়, মরণ! তুমিই শুধু বাঁচো — এই শেষের মাঝেই অশেষ তুমি, করছি তোমায় বরণ।। জ্ঞান-বুড়ো ঐ বলছে জীবন মায়া, নাশ কর ঐ ভীরুর কায়া ছায়া! মুক্তি-দাতা মরণ! এসো কাল-বোশেখীর বেশে; মরার আগেই মরলো যারা, নাও তাদেরে এসে। জীবন তুমি সৃষ্টি তুমি জরা-মরার দেশে, তাই শিকল বিকল মাগ্ছে তোমার মরণ-হরণ-শরণ।।
‘মরণ-বরণ’
রাগঃ বিলাবল মিশ্র
তালঃ তেওড়া

চম্’কে চম্’কে ধীর ভীরু পায়, পল্লী–বালিকা বন–পথে যায় একেলা বন–পথে যায়।। শাড়ি তার কাঁটা লতায়, জড়িয়ে জড়িয়ে যায়, পাগল হাওয়াতে অঞ্চল ল’য়ে মাতে — যেন তার তনুর পরশ চায়।। শিরীষের পাতায় নূপুর, বাজে তার ঝুমুর ঝুমুর, কুসুম ঝরিয়া মরিতে চাহে তার কবরীতে, পাখী গায় পাতার ঝরোকায়।। চাহি’ তা’র নীল নয়নে, হরিণী লুকায় বনে, হাতে তা’র কাঁকন হ’তে মাধবী লতা কাঁদে, ভ্রমরা কুন্তলে লুকায়।।
আরবি সুর
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুরাধা পোড়োয়াল

পুরুষ : (বেয়ান, বলি ও বেয়ান ঠাকরুন) বেয়ান তোমার আলু চেরা চোখে আমি মরে আছি স্ত্রী : বেয়াই আমি তাইতো তোমার গোদা পায়ে শরণ যাচি। ও তোমার গোদা পায়ে শরণ যাচি। পুরুষ : (বলি ও বয়ান তোমার) দাঁতে ছাতা গালে ছুলি গলায় পেটে কোলাকুলি আমি দেখেই ছুটি কাছা খুলি (আমি) দেখেই ছুটি ও আমার কাছা খুলে গো দেখেই ছুটি হরিবোল বোলে রে দেখেই ছুটি ও হরিবোল বোলে রে আমি কাছা খুলে বাহু তুলে দেখেই ছুটি। স্ত্রী : (বলি ও বেয়াই, ও কাছা তো নয়) এ যে লেজুড়েরি কাছাকাছি। পুরুষ : (বলি ও বেয়ান ঠাকরুন তোমার) ফোকলা দাঁতে প্রেমের বুলি শুনেই কাঁধে নিলেম ঝুলি। স্ত্রী : (বুঝি গৌর নামের ঝুলি, বলি ও বেয়াই উঁ) বেয়াই নিয়ে এবার যাবে রাঁচি যাবে রাঁচি গৌর হে ওহে গৌর (যাবে রাঁচি) কাছা খুলে বাহু তুলে যাবে রাঁচি (তুমি)। পুরুষ : (বলি ও বেয়ান) ভাগলপুরি বিবির মতন নাদুস নুদুস কি সে গঠন স্ত্রী : (বলি ও হামদো বুড়ো) তুমি মাম্দো ভূত যে চামড়া খেকো ও আমায় করতে এলে আমড়া গাছি।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
তোমার সৃষ্টি মাঝে হরি হেরিতে যে নিতি পাই তোমায়। তোমার রূপের আবছায়া ভাসে গগনে, সাগরে, তরুলতায়॥ চন্দ্রে তোমার মধুর হাসি, সূর্যে তোমার জ্যোতি প্রকাশ; করুণা সিন্ধু তব আভাস বারি-বিন্দুতে হিমকণায়॥ ফোটা ফুলে হরি, তোমার তনুর গোপী-চন্দন গন্ধ পাই, হাওয়ায় তোমার স্নেহের পরশ অন্নে তোমার প্রসাদ খাই। রাসবিহারী তোমার রূপ গোলে, দুঃখ শোকের হিন্দোলে, তুমি, ঠাঁই দাও যবে ধর কোলে মোর বন্ধু স্বজন কেঁদে ভাসায়॥
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা

মালা গাঁথা শেষ না হ’তে তুমি এলে ঘরে। শূন্য হাতে তোমায় বরণ করব কেমন ক’রে।। লজ্জা পাবার অবসর মোর দিলে না হে চঞ্চল, চোর সজ্জা-বিহীন মলিন তনু দেখলে নয়ন ভ’রে।। বিফল মালার ফুলগুলি হায় কোথায় এখন রাখি, ক্ষণিক দাঁড়াও, ঐ কুসুমে (তোমার) চরণ দু’টি ঢাকি। আকুল কেশে পা মুছিয়ে করব বাতাস আঁচল দিয়ে, (মোর) নয়ন হবে আরতি-দীপ তোমার পূজার তরে।।
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan