
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

শোক দিয়েছ তুমি হে নাথ তুমি এ প্রাণে শান্তি দাও। দুখ্ দিয়ে কাঁদালে যদি তুমি হে নাথ সে দুখ ভোলাও।। যে হাত দিয়ে হানলে আঘাত তুমিঅশ্রু মোছাও সেই হাতে নাথ বুকের মানিক হ’রলে যা’র — তারে তোমার শীতল বক্ষে নাও।। তোমার যে চরণ প্রলয় ঘটায় সেই চরণ কমল ফোটায় শূন্য করলে তুমি যে বুক সেথা তুমি এসে বুক জুড়াও।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

কেঁদে যায় দখিন-হাওয়া ফিরে ফুল-বনের গলি। ‘ফিরে যাও চপল পথিক’, দু’লে কয় কুসুম-কলি। দু’লে কয় কুসুম-কলি॥ ফেলিছে সমীর দীরঘ শ্বাস — আসিবে না আর এ মধুমাস, কহে ফুল, ‘জনম জনম এমনি গিয়াছ ছলি’। জনম জনম গিয়াছ ছলি’॥ কাঁদে বায়, ‘নিদাঘ আসে আমি যাই সুদূর বাসে’, ফুটে ফুল হাসিয়া ভাসে, ‘প্রিয়তম যেয়োনা চলি’। ওগো প্রিয়তম যেয়োনা চলি’॥
রাগঃ সিন্ধু-ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
১। চন্দ্রবিন্দুঃ সিন্ধু-কাফি, ঠুমরী
২। বনগীতিঃ সিন্ধু-ভৈরবী, তালঃ কাহার্বা

ভাই হয়ে ভাই চিনবি আবার গাইব কি আর এমন গান! সেদিন দুয়ার ভেঙে আসবে জোয়ার মরা গাঙে ডাকবে বান।। তোরা স্বার্থ-পিশাচ যেমন কুকুর তেমনি মুগুর পাস রে মান। সেই কলজে চুঁয়ে গলছে রক্ত দলছে পায়ে ডলছে কান।। ওরে তোরা করিস লাঠালাঠি সিন্ধু-ডাকাত লুটছে ধান! তাই গোবর-গাদা মাথায় তোদের কাঁঠাল ভেঙে খায় শেয়ান।। ছিলি সিংহ ব্যাঘ্র, হিংসা-যুদ্ধে আজকে এমন ক্ষিন্ন প্রাণ। মুখের গ্রাস ঐ গিলছে শেয়াল, তোমরা শুয়ে নিচ্ছ ঘ্রাণ।। তোরা বাঁদর ডেকে মানলি সালিশ ভাইকে দিতে ফাটলো প্রাণ! সালিশ নিজেই, ‘খা ডালা সব’, বোকা তোদের এই দেখান।। তোরা নাক কেটে নিজ পরের যাত্রা ভঙ্গ করিস বুদ্ধিমান তোদের কে যে ভালো কে যে মন্দ সব শিয়ালই এক সমান।। শুনি আপন ভিটের কুকুর রাজা, তার চেয়েও হীন তোদের প্রাণ। তাই তোদের দেশ এই হিন্দুস্থানে নাই তোদেরই বিন্দু স্থান।। আজ সাধে ভারত-বিধাতা কি চোখ বেঁধে ঐ মুখ লুকান! তোরা বিশ্বে যে তার রাখিসনে ঠাঁই কানা গরুর ভীন বাথান।। তোরা করলি কেবল অহরহ নীচ কলহের পরল পান। আজ বুঝলি নে হায় নাড়ি-ছেড়া মায়ের পেটের ভায়ের টান।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

ওর নিশীথ-সমাধি ভাঙিও না। মরা ফুলের সাথে ঝরিল যে ধূলি-পথে — সে আর জাগিবে না, তারে ডাকিও না।। তাপসিনী-সম তোমারি ধ্যানে সে চেয়েছিল তব পথের পানে, জীবনে যাহার মুছিলে না আঁখি ধার আজি তাহার পাশে কাঁদিও না।। মরণের কোলে সে গভীর শান্তিতে পড়েছে ঘুমায়ে, তোমারি তরে গাঁথা শুকানো মালিকা বক্ষে জড়ায়ে যে মরিয়া জুড়ায়েছে, ঘুমাইতে দাও তারে জাগিও না।।
রাগঃ দরবারী কানাড়া
তালঃ ত্রিতাল

লাল নটের ক্ষেতে, লাল টুকটুকে বৌ যায় গো। তার আলতা পায়ের চিহ্ন এঁকে নালতা শাকের গায় গো।। লাল নটের ক্ষেতে মৌমাছি ওঠে মেতে তার রূপের আঁচে পায়ের তলার মাটি ওঠে তেতে। লাল পুঁইয়ের লতা নুয়ে পড়ে জড়িয়ে ধরে পায় গো।। কাঁকাল বাঁকা রাখাল ছোঁড়া আগলে দাঁড়ায় আ’ল — রাঙা বৌ-এর চোখে লাগে লাল লঙ্কার ঝাল। বৌ-এর ঘেমে ওঠে গা, লাজে সরে না পা সে মুখ ফিরিয়ে শাড়ির আঁচল আঙুলে জড়ায় গো।।
রাগঃ
তালঃ

ফাগুন-রাতের ফুলের নেশায় আগুন জ্বালায় জ্বলিতে আসে। যে-দীপশিখায় পুড়িয়া মরে পতঙ্গ ঘোরে তাহারি পাশে।। অথই দুখের পাথার-জলে, সুখের রাঙা কমল দোলে কূলের পথিক হারায় দিশা দিবস নিশা তাহারি বাসে।। সুখের আশায় মেশায় ওরা বুকের সুধায় চোখের সলিল মণির মোহে জীবন-দহে বিষের ফণির গরল-শ্বাসে। বুকের পিয়ায় পেয়ে হিয়ায় কাঁদে পথের পিয়া লাগি’ নিতুই নূতন স্বর্গ মাগি’ নিতুই নয়ন জলে ভাসে।।
রাগঃ পিলু
তালঃ ফের্তা
স্বরলিপিকার: কাজী নজরুল ইসলাম

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan