


ছাড় ছাড় আঁচল, বঁধু, যেতে দাও। বনমালী, এমনি ক’রে মন ভোলাও।। একা পথে দুপুর বেলা, নিরদয়, একি খেলা। তুমি এমনি করে মায়া-জাল বিছাও।। পথে দিয়ে বাধা, একি প্রেম সাধা, আমি নহি তো রাধা, বঁধু, ফিরে যাও।। হে নিখিল নর-নারী, তোমার প্রেম-ভিখারি লীলা বুঝিতে নারি তব শ্যাম রাও।।
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা

বিদায় বেলায় করুণ সুরে গাইছ কেন গান। সুরের সাথে হল আকুল পাষাণ পরান।। আজকে ব্যথায় উঠল ভ’রে মালার কুসুম পড়ল ঝ’রে, পরান আমার কেমন করে নেবে তব দান।। বৃথায় ফুলে সাজাও মোরে ভাসাও যত নয়ন লোরে, প্রাণের ঠাকুর ডাকেন মোরে কাঁদে মম প্রাণ।।
রাগঃ জৌনপুরী মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

তুমি আমার সকাল বেলার সুর হৃদয় অলস–উদাস–করা অশ্রু ভারাতুর।। ভোরের তারার মত তোমার সজল চাওয়ায়, ভালোবাসার চেয়ে সে যে কান্না পাওয়ায় রাত্রি–শেষের চাঁদ তুমি গো বিদায়–বিধুর।। তুমি আমার ভোরের ঝরা ফুল শিশির–নাওয়া শুভ্র–শুচি পূজারিণীর তুল। অরুণ তুমি, তরুণ তুমি, করুণ তারো চেয়ে হাসির দেশে তুমি যেন বিষাদ–লোকের মেয়ে তুমিইন্দ্র–সভার মৌন–বীণা নীরব নূপুর।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ ইন্দ্রাণী সেন

ঝুম্কো লতায় জোনাকি, মাঝে মাঝে বৃষ্টি। আবোল-তাবোল বকে কে, তারও চেয়ে মিষ্টি।। আকাশে সব ফ্যাকাশে, ডালিম-দানা পাকেনি চাঁদ ওঠেনি কোলে তার, মা ব’লে সে ডাকেনি।। রাগ করেছে বাঘিনী, বারো বছর হাসে না স্বপ্ন তাহার ভেঙ্গে যায়, খোকা কেন আসে না।। পাথর হয়ে আছে ঝিনুক, দুধের বাটি, দোলনা! মাকে বলে ‘খোকা কই?’ কিছুই খেলা হ’ল না।। তেমনি আছে ঘরের জিনিস, কিছুই ভাল লাগে না পা আছড়ে মা কেঁদে কয় ‘খোকা কেন ভাঙে না!’
চলচ্চিত্র : ‘দিকশূল’
রাগঃ
তালঃ
নিরন্ধ্র মেঘে মেঘে অন্ধ গগন। অশান্ত-ধারে জল ঝরে অবিরল, ধরণী ভীত-মগন॥ ঝঞ্ঝার ঝল্লরী বাজে ঝনন্ননন দীর্ঘশ্বসি’ কাঁদে অরণ্য শনশন, প্রলয় বিষাণ বাজে বজ্রে ঘনঘন — মূর্ছিত মহাকাল-চরণে মরণ॥ শুধিবে না কেহ কি গো এই পীড়নের ঋণ, দুঃখ-নিশি-শেষে আসিবে না শুভদিন। দুষ্কৃতি বিনাশায় যুগ-যুগ-সম্ভব অধর্ম নিধনে এসো অবতার নব, ‘আবিরাবির্ম এধি’ ঐ ওঠে রব — জাগৃহি ভগবন্, জাগৃহি ভগবন্॥
রাগঃ মল্লার
তালঃ কাওয়ালি
খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা। কাঁদিও না, কাঁদিও না — তব তরে রেখে গেনু প্রেম-আনন্দ মেলা।। খেলো খেলো তুমি আজো বেলা আছে খেলা শেষ হলে এসো মোর কাছে, প্রেম-যমুনার তীরে ব’সে রব লইয়া শূন্য ভেলা।। যাহারা আমার বিচার করেছে — ভুল করিয়াছে জানি, তাহাদের তরে রেখে গেনু মোর বিদায়ের গানখানি। হই কলঙ্কী, হোক মোর ভুল বালুকার বুকে ফুটায়েছি ফুল, তুমিও ভুলিতে নারিবে সে-কথা — হানো যত অবহেলা।।
পাঠান্তর
খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা। কাঁদিও না, কাঁদিও না — তব তরে রেখে গেনু প্রেম-আনন্দ মেলা।। খেলো খেলো তুমি আজো বেলা আছে খেলা শেষ হলে এসো মোর কাছে, প্রেম-যমুনার তীরে ব’সে রব লইয়া শূন্য ভেলা।। যাহারা আমার বিচার করেছে আর তাহাদের কেহ, দেখিতে পাবে না কলঙ্ক কালিমাখা মোর এই দেহ। হই কলঙ্কী, হোক মোর ভুল পৃথিবীতে আমি এনেছি গোকুল, তুমিও ভুলিতে নারিবে সে-কথা — হানো যত অবহেলা।।
[গানটি ১৯৬৫ সালে জগন্ময় মিত্রের কণ্ঠে রেকর্ডের সময় প্রশিক্ষক কমল দাশগুপ্ত বাণীর কিছু পরিবর্তন করেছিলেন।
যথা: ১. খেলা শেষ হলে যেয়ো, যেয়ো মোর কাছে, ২. হোক অপরাধ হোক মোর ভুল]
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan