
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

রুম্ ঝুম্ রুম ঝুম্ কে বাজায় জল-ঝুম্ঝুমি। চমকিয়া জাগে ঘুমন্ত বনভূমি ॥ দুরন্ত অরণ্যা গিরি- নির্ঝরিণী রঙ্গে সঙ্গে ল’য়ে বনের হরিণী, শাখায় শাখায় ঘুম ভাঙায় ভীরু মুকুলের কপোল চুমি’ ॥ কুহু-কুহু কুহরে পাহাড়ি কুহু পিয়াল-ডালে, পল্লব-বীণা বাজায় ঝিরিঝিরি সমীরণ তা’রি তালে তালে। সেই জল-ছলছল সুরে জাগিয়া সাড়া দেয় বন-পারে বাঁশি রাখালিয়া১’, পল্লীর প্রান্তর ওঠে শিহরি’ বলে — ‘চঞ্চলা কে গো তুমি’ ॥
১. ‘বউ কথা কও কোকিল পাপিয়া’ পঙক্তিটি অতিরিক্ত আছে।
রাগঃ নির্ঝরিণী (নজরুল-সৃষ্ট)
তালঃ ত্রিতাল

নদী এই মিনতি তোমার কাছে। ভাসিয়ে নিয়ে যাও আমারে যে দেশে মোর বন্ধু আছে।। নদী, তোমার জলের পথ ধ’রে সে চ’লে গেল একা, আমি সেই হ’তে তার পথ চেয়ে রই, পেলাম না আর দেখা, ধূলার এ পথ নয় সে বন্ধু থাকবে চরণ-রেখা। আমি মীন হয়ে রহিব জলে, ছুট্ব ঢেউ-এর পাছে।। আমি ডুবে যদি মরি, তোমার নয় সে অপরাধ, কুলে থেকে পাইনে খুঁজে, তাই জেগেছে সাধ। আমি দেখ্ব ডু’বে তোমার জলে আছে কি মোর চাঁদ, বড় জ্বালা বুকে রে নদী টেনে লহ কাছে নদী, অভাগা এই যাচে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

স্বপনে দেখেছি ভারত-জননী তুই যেন রাজরাজেশ্বরী। নবীন ভারত! নবীন ভারত! স্তব-গান ওঠে ভুবন ভরি’।। শস্যে ফসলে ডেকেছে মা বান মাঠে ও খামারে ধরে নাকো ধান মুখভরা হাসি, হসিভরা প্রাণ নদী ভরা যেন পণ্যতরী।। পড়ুয়ারা পড়ে বকুল-ছায়ে সুস্থ সবল আদুল গায়ে মেয়েরা ফিরিছে মুক্ত বায়ে কল-গীতে দিক মুখর করি’। ভুলিয়া ঈর্ষা ভোগ আসক্তি ধরার ক্লান্ত অসুর-শক্তি এসেছে শিখিতে প্রেম ও ভক্তি নব-ভারতের চরণ ধরি’।।
রাগঃ পাহাড়ি
তালঃ একতাল

আধখানা চাঁদ হাসিছে আকাশে আধখানা চাঁদ নিচে প্রিয়া তব মুখে ঝলকিছে গগনে জ্বলিছে অগণন তারা দু’টি তারা ধরণীতে প্রিয়া তব চোখে চমকিছে।। তড়িৎ-লতার ছিঁড়িয়া আধেকখানি জড়িত তোমার জরীণ ফিতায় রানী! অঝোরে ঝরিছে নীল নভে বারি দুইটি বিন্দু তারি প্রিয়া তব আঁখি বরষিছে।। মধুর কণ্ঠে বিহগ বিলাপ গাহে, গান ভুলি’ তা’রা তব অঙ্গনে চাহে, তাহারও অধিক সুমধুর সুর তব চুড়ি কঙ্কনে ঝনকিছে।।
রাগঃ বেহাগ মিশ্র
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ জগন্ময় মিত্র

লায়লী তোমার এসেছে ফিরিয়া মজনুঁ গো আঁখি খোলো। প্রিয়তম! এতদিনে বিরহের নিশি বুঝি ভোর হলো।। মজনুঁ! তোমার কাঁদন শুনিয়া মরু–নদী পর্বতে বন্দিনী আজ ভেঙেছে পিঞ্জর বাহির হয়েছে পথে। আজিদখিনা বাতাস বহে অনুকূল, ফুটেছে গোলাপ নার্গিস ফুল, ওগো বুলবুল, ফুটন্ত সেই গুলবাগিচায় দোলো।। বনের হরিণ–হরিণী কাঁদিয়া পথ দেখায়েছে মোরে, হুরী ও পরীরা ঝুরিয়া ঝুরিয়া চাঁদের প্রদীপ ধ’রে। আমার নয়নে নয়ন রাখিয়া কি বলিতে চাও, হে পরান–পিয়া! নাম ধ’রে ডাকো ডাকো মোরে স্বামী ভোলো অভিমান ভোলো।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ ফেরদৌসি রহমান

অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন ভালোবাস্তে গো। পথ ছিল গো চলার, যদি দু’দিন আগে আস্তে গো।। আজিকে মহাসাগর–স্রোতে, চলেছি দূর পারের পথে ঝরা–পাতা হারায় যথা, সেই আঁধারে ভাস্তে গো।। গহন রাতি ডাকে আমায় এলে তুমি আজ্কে কাঁদিয়ে গেলে হায় গো আমার বিদায়–বেলার সাঁঝ্কে। আস্তে যদি হে অতিথি ছিল যখন শুক্লা তিথি ফুটত চাঁপা, সেদিন যদি চৈতালী–চাঁদ হাস্তে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan