Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

ভারতলক্ষ্মী মা আয় ফিরে এ ভারতে

বাণী

ভারতলক্ষ্মী মা আয় ফিরে এ ভারতে
ব্যথায় মোদের চরণ ফেলে অরুণ আশার সোনার রথে॥
অশ্রু গঙ্গার জলে ধুই মা তোর চরণ নিতি
ত্রিশ কোটি কণ্ঠে বাজে রোদনে তোর বোধনগীতি
আয় মা দলিত রাঙা হৃদয় বিছানো পথে॥
বিজয়া তোর হ’ল কবে শতাব্দী চলিয়া যায়
ভারত-বিজয়-লক্ষ্মী ভারতে ফিরিয়া আয়
বিসর্জনের কান্না মা এবার তুই এসে থামা
সফল কর এ তপস্যা মা স্থান দে স্বাধীন জগতে॥

ভুলিতে পারিনে তাই আসিয়াছি পথ ভুলি

বাণী

ভুলিতে পারিনে তাই আসিয়াছি পথ ভুলি’।
ভোল মোর সে অপরাধ, আজি যে লগ্ন গোধূলি।।
এমনি রঙিন বেলায় খেলেছি তোমায় আমায়,
খুঁজিতে এসেছি তাই সেই পুরানো দিনগুলি।।
তুমি যে গেছ ভুলে – ছিল না আমার মনে,
তাই আসিয়াছি তব বেড়া–দেওয়া ফুলবনে।
গেঁথেছি কতই মালা এই বাগানের ফুল তুলি’—
আজও সেথা গাহে গান আমার পোষা বুলবুলি।।

ভক্তি ভরে পড় রে তোরা কলমা শাহাদাত

বাণী

ভক্তি ভরে পড় রে তোরা কলমা শাহাদাত।
আরশ হতে আনলেন নবী বেহেশ্‌তী দাওয়াত
			এই কল্‌মা শাহাদাত।।
পাপে তাপে আছিস্‌ ডুবে একবার বল ভুলে
কলমা শাহাদাতের বাণী, অমনি উঠবি কূলে,
নিভবে দোজখের আগুন পাবি শাফায়ত।।
‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’-র তাবিজ বেঁধে হাতে
চল রে পথে দেখবি — আছেন নবীজী তোর সাথে,
(তোর) ইহলোকের পরলোকের মিটবে রে হসরত্।।

ভেসে যায় হৃদয় আমার মদিনা পানে

বাণী

ভেসে যায় হৃদয় আমার মদিনা পানে।
আসিলেন রসুলে-খোদা প্রথম যেখানে।।
উঠিল যেখানে রণি’, প্রথম তকবির ধ্বনি
লভিনু মণির খনি যথায় কোরানে।।
যথা হেরা গুহার আঁধারে প্রথম
ইসলামের জ্যোতি লভিল জনম,
করে অঝোর ধারায় যথা খোদার রহম,
ভাসিল নিখিল ভুবন যাহার তুফানে।।
লাখো আম্বিয়া আউলিয়া বাদশা ফকির
যথা যুগে যুগে আসি’করিল ভিড়
তারি ধূলাতে লুটাবো আমি নোয়া’ব শির;
নিশিদিন শুনি তাঁরি ডাক আমার পরানে।।

ভাই হয়ে ভাই চিনবি আবার গাইব কি আর

বাণী

		ভাই হয়ে ভাই চিনবি আবার গাইব কি আর এমন গান!
সেদিন	দুয়ার ভেঙে আসবে জোয়ার মরা গাঙে ডাকবে বান।।
তোরা		স্বার্থ-পিশাচ যেমন কুকুর তেমনি মুগুর পাস রে মান।
সেই		কলজে চুঁয়ে গলছে রক্ত দলছে পায়ে ডলছে কান।।
ওরে		তোরা করিস লাঠালাঠি সিন্ধু-ডাকাত লুটছে ধান!
তাই		গোবর-গাদা মাথায় তোদের কাঁঠাল ভেঙে খায় শেয়ান।।
ছিলি		সিংহ ব্যাঘ্র, হিংসা-যুদ্ধে আজকে এমন ক্ষিন্ন প্রাণ।
মুখের		গ্রাস ঐ গিলছে শেয়াল, তোমরা শুয়ে নিচ্ছ ঘ্রাণ।।
তোরা		বাঁদর ডেকে মানলি সালিশ ভাইকে দিতে ফাটলো প্রাণ!
সালিশ	নিজেই, ‘খা ডালা সব’, বোকা তোদের এই দেখান।।
তোরা		নাক কেটে নিজ পরের যাত্রা ভঙ্গ করিস বুদ্ধিমান
তোদের	কে যে ভালো কে যে মন্দ সব শিয়ালই এক সমান।।
শুনি		আপন ভিটের কুকুর রাজা, তার চেয়েও হীন তোদের প্রাণ।
তাই		তোদের দেশ এই হিন্দুস্থানে নাই তোদেরই বিন্দু স্থান।।
আজ		সাধে ভারত-বিধাতা কি চোখ বেঁধে ঐ মুখ লুকান!
তোরা		বিশ্বে যে তার রাখিসনে ঠাঁই কানা গরুর ভীন বাথান।।
তোরা		করলি কেবল অহরহ নীচ কলহের পরল পান।
আজ		বুঝলি নে হায় নাড়ি-ছেড়া মায়ের পেটের ভায়ের টান।।

ভোরের হাওয়া এলে

বাণী

ভোরের হাওয়া এলে ঘুম ভাঙাতে কি
		চুম হেনে নয়ন-পাতে।
ঝিরি ঝিরি ধীরি ধীরি কুণ্ঠিত ভাষা
		গুণ্ঠিতারে শুনাতে॥
হিম-শিশিরে মাজি’ তনুখানি
ফুল-অঞ্জলি আন ভরি’ দুই পাণি,
ফুলে ফুলে ধরা যেন ভরা ফুলদানি
		বিশ্ব-সুষমা সভাতে॥

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan