বাণী

	ভোরে স্বপনে কে তুমি দিয়ে দেখা, লুকালে সহসা
মোর	তপনের রাঙা কিরণ যেন ঘিরিল তমসা।।
	না ফুটিতে মোর কথার কুড়িঁ
	চপল বুলবুলি গেলে উড়ি'
গেলে	ভাসিয়া ভোরের সুর যেন বিষাদ অলসা।।
	জেগে দেখি হায়, ঝরা ফুলে আছে ছেয়ে তোমার পথতল,
	ওগো অতিথি, কাদিছেঁ বনভূমি ছড়ায়ে ফুল দল!
	মুখর আমার গানের পাখি
	নীরব হলো হায় বারেক ডাকি'
যেন	ফাগুনের জোছনা-বর্ষিত রাতে নামিল বরষা।।

বাণী

ভোর হোল ওঠ্ জাগ্ মুসাফির আল্লা-রসুল বোল্‌
গাফ্‌লিয়াতি ভোল্ রে অলস্ আয়েশ আরাম্ ভোল্॥
	এই দুনিয়ার সরাইখানায়
	জনম্ গেল ঘুমিয়ে হায়
ওঠ রে সুখ-শয্যা ছেড়ে মায়ার বাঁধন খোল্॥
দিন ফুরিয়ে এলো যে রে দিনে দিনে তোর
দীনের কাজে অবহেলা কর্‌লি জীবন ভোর।
	যে দিন আজো আছে বাকি
	খোদারে তুই দিস্‌নে ফাঁকি
আখেরে পার হবি যদি পুল্ সেরাতের পোল্॥

বাণী

ভবানী শিবানী দশপ্রহরণধারিনী
দুখ-পাপ-তাপ হারিণী ভবানী।।
কলুষ-রিপু-দানব-জয়ী
জগৎ-মাতা করুণাময়ী
জয় পরমাশক্তি মাতা ত্রিলোকধারিণী।।

নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’

বাণী

দ্বৈত	:	ভুলে রইলি মায়ায় এসে ভবে
		তুই ভুলবি ভুলের খেলা কবে॥
স্ত্রী	:	নিবু নিবু তোর জীবন-বাতি শেষ হলো সুখ-রাতি,
পুরুষ	:	রাত পোহালে সুখের সাথী সঙ্গে নাহি রবি॥
স্ত্রী	:	যাঁর কৃপায় তুই রইলি সুখে ডাক্‌লি না রে তারে
পুরুষ	:	তুই কি নিয়ে হায় তাহার কাছে যাবি পরপারে।
স্ত্রী	:	জমালি যা তুই জীবন ভ’রে পিছু প’ড়ে রবে
পুরুষ	:	দারাসুত লবে বিভব রতন পাপের বোঝা নাহি লবে॥
স্ত্রী	:	স্রোতের মতো সময যে যায় নিয়ে শরণ প্রভুর পায়
পুরুষ	:	কৃপা-সিন্ধুর কৃপা পেলে ত’রে যাবি তুই তবে॥

বাণী

ভরিয়া পরান শুনিতেছি গান আসিবে আজি বন্ধু মোর!
স্বপন মাখিয়া সোনার পাখায় আকাশে উধাও চিত-চকোর।।
		হিজল-বিছানো বন-পথ দিয়া
		রাঙায়ে চরণ আসিবে গো পিয়া।
নদীর পারে বন-কিনারে ইঙ্গিত হানে শ্যাম কিশোর।।
		চন্দ্রচূড় মেঘের গায়
		মরাল-মিথুন উড়িয়া যায়,
নেশা ধরে চোখে আলো-ছায়ায় বহিছে পবন গন্ধ-চোর।।

বাণী

ভারতলক্ষ্মী মা আয় ফিরে এ ভারতে
ব্যথায় মোদের চরণ ফেলে অরুণ আশার সোনার রথে॥
অশ্রু গঙ্গার জলে ধুই মা তোর চরণ নিতি
ত্রিশ কোটি কণ্ঠে বাজে রোদনে তোর বোধনগীতি
আয় মা দলিত রাঙা হৃদয় বিছানো পথে॥
বিজয়া তোর হ’ল কবে শতাব্দী চলিয়া যায়
ভারত-বিজয়-লক্ষ্মী ভারতে ফিরিয়া আয়
বিসর্জনের কান্না মা এবার তুই এসে থামা
সফল কর এ তপস্যা মা স্থান দে স্বাধীন জগতে॥