Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকীতে কবির প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকীতে কবির প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকীতে কবির প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

ভীরু এ মনের কলি ফোটালে না কেন

বাণী

ভীরু এ মনের কলি ফোটালে না কেন ফোটালে না —
জয় করে কেন নিলে না আমারে, কেন তুমি গেলে চলি।।
		ভাঙ্গিয়া দিলে না কেন মোর ভয়,
		কেন ফিরে গেলে শুনি অনুনয়;
কেন সে বেদনা বুঝিতে পার না মুখে যাহা নাহি বলি।।
কেন চাহিলে না জল নদী তীরে এসে,
সকরুণ অভিমানে চলে গেলে মরু–তৃষ্ণার দেশে।।
		ঝোড়ো হাওয়া ঝরা পাতারে যেমন
		তুলে নেয় তার বক্ষে আপন
কেন কাড়িয়া নিলে না তেমনি করিয়া মোর ফুল অঞ্জলি।।

ভুলি কেমনে আজো যে মনে

বাণী

ভুলি কেমনে	আজো যে মনে
বেদনা-সনে	রহিল আঁকা।
আজ সজনী	দিন রজনী
সে বিনে গনি	সকলি ফাঁকা।।
আগে মন		করলে চুরি
মর্মে শেষে		হানলে ছুরি
এত শঠতা		এত যে ব্যথা
তবু যেন তা	মধুতে মাখা।।
চকোরী		দেখলে চাঁদে
দূর থেকে সই	আজো কাঁদে
আজো বাদলে	ঝুলন ঝুলে
তেমনি জলে	চলে বলাকা।।
বকুলের		তলায় দোদুল
কাজলা মেয়ে	কুড়োয় লো ফুল
চলে নাগরী	কাঁখে গাগরি
চরণ ভারি		কোমর বাঁকা।।
ডালে তোর	করলে আঘাত
দিস্ রে কবি	ফুল সওগাত
ব্যথা-মুকুলে	অলি না ছুঁলে
বনে কি দুলে	ফুল-পতাকা।।

ভারত শ্মশান হ’ল মা তুই শ্মশানবাসিনী ব’লে

বাণী

ভারত শ্মশান হ’ল মা, তুই শ্মশানবাসিনী ব’লে।
জীবন্ত-শব নিত্য মোরা, চিতাগ্নিতে মরি জ্ব’লে।।
আজ হিমালয় হিমে ভরা,
দারিদ্র্য-শোক-ব্যাধি-জরা,
নাই যৌবন, যেদিন হতে শক্তিময়ী গেছিস্ চ’লে।।
(মা) ছিন্নমস্তা হয়েছিস্ তাই হানাহানি হয় ভারতে,
নিত্য-আনন্দিনী, কেন টানিস্ নিরানন্দ পথে?
শিব-সীমন্তিনী বেশে
খেল্ মা আবার হেসে হেসে,
ভারত মহাভারত হবে, আয় মা ফিরে মায়ের কোলে।।

ভাই হয়ে ভাই চিনবি আবার গাইব কি আর

বাণী

		ভাই হয়ে ভাই চিনবি আবার গাইব কি আর এমন গান!
সেদিন	দুয়ার ভেঙে আসবে জোয়ার মরা গাঙে ডাকবে বান।।
তোরা		স্বার্থ-পিশাচ যেমন কুকুর তেমনি মুগুর পাস রে মান।
সেই		কলজে চুঁয়ে গলছে রক্ত দলছে পায়ে ডলছে কান।।
ওরে		তোরা করিস লাঠালাঠি সিন্ধু-ডাকাত লুটছে ধান!
তাই		গোবর-গাদা মাথায় তোদের কাঁঠাল ভেঙে খায় শেয়ান।।
ছিলি		সিংহ ব্যাঘ্র, হিংসা-যুদ্ধে আজকে এমন ক্ষিন্ন প্রাণ।
মুখের		গ্রাস ঐ গিলছে শেয়াল, তোমরা শুয়ে নিচ্ছ ঘ্রাণ।।
তোরা		বাঁদর ডেকে মানলি সালিশ ভাইকে দিতে ফাটলো প্রাণ!
সালিশ	নিজেই, ‘খা ডালা সব’, বোকা তোদের এই দেখান।।
তোরা		নাক কেটে নিজ পরের যাত্রা ভঙ্গ করিস বুদ্ধিমান
তোদের	কে যে ভালো কে যে মন্দ সব শিয়ালই এক সমান।।
শুনি		আপন ভিটের কুকুর রাজা, তার চেয়েও হীন তোদের প্রাণ।
তাই		তোদের দেশ এই হিন্দুস্থানে নাই তোদেরই বিন্দু স্থান।।
আজ		সাধে ভারত-বিধাতা কি চোখ বেঁধে ঐ মুখ লুকান!
তোরা		বিশ্বে যে তার রাখিসনে ঠাঁই কানা গরুর ভীন বাথান।।
তোরা		করলি কেবল অহরহ নীচ কলহের পরল পান।
আজ		বুঝলি নে হায় নাড়ি-ছেড়া মায়ের পেটের ভায়ের টান।।

ভুবনময়ী ভবনে এসো

বাণী

ভুবনময়ী ভবনে এসো সীমার মাঝে এসো অসীমা।
ভক্ত মনের মাধুরী দিয়ে গড়িয়াছি মা তোমার প্রতিমা।।
	চিন্ময়ী গো ধর মৃন্ময়ীরূপ
	কত যুগ মাগো জ্বলিবে পূজাধূপ
মানসপটে বোধন ঘটে হও চির আসীনা করুণাময়ী মা।।
সে কোন অতীতে সুদূর ত্রেতায় এসেছিলে মা অশিব নাশিনী
আসিলে না আর ধূলির ধরায় দিলে না মা বর অমৃত ভাষিণী।
	কত যুগ গেল কত বরষ মাস
	কত বিফল পূজা কত কাঁদন হুতাশ
জাগ যোগমায়া যোগনিদ্রা ভোল পুন বিশ্বে প্রচার হোক্‌ তব মহিমা।।

ভোলো প্রিয় ভোলো ভোলো আমার স্মৃতি

বাণী

	ভোলো প্রিয় ভোলো ভোলো আমার স্মৃতি।
	তোরণ-দ্বারে বাজে করুণ বিদায়-গীতি।।
তুমি	ভুল ক’রে এসেছিলে ভুলে ভালবেসেছিলে,
	ভুলের খেলা ভুলের মেলা তাই প্রিয় ভেঙে দিলে।
	ঝরা ফুলে হের ঝুরে কানন-বীথি।।
	তব সুখ-দিনে তব হাসির মাঝে অশ্রু মম
	রবির দাহে শিশির সম শুকাইবে প্রিয়তম,
	হাসিবে তব নিশীথে নব চাঁদের তিথি।।
	ফোটে ফুল যায় ঝ’রে গহন বনে অনাদরে
	গোপনে মোর প্রেম-কুসুম তেমনি গেল গো মরে,
	আমার তরে কাঁটার ব্যথা কাঁদুক নিতি।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan