
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

ওরে মাঝি ভাই। ও তুই, কি দুখ পেয়ে কূল হারালি অকূল দরিয়ায়॥ চোখের জল্ তুই ছাপাতে চাস্, নদীর জলে এসে, শেষে নদীই এলো চক্ষে রে তোর; তুই চলিলি ভেসে। ও তুই কলস দেখে নামলি জলে রে, এখন ডুবে দেখিস্ কলস নাই॥ ও তুই কূলে যাহার কূল পেলিনে তরী অগাধ জলে মিছে খুঁজে মরিস ওরে পাগল, তরী বাওয়ার ছলে। ও রে দুই ধারে এর চোরা বালি রে, (ও) তোর হেথায় মনের মানুষ নাই॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমি গগন গহনে সন্ধ্যা-তারা কনক গাঁদার ফুল গো। গোধূলির শেষে হেসে উঠি আমি এক নিমেষের ভুল গো। আমি কণিকা, আমি সাঁঝের অধরে ম্লান আনন্দ-কণিকা আমি অভিমানিনীর খুলে ফেলে দেওয়া মণিকা আমি দেব-কুমারীর দুল গো।। আলতা রাখার পাত্র আমার আধখানা চাঁদ ভাঙা তাহারি রং গড়িয়ে পরে (ঐ) অস্ত-আকাশ রাঙা। আমি একমুঠো আলো কৃষ্ণা-সাঁঝের হাতে আমি নিবেদিত ফুল আকাশ-নদীতে রাতে ভাসিয়া বেড়াই যাঁর উদ্দেশে গো তার পাই না চরণ-মূল।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ওরে আজই না হয় কালই তোরে কালী কালী বল্তে হবে। তুই কাঁদ্বি ধ’রে কালীর চরণ মহাকাল আসিবে যবে।। তুই জন্মের আগে ছিলি শিখে মা বল্তে মা কালীকে, তুই ভুল্লি আদি-জননীকে দু’দিন মা পেয়ে ভবে।। তুই কালি দিয়ে লিখ্লি হিসাব কেতাব-পুঁথি শিখ্লি পড়া, তোর মাঠে ফসল ফুল্ ফুটালো কালো মেঘের কালি-ঝরা। তোর চোখে জ্বলে কালীর কালো তাই জগতে দেখিস্ আলো, (কালি) প্রসাদ গুণে সেই আলো তুই হৃদ্পদ্মে দেখ্বি কবে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

হে মোর স্বামী, অন্তর্যামী, লহ সকলি আমার। লহ প্রীতি-প্রেম-পূজা লহ পায়ে গলার হার।। হে প্রিয়তম, সকলি লহ; মান-অভিমান ব্যথা-বিরহ। দুঃখের দাহ, সুখের মোহ লহ হে অশ্রু-ধার।। যাহা কিছু আপন, দিতে যা বাকি যাহা কিছু গোপন, লুকায়ে রাখি যাহা কিছু প্রিয় অঞ্চলে ঢাকি; লহ হে বঁধূ এবার।। তোমায় চাওয়ার পাওয়ার আশা, তোমায় না-পাওয়ার ব্যথা-নিরাশা, তোমারে দিলাম মোর ভালোবাসা বিফলতা হাহাকার।।
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ কাহার্বা

চাঁপার কলির তুলিকায়, কাজল লেখায় শ্রীমতী শ্রীহরির ছবি আঁকে। রাই ছবি আঁকে পটে গো, যারে হেরে নিতি গোঠে যেতে যমুনার তটে গো, সে বংশী বাজায়ে মঞ্জির পায়ে নাচে ছায়া বটে গো, রাই ছবি আঁকে পটে গো। আঁকিয়া শ্যামের মূরতি আঁকিল না রাধা শ্রীচরণ , রাধা চরণ আঁকে না, তুলি তুলিয়া রাখে চরণ আঁকে না। তখন ললিতা বলে- ‘রাধা! রাধা! রাধা! তুই আঁকলি না কেন চরণ রাধা!’ ‘জীবন মরণ যে চরণে বাঁধা, আঁকলি না কেন চরণ রাধা — বিশ্বের ত্রাণ বৃন্দাবনের ধ্যানজ্ঞান ব্রজগোপী সাধা’ — ‘আঁকলি না কেন চরণ রাধা’ —! তখন রাধা কেঁদে বলে- ‘ওগো ললিতা — সখি আঁকিলে চরণ যাবে সে পালায়ে আমি হব পদদলিতা। পলায়ে যাবে গো মথুরায়, আবার পালায়ে যাবে গো — চির চপল সে মথুরায় আবার পালায়ে যাবে গো — থাক লুকানো হৃদয়ে শ্রীচরণ।’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

রামছাগী গায় চতুরঙ্গ বেড়ার ধারে, গাইয়ে ষাঁড়-সাথে বাছুর হাম্বা রবে — ভীষণ নাদ ছাড়ে, ফেটে বুঝি গেল কান, প্রাণে মারে! শুনিয়া হাই তোলে ভেউ ভেউ রোলে — ভুলোটা পগার পারে।। তেলেনা: ডিম নেরে, তা দেরে, আমি না রে, তুই দেরে, নেরে ডিম, দেরে তা, তা দেনা, ওদের না না, তাদের না না তুই দেরে ডিম! ওদের নারী তাদের নারী দেদার নারী, দে রে নারী, যা ধেৎ, টানাটানি! সরগম: ধ প র ধ র গ, গ র গ ধ, গ র গ ধ, ন ধ ম ম, প র ন ম র গ, স র ন ধ স ম।। তবলার বোল: ভেগে যা, মেগে খা, মেরে কেটে খা, মেরে কেটে খা’ তেড়ে ধরে কাট ধুম, ধরে কেটে রাখুন না রাখুন না, কান দুটি যাক তবু কাটা থাক দুম।।
‘চতুরঙ্গ’
রাগঃ মিঞা কী মল্লার
তালঃ তিতাল

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan