Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকীতে কবির প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকীতে কবির প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকীতে কবির প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

তুমি হেরেমের বন্দিনী নহ

বাণী

পুরুষ	:	তুমি হেরেমের বন্দিনী নহ তুমি যে ঘরের বাতি।
স্ত্রী	:	তুমি যে ঈদের চাঁদ! তব তরে জাগিয়া কাটাই রাতি।।
পুরুষ	:	আমি আল্লার ডাকে ছুটে যাই যবে
		তুমি মোনাজাত কর গো নীরবে,
স্ত্রী	:	তুমি যে খোদার দেওয়া সওগাত মম বেহেশ্‌তের সাথি।।
পুরুষ	:	তুমি নারী আগে আনিলে ঈমান দ্বীন ইসলাম ‘পরে,
স্ত্রী	:	তুমি যে বিজয়ী খোদার রহম আনিয়াছ জয় ক’রে!
পুরুস	:	আজি দুর্বল মোরা তোমারে ত্যজিয়া
স্ত্রী	:	দাঁড়াইব পাশে উঠহ জাগিয়া,
উভয়ে	:	হাতে হাত ধরি’ চলি যদি মোরা জাগিবে নূতন জাতি —
					দুনিয়া আবার উঠিবে মাতি’।।

পাঠান্তরঃ আমি আল্লার ডাকে ছুটে যাই

তোর নামেরই কবচ দোলে

বাণী

		তোর নামেরই কবচ দোলে দোলে আমার বুকে, হে শঙ্করী।
		কি ভয় দেখাস্? আমি তোকেও ভয় করি না, ভয় করি না ভয়ঙ্করী।।
			মৃত্যু প্রলয় তাদের লাগি
			নয় যারা তোর অনুরাগী।
		(মাগো) তোর শ্রীচরণ আশ্রয় মোর (দেখে) মরণ আছে ভয়ে মরি’।।
		তোর যদি না হয় মা বিনাশ, আমিও মা অবিনাশী;
(আমি)	তোরই মাঝে ঘুমাই জাগি, তোরই কোলে কাঁদি হাসি।
			তোর চরণ ছেড়ে পলায় যারা (মা)
			মায়ার জালে মরে তারা
		তোর মায়া-জাল এড়িয়ে গেলাম মা তোর অভয়-চরণ ধরি, মা।।

তোরা বলিস্ লো সখি মাধবে মথুরায়

বাণী

তোরা বলিস্ লো সখি, মাধবে মথুরায়
কেমনে রাধার কাঁদিয়া বরষ যায়॥
খর-বৈশাখে কি দাহন থাকে বিরহিণী একা জানে
ঘৃত-চন্দন পদ্ম পাতায় দারুণ দহন-জ্বালা না জুড়ায়
‘ফটিক জলে’র সাথে আমি কাঁদি চাহিয়া গগন-পানে।
জ্বালা না জুড়ায় গো —
হরি-চন্দন বিনা ঘৃত-চন্দনে জ্বালা না জুড়ায় গো
শ্যাম-শ্রীমুখ-পদ্ম বিনা পদ্ম পাতায় জ্বালা না জুড়ায়॥
বরষায় অবিরল ঝর ঝর ঝরে জল জুড়াইল জগতের নারী
রাধার গলার মালা হইল বিজলি-জ্বালা তৃষ্ণা মিটিল না তা’রি!
সখি রে, তৃষ্ণা মিটিল না তা’রি।
প্রবাসে না যায় পতি সব নারী ভাগ্যবতী বন্ধু রে বাহুডোরে বাঁধে
ললাটে কাঁকন হানি’ একা রাধা অভাগিনী প্রদীপ নিভায়ে ঘরে কাঁদে।
জ্বালা তা’র জুড়ালো না জলে গো
শাওনের জলে তা’র মনের আগুন দ্বিগুণ জ্বলে গো
কৃষ্ণ-মেঘ গেছে চ’লে, অকরুণ অশনি হানিয়া হিয়ায় (সখি)॥
আশ্বিনে পরবাসী প্রিয় এলো ঘরে গো মিটিল বধূর মন-সাধ (সখি রে)
রাধার চোখের জলে মলিন হইয়া যায় কোজাগরী চাঁদ (মলিন হইয়া যায় গো)।
আগুন জ্বালালে শীত যায় নাকি রাধার কি হ’ল হায়
বুক ভরা তার জ্বলিছে আগুন তবু শীত নাহি যায়।
যায় না, যায় না আগুন জ্বলে —
বুকের আগুন জলে, তবু শীত যায় না, যায় না,
শীত যদি বা যায় নিশীথ না, যায় গো
যায় না, যায় না, রাধার যে কি হ’ল হায়॥
কলিয়া কৃষ্ণ-ছূড়া, ছড়ায়ে ফাগের গুঁড়া আসিল বসন্ত
রাধা-অনুরাগে রেঙে কে ফাগ খেলিবে গো, নাই ব্রজ-কিশোর দুরন্ত।
মাধবী-কুঞ্জে কুহু কুহরিছে মুহুমুহু ফুল-দোলনায় সবে দোলে,
এ মধু মাধবী রাতে রাধার মাধব নাই
দুলিবে রাধা কার কোলে সখি রে —  রাধা দোলে কার কোলে গো
শ্যাম-বল্লভ বিনা রাধা দোলে কার কোলে গো, বল্ সখি, দোলে কার কোলে।
ফুল-দোলে দোলে সবে পিয়াল-শাখে
রাধার প্রিয়া নাই, বাহু দু’টি দিয়া বাঁধিবে কাহাকে,
ঝরা-ফুল-সাথে রাধা ধূলাতে লুটায়॥

তোমার আকাশে উঠেছিনু চাঁদ

বাণী

তোমার আকাশে উঠেছিনু চাঁদ, ডুবিয়া যাই এখন।
দিনের আলোকে ভুলিও তোমার রাতের দুঃস্বপন।।
	তুমি সুখে থাক আমি চলে যাই,
	তোমারে চাহিয়া ব্যথা যেন পাই,
জনমে জনমে এই শুধু চাই — না-ই যদি পাই মন।।
ভয় নাই রাণী রেখে গেনু শুধু চোখের জলের লেখা,
জলের লিখন শুকাবে প্রভাতে, আমি চলে যাব একা!
	ঊর্ধ্বে তোমার প্রহরী দেবতা,
	মধ্যে দাঁড়ায়ে তুমি ব্যথাহতা, —
পায়ের তলার দৈত্যের কথা ভুলিতে কতক্ষণ।।

ত্রিজগত আলো করে আছে

বাণী

	ত্রিজগত আলো করে আছে কালো মেয়ের পায়ের শোভা।
	মহাভাবে বিভোর শঙ্কর, ঐ পা জড়িয়ে মনোলোভা।।
	দলে দলে গগন বেয়ে গ্রহ তারা এলো ধেয়ে,
ঐ	চরণ শোভা দেখবে বলে, ঐ পায়ের নূপুর হওয়ার ছলে
সেই	শোভা কেমন বলতে গিয়ে ব্রহ্ম হলো চিরমৌনী বোবা।।
ঐ	চরণ শোভা দেখার তরে, যোগী থাকেন ধেয়ান ধ'রে
	ত্রিভুবন ভুলে অনন্তকাল যোগী থাকেন ধেয়ান ধ'রে।
	ও শুধু চরণ শোভা নয়, ঐ যে পরব্রহ্ম জ্যোতি
	শ্রী চণ্ডী বেদ পুরাণে ওরই প্রেম-আরতি
মা	দেখ্‌ত যদি নিজের চরণ নিজেই দিত বিল্বজবা
	আপনার ঐ রাঙা পায়ে নিজেই দিত বিল্বজবা।।

তুমি সারাজীবন দুঃখ দিলে

বাণী

তুমি	সারাজীবন দুঃখ দিলে, তব দুঃখ দেওয়া কি ফুরাবে না!
যে	ভালোবাসায় দুঃখে ভাসায় সে কি আশা পূরাবে না।।
মোর	জনম গেল ঝুরে ঝুরে — লোকে লোকে ঘুরে ঘুরে,
তব	স্নিগ্ধ পরশ দিয়ে কি, নাথ, দগ্ধ হিয়া জুড়াবে না।।
তুমি	অশ্রুতে যে-বুক ভাসালে —
সেই	বক্ষে এসো দিন ফুরালে
তুমি	আঘাত দিয়ে ফুল ঝরালে, হাত দিয়ে কি কুড়াবে না।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan