বাণী

সেদিন প্রভাতে অরুণ শোভাতে হেসেছ বুকে মোর মধু-হাসিনী।
পরেছ গলায় আমার দেওয়া ফুল সে কি গো সবি ভুল বিজন-বাসিনী।।
		যেচেছ কত না আদর সোহাগ
		ক্ষণে অভিমান ক্ষণে অনুরাগ,
কত প্রিয় নামে ডেকেছ আমায় সে কি গো গেছ ভুলে মধুভাষিণী।।
		আমার সাধ-আশ-সাধনা-সুখ-হাসি
		তোমার সনে প্রিয় সকলি গেছে ভাসি,
কেন ফেলে দিলে নিরাশার কূলে, কোন্ অপরাধে বল উদাসিনী।।

বাণী

স্বপনেএসেছিল মৃদু-ভাষিণী
মৃদু-ভাষিণী মধু-হাসিনী।
রূপের তৃষা মোর রূপ ধ'রে এসেছিল
কল্পনা মনোবন-বাসিনী।।
যে পরম সুন্দর আছে মোর অন্তরে
তারি অভিসারে আসে উদাসিনী।।

বাণী

স্বপন যখন ভাঙবে তোমার দেখবে আমি নাই।
মোরে শূন্য তোমার বুকেরি কাছে খুজবে গো বৃথাই।।
	দেখবে জেগে বাহুর পরে
	আছে নীরব অশ্রু ঝ'রে
কাছ থেকেও ছিলাম দূরে যাই গো চলে যাই।।
কাঁটার মতো ছিলাম বিধে আমি তোমার বুকে,
বিদায় নিলাম চিরতরে ঘুমাও তুমি সুখে (ওগো)।
	একলা ঘরে জেগে ভোরে
	হয়তো মনে পড়বে মোরে,
দূরে স'রে হয়তো পাব অন্তরেতে ঠাঁই।।

বাণী

সদা মন চাহে মদিনা যাবো,
আমার রসূলে আরবী, না হেরে নয়নে,
			কি সুখে গৃহে র’বো।।
মদিনার বুকে রয়েছে ঘুমায়ে আমার বুকের নিধি
তায় বুকে তার মিলাইব বুক পায়ে লুটাইব নিরবধি
ধূলিকণা হবো, আমি ধূলিকণা হবো
(ওগো) নবী পদরেখা যেই পথে আঁকা 
			সেই পথে বিছাইবো।
আবিল হতে দেবো না, মধুর স্বপন তপ্ত বরণ
আবিল হতে দেবো না।
সদা আকুল পিয়াসা জাগে
পদমুখো হ'য়ে কদম রসূল
চুম্‌ দিবো অনুরাগে।
ধূলি হ’বো, আমি সেই পথের ওই ধূলি হ’বো
নবী যে পথ দিয়ে চলেছিলেন
সেই পথের ওই ধূলি হবো
শুধু পায়ের চিহ্ন পরশ পাবো
			সেই পথের ওই ধূলি হ’বো।।
প্রিয় নবীর রাঙা পা দু'খানি
চুমিব সদা দিবস-যামী,
আমার জীবনে লেগেছে নয়নের স্বাদ
জুড়াতে আমার দেখিবো
পোড়া নয়নের মোর আছে বড় খেদ
মিটেনি আমার তৃষা গো
হেথা নয়নের তৃষা অধরে মিটাতে
			এবার আমি ধূলি হ’বো।।

লেটোদলের গান
কীর্তনের সুরে নাত-এ রসুল

বাণী

		সই নদীর পারে বকুল তলায় সুবাস শীতল ছায়
(সখি)	আকুল তাহার আঁখি দুটি কাহার পানে চায়॥
		সই যা না লো দাঁড়ায়ে, কাঁটা বিঁধেছে মোর পায়ে
		তোরা দাঁড়া সখি ক্ষণেক, (সখি) ওকি হাসিস্ কেন হায়॥
		আমার কলসিটি যে ভারি, ডালে বেঁধেছে মোর শাড়ি
		তোরা বলিস ছলে হেরি ওরে (ওলো) ছি ছি একি দায়!
		যদি হেরেই থাকি ওরে, তোরা দুষিস্ কেন মোরে
ওলো		আমার আমি বশে নাই মোর (পাগল) আঁখির নেশায়॥