
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

(মা) আয় মা উমা! রাখ্ব এবার ছেলের সাজে সাজিয়ে তোরে। (ওমা) মা’র কাছে তুই রইবি নিতুই, যাবি না আর শ্বশুর ঘরে।। মা হওয়ার মা কী যে জ্বালা বুঝবি না তুই গিরি-বালা তোরে না দেখলে শূন্য এ বুক কী যে হাহাকার করে।। তোরে টানে মা শঙ্কর-শিব আসবে নেমে জীব-জগতে, আনন্দেরই হাট বসাব নিরানন্দ ভূ-ভারতে। না দেখে যে মা, তোর লীলা হ’য়ে আছি পাষাণ-শীলা আয় কৈলাসে তুই ফির্বি নেচে বৃন্দাবনের নূপুর প’রে।।
রাগঃ
তালঃ একতাল

কে নিবি ফুল, কে নিবি ফুল — টগর যূথী, বেলা মালতী চাঁপা, গোলাপ, বকুল, নার্গিস ইরানি-গুল।। আমার যৌবন-বাগানে হাওয়া লেগেছে ফুল-জাগানে, চ'লে যেতে ঢ'লে পড়ি, খুলে পড়ে এলো চুল; তনু-মন আকুল আঁখি ঢুলুঢুল্।। (ওগো) ফুটেছে এত ফুল, ফুলমালী কই? গাঁথিবে মালা কবে? সেই আশে রই; এ মালা দেব কা'রে ভেবে সারা হই, সহিতে পারি না এ ফুল-ঝামেলা, চামেলি-পারুল।।
রাগঃ তিলং-খাম্বাজ
তালঃ কাহার্বা

এই আমাদের বাংলাদেশ এই আমাদের বাংলাদেশ যে দিকে চাই স্নিগ্ধ শ্যামল চোখ জুড়ানো রূপ অশেষ।। চন্দনিত শীতল বাতাস বয় এ দেশে নিরন্তর জোছনা সম কোমল হয়ে আসে হেথায় রবির কর জীবন হেথায় স্নেহ সরস সরল হৃদয় সহজ বেশ।। নিত্য হেথা করছে মেঘে স্বর্গ হতে শান্তি জল মাঠে ঘাটে লক্ষ্মী হেথায় ছড়িয়ে রাখে ফুল কমল। হাঙ্গোর কুমির শার্দুল সাপ খেলার সাথি এই জাতির দিল্লির যশ করল হরণ এই দেশেরি প্রতাপ বীর একদা এই দেশের ছেলে জয় করেছে দেশ বিদেশ।।
রেকর্ড: ‘প্রতাপদিত্য’, (নাটিকার: যোগেশ চৌধুরী)
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

এসো ঠাকুর মহুয়া বনে ছেড়ে বৃন্দাবন, ধেনু দেব বেণু দেব মালা চন্দন॥ কেঁদে কেঁদে কয়লা খাদে যমুনা বহাব; পলাশ বনে জাগরণে নিশি পোহাব রাধা হয়ে বাঁধা দেব আমর প্রাণ মন॥ মোর নটকান রঙ শাড়ির আঁচল ছিঁড়ে, পীত ধড়া পরাব, নীল অঙ্গ ঘিরে। পিয়াল ডালে দোলনা বেঁধে দুলিব দুজন॥ ভাসুর-শ্বশুর দ্যাখে যদি করব নাকো লাজ বলব আমার শ্যামের বাঁশি বাজ রে আবার বাজ শ্যাম তোমার লাগি জাতি কুল দিব বিসর্জন।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

ও কালো শশী রে, বাজায়ো না আর বাঁশী রে। বাঁশী শুনিতে আসি না আমি, জল নিতে আসি হে।। আঁচল দিয়ে মুছি বন্ধু কাজলেরই কালি, যায় না মোছা তোমার কালি লাগলে বনমালী; তোমার বাঁশী শুনে ভেসে গেল কত রাধার মুখের হাসি রে।। কাল নাগিনীর ফণায় নাচো, বুঝবে তুমি কিসে, কত কুল-বধূ মরে ঐ বাঁশরীর বিষে (বন্ধু) ঘরে ফেরার পথ হারায়ে ফিরি তোমার পায়ে পায়ে, জলের কল্সি জলে ডোবে, আমি আঁখি জলে ভাসি রে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বক্ষে আমার কাবার ছবি চক্ষে মোহাম্মদ রসুল। শিরোপরি মোর খোদার আরশ গাই তাঁরি গান পথ বেভুল।। লায়লী প্রেমে মজনু পাগল আমি পাগল লা-ইলা’র, প্রেমিক দরবেশ আমায় চেনে অরসিকে কয় বাতুল।। হৃদয়ে মোর খুশির বাগান বুলবুলি তায় গায় সদাই, ওরা খোদার রহম মাগে আমি খোদার ইশ্ক্ চাই। আমার মনের মস্জিদে দেয় আজান হাজার মোয়াজ্জিন প্রাণের ‘লওহে’ কোরান লেখা রুহ্ পড়ে তা রাত্রি দিন। খাতুনে জিন্নত মা আমার হাসান হোসেন চোখের জেল, ভয় করি না রোজ-কেয়ামত পুল সিরাতের কঠিন পুল।।
রাগঃ বাগেশ্রী সিন্ধু
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan