
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

এসো ঠাকুর মহুয়া বনে ছেড়ে বৃন্দাবন, ধেনু দেব বেণু দেব মালা চন্দন॥ কেঁদে কেঁদে কয়লা খাদে যমুনা বহাব; পলাশ বনে জাগরণে নিশি পোহাব রাধা হয়ে বাঁধা দেব আমর প্রাণ মন॥ মোর নটকান রঙ শাড়ির আঁচল ছিঁড়ে, পীত ধড়া পরাব, নীল অঙ্গ ঘিরে। পিয়াল ডালে দোলনা বেঁধে দুলিব দুজন॥ ভাসুর-শ্বশুর দ্যাখে যদি করব নাকো লাজ বলব আমার শ্যামের বাঁশি বাজ রে আবার বাজ শ্যাম তোমার লাগি জাতি কুল দিব বিসর্জন।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

এলো আবার ঈদ ফিরে এলো আবার ঈদ, চলো ঈদগাহে। যাহার আশায় চোখে মোদের ছিল না রে নিদ, চলো ঈদ্গাহে।। শিয়া সুন্নী, লা-মজহাবী একই জামাতে এই ঈদ মোবারকে মিলিবে এক সাথে, ভাই পাবে ভাইকে বুকে, হাত মিলাবে হাতে; আজ এক আকাশের নীচে মোদের একই সে মসজিদ, চলো ঈদগাহে।। ঈদ এনেছে দুনিয়াতে শিরণী বেহেশ্তী, দুশ্মনে আজ গলায় ধ'রে পাতাব ভাই দোস্তী, জাকাত দেব ভোগ-বিলাস আজ গোস্সা ও বদ্মস্তি; প্রাণের তশ্তরীতে ভ'রে বিলাব তৌহীদ — চলো ঈদ্গাহে।। আজিকার এই ঈদের খুশি বিলাব সকলে, আজের মত সবার সাথে মিল্ব গলে গলে, আজের মত জীবন-পথে চলব দলে দলে প্রীতি দিয়ে বিশ্ব-নিখিল ক'রব রে মুরীদ্ — চলো ঈদগাহে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

এখনো দোলন-চাঁপার বনে কুহু পাপিয়া। প্রিয়া তব নাম লয়ে’ ওঠে ডাকিয়া কুহু পাপিয়া।। আজও তোমার কথা ভোলেনি বনের লতা, জড়ায়ে তরুমূলে ছড়ায়ে পথে ফুল ওঠে কাঁদিয়া।।
রাগঃ
তালঃ
এলো কৃষ্ণ কানাইয়া তমাল বনে সাজো ঝুলনের সাজে তারে গোপবালিকার মালা পরাব আজি এ রাখাল বাজে।। নব নীপমালাপরি আসিল কিশোর হরি বাজিল ঘন মেঘে বাঁশরি বৃষ্টিতে নূপুর বাজে।। সে এসেছে ঐ মেঘ চন্দন মন্থন তনু গোপী বরণ এসেছে নীল লাবনিতে ছাইয়া অবনি বিদ্যুত হাসি হেসেছে। ঘনঘটা গগনে দোলা লাগায় মনে মনে। দোলা লেগেছে, নয়নে মনে দোলা লেগেছে শয়নে স্বপনে দোলা লেগেছে-বাঁধো বাঁধো ঝুলনা খোঁপায় পরিয়া দোপাটি মালিকা সাজো সাজো অতুলনা নির্দয় হৃদয়হীনে বাঁধিব হৃদয় মাঝে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

এ কি অপরূপ রূপে মা তোমায় হেরিনু পল্লী-জননী। ফুলে ও ফসলে কাদা মাটি জলে ঝলমল করে লাবনি॥ রৌদ্রতপ্ত বৈশাখে তুমি চাতকের সাথে চাহ জল, আম কাঁঠালের মধুর গন্ধে জ্যৈষ্ঠে মাতাও তরুতল। ঝঞ্ঝার সাথে প্রান্তরে মাঠে কভু খেল ল’য়ে অশনি॥ কেতকী-কদম-যূথিকা কুসুমে বর্ষায় গাঁথ মালিকা, পথে অবিরল ছিটাইয়া জল খেল চঞ্চলা বালিকা। তড়াগে পুকুরে থই থই করে শ্যামল শোভার নবনী॥ শাপলা শালুক সাজাইয়া সাজি শরতে শিশির নাহিয়া, শিউলি-ছোপানো শাড়ি পরে ফের আগামনী-গীত গাহিয়া। অঘ্রাণে মা গো আমন ধানের সুঘ্রাণে ভরে অবনি॥ শীতের শূন্য মাঠে তুমি ফের উদাসী বাউল সাথে মা, ভাটিয়ালি গাও মাঝিদের সাথে গো, কীর্তন শোনো রাতে মা। ফাল্গুনে রাঙা ফুলের আবিরে রাঙাও নিখিল ধরণী॥
রাগঃ বেহাগ মিশ্র
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ দেবব্রত বিশ্বাস
১.

২.

এসো মুরলীধারী বৃন্দাবন-চারী গোপাল গিরিধারী শ্যাম। তেমনি যমুনা বিগলিত-করুণা কুলু কুলু কুলু স্বরে ডাকে অবিরাম।। কোথায় গোকুল-বিহারী শ্রীকৃষ্ণ চাহিয়া পথ পানে ধরণী সতৃষ্ণ, ডাকে মা যশোদায় নীলমণি আয় আয় ডেকে যায় নন্দ শ্রীদাম।। ডাকে প্রেম-সাধিকা আজো শত রাধিকা গোপ-কোঙারি, এসো নওল-কিশোর কুল-লাজ-মান-চোর ব্রজ-বিহারী। পরি’ সেই পীতধড়া, সেই বাঁকা শিখী চূড়া বাজায়ে বেণূ আরবার এসো গোঠে, খেল সেই ছায়া-বটে চরাও ধেনু কদম তমাল-ছায়ে এসো নূপুর পায়ে ললিত বঙ্কিম ঠাম।।
রাগঃ মান্দ
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan