
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

চল্ রে চপল তরুণ-দল বাঁধন হারা চল্ অমর সমরে, চল ভাঙি’ কারা জাগায়ে কাননে নব পথের ইশারা।। প্রাণ-স্রোতের ত্রিধারা বহায়ে তোরা ওরে চল! জোয়ার আনি, মরা নদীতে পাহাড় টলায়ে মাতোয়ারা।। ডাকে তোরে স্নেহভরে ‘ওরে ফিরে আয় ফিরে ঘরে’ তারে ভোল্ ওরে ভোল্ তোরা যে ঘর-ছাড়া।। তাজা প্রাণের মঞ্জুরি ফুটায়ে পথে তোরা চল্, রহে কে ভুলে ছেঁড়া পুঁথিতে তাদের পরানে দে রে সাড়া। রণ-মাদল আকাশে ঘন বাজে গুরু গুরু। আঁধার ঘরে কে আছে প’ড়ে তাহার দুয়ারে দে রে নাড়া।।
মার্চের সুর
তালঃ কাহার্বা (দ্রুতলয়)

চল্ চল্ চল্। চল্ চল্ চল্। ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল নিম্নে উতলা ধরণী-তল অরুণ প্রাতের তরুণ দল চল্ রে চল্ রে চল্ চল্ চল্ চল্।। ঊষার দুয়ারে হানি’ আঘাত আমরা আনিব রাঙা প্রভাত আমরা টুটাব তিমির রাত বাধার বিন্ধ্যাচল। নব নবীনের গাহিয়া গান সজীব করিব মহাশ্মাশান আমরা দানিব নূতন প্রাণ বাহুতে নবীন বল। চল্ রে নও জোয়ান শোন্ রে পাতিয়া কান মৃত্যু-তোরণ-দুয়ারে-দুয়ারে জীবনের আহবান। ভাঙ্ রে ভাঙ্ আগল চল্ রে চল্ রে চল্ চল্ চল্ চল্।।
মার্চের সুর
তালঃ ত্রিমাত্রিক ছন্দ
শিল্পীঃ আসিফ আকবর

চোখের বাঁধন খুলে দে মা খেলব না আর কানামাছি। আমি মার খেতে আর পারি না মা এবার বুড়ি ছুঁয়ে বাঁচি।। তুই পাবি অনেক মেয়ে ছেলে যাদের সাধ মেটেনি খেলে খেলে, তুই তাদের নিয়েই খেল না মা গো শ্রান্ত আমি রেহাই যাচি। দুঃখ-শোক-ঋণ-অভাব ব্যাধি মায়ার খেলুড়িরা মিলে, শত দিকে শত হাতে আঘাত হানে তিলে তিলে। চোর হয়ে মা আর কত দিন ঘুরব ভবে শান্তিবিহীন, তোর অভয় চরণ পাই না কেন মা তোর এত কাছে আছি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

চঞ্চল সুন্দর নন্দ্ কুমার গোপী চিতচোর প্রেম্ মনোহর নওল কিশোর। বাজতাহি মন্মে বাঁশুরি কি ঝন্কার, নন্দ্ কুমার নন্দ্ কুমার নন্দ্ কুমার।। শ্রবণ-আনন্দ্ বিছুয়া কি ছন্দ রুনুঝুনু বোলে নন্দ্কে আঙ্গ্নামে নন্দন চন্দ্রমা গোপাল বন্ ঝুমত্ ঝুমত্ ডোলে, ডগমগ ডোলে, রাঙ্গা পাঁউ বোলে লঘু হোকে বিরাট ধরতী কা ভার।। রূপ নেহারনে আয়ে লূকছুপ্ দেওতা কোই গোপ গোপী বনা কোই বৃকশ লতা, নদী হো বহে লাগে আনন্দ্কে আঁসু যমুনা জল সুঁ — প্রণতা প্রকৃতি নিরালা সাজোয়ে, পূজা কর্নে কো ফুল লিয়ে আয়ে বন্ডার।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায় আজিকে যে রাজাধিরাজ কা'ল সে ভিক্ষা চায়।। অবতার শ্রীরামচন্দ্র যে জানকীর পতি তারও হলো বনবাস রাবণ করে দুর্গতি। আগুনেও পুড়িল না ললাটের লেখা হায়।। স্বামী পঞ্চ পাণ্ডব, সখা কৃষ্ণ ভগবান দুঃশাসন করে তবু দ্রৌপদীর অপমান পুত্র তার হলো হত যদুপতি যার সহায়।। মহারাজ হরিশচন্দ্র, রাজ্য দান ক'রে শেষ শ্মশান-রক্ষী হয়ে লভিল চণ্ডাল-বেশ বিষ্ণু-বুকে চরণ-চিহ্ন, ললাট-লেখা কে খণ্ডায়।।
রাগঃ মান্দ
তালঃ কাহার্বা

চাঁদ হেরিছে চাঁদ–মুখ তার সরসীর আরশিতে। ছুটে তরঙ্গ বাসনা–ভঙ্গ সে অঙ্গ পরশিতে।। হেরিছে রজনী – রজনী জাগিয়া চকোর উতলা চাঁদের লাগিয়া, কাঁহা পিউ কাঁহা ডাকিছে পাপিয়া কুমুদীরে কাঁদাইতে।। না জানি সজনী কত সে রজনী কেঁদেছে চকোরী পাপিয়া, হেরেছে শশীরে সরসী–মুকুরে ভীরু ছায়া–তরু কাঁপিয়া। কেঁদেছে আকাশে চাঁদের ঘরণী চির–বিরহিণী রোহিণী ভরণী অবশ আকাশ বিবশা ধরণী কাঁদানীয়া চাঁদিনীতে।।
রাগঃ বাগেশ্রী
তালঃ কাওয়ালি
শিল্পীঃ আশা ভোঁসলে
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan