বাণী

শ্যাম-সুন্দর-গিরিধারী।
মানস মধু-বনে মধুমাধবী সুরে মুরলী বাজাও বনচারী।।
মধুরাতে হে হৃদয়েশ মাধবী চাঁদ হয়ে এসো,
হৃদয়ে তুলিও ভাবেরই উজান রস-যমুনা-বিহারী।।
অন্তর মন্দিরে প্রীতি ফুলশয্যায় বিলাস কর লীলা-বিলাসী,
আঁখির প্রদীপ জ্বালি' শিয়রে জাগিয়া রব শ্যাম, তব রূপ-পিয়াসি।
যত সাধ আশা গেল ঝরিয়া, পর তাই গলে মালা করিয়া;
নূপুর করিব তব চরণে গাঁথি' মম নয়নের বারি।।

বাণী

শক্তের তুই ভক্ত শ্যামা (তোরে) যায় না পাওয়া কেঁদে।
(তাই) শাক্ত সাধক রাখে তোরে ভক্তি-ডোরে বেঁধে।।
(মা) শাক্ত বড় শক্ত ছেলে
(সে) জানে দড়ি আলগা পেলে
যাবি পালিয়ে চোখে ধূলা দিয়ে মায়া জালে বেঁধে।।
(তুই) সুরাসুরে ভুলিয়ে রাখিস্‌ ইন্দ্রত্বের মোহে,
(ওমা) গুণের কিছু ঘাট নাই তোর নির্গুণ তাই কহে।
তোর মায়াতে ভুলে গিয়ে,
বিষ্ণু ঘুমান লক্ষী নিয়ে
(তোর) অন্ত খুঁজে শিব হয়েছেন ভবঘুরে বেদে।।

বাণী

শ্রীকৃষ্ণ নাম মোর জপ-মলা নিশিদিন শ্রীকৃষ্ণ নাম মোর ধ্যান।
শ্রীকৃষ্ণ বসন শ্রীকৃষ্ণ ভূষণ ধরম করম মোর জ্ঞান।।
শয়নে স্বপনে ঘুমে জাগরণে বিজড়িত শ্রীকৃষ্ণ নাম (মোর)
কৃষ্ণ আত্মা মম কৃষ্ণ প্রিয়তম ওই নাম দেহ মন প্রাণ।।
কৃষ্ণ নয়ন-ধার কৃষ্ণ গলার হার এ হৃদয় তাঁরি ব্রজধাম
ঐ নাম-কলঙ্ক ললাটে আঁকিয়া গো ত্যাজিয়াছি লাজ কুল মান।।

বাণী

শ্যামা নামের ভেলায় চ'ড়ে কাল-নদীতে দুলি।
ঘাটে ঘাটে ঘটে ঘটে (আমি) সুরের লহর তুলি।।
	কাল-তরঙ্গে ভাসিয়ে অঙ্গ,
	দেখে বেড়াই কত রঙ্গ,
কায়ায় কায়ায় রঙ-বেরঙের (ওরে) শত মায়ার ঠুলি।।
জন্মান্তর ঘাটে ঘাটে ভাসি উঠি ডুবি
মা নিশিদিন ডাকে আমায়, 'ওরে আয় আমারে ছুঁবি'।
	মোরে কাল-স্রোতে ভাসানের ছলে
	মা লীলা দেখান নাট-মহলে
ওই খেলার (ছলে) শেষে আপনি এসে (মা) বক্ষে নেবেন তুলি।।

বাণী

শহীদী ঈদগাহে দেখ্‌ আজ জমায়েত ভারি।
হবে দুনিয়াতে আবার ইসলামী ফর্‌মান জারি।।
তুরান ইরান হেজাজ মেসের হিন্দ মোরক্কো ইরাক,
হাতে হাত মিলিয়ে আজ দাঁড়ায়েছে সারি সারি।।
ছিল বেহোঁশ যারা আঁসু ও আফসোস ল’য়ে।
তুইও আয় এই জমাতে ভুলে যা’ দুনিয়াদারী।।
ছিল জিন্দানে যারা আজকে তারা জিন্দা হ’য়ে,
ছোটে ময়দানে দারাজ-দিল্‌ আজি শমশের ল’য়ে।
তকদির বদলেছে আজ উঠেছে তকবির তারি।।

বাণী

শ্রীকৃষ্ণ মুরারী গদাপদ্মধারী
মধুবন-চারী গিরিধারী ত্রিভুবন-বিহারী।।
	লীলা-বিলাসী গোলকবাসী
	রাধা তুলসী প্রেম-পিয়াসী
মহা বিরাট বিষ্ণু ভূ-ভার হরণকারী।।
	নব-নীরদ-কান্তি-শ্যাম
	চির কিশোর অভিরাম
রসঘন-আনন্দ-রূপ মাধব বনোয়ারী।।