
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

শ্রান্ত বাঁশরি সকরুণ সুরে কাঁদে যবে। কে এলে প্রদীপ ল’য়ে আঁধার ঘরে নীরবে।। গোধূলি লগনে এসে দাঁড়ালে বঁধুর বেশে, জীবনেরই বেলা শেষে হে প্রিয় এলে কি তবে।। যে হাতের মালা তব চেয়েছিনু, প্রিয়তম রাখ সেই হাতখানি তপ্ত ললাটে মম, তোমার পরশে মোর মরণ মধুর হবে।।
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল

শোন্ ও-সন্ধ্যা-মালতী, বালিকা তপতী বেলা শেষের বাঁশি বাজে, বাজে। শোনো মাধবী চাঁদের মধুর মিনতি উদাস আকাশ মাঝে।। তব মৌন ব্রত ভাঙ্গো কও কথা কও মোর নৃত্য আরতির সঙ্গিনী হও, মাধবী হেনা হের এলো বাহিরে — রসরাজে হেরি’ রাস-নৃত্যের সাজে।। তুমি যার লাগি’ সারাদিন, বিরহ ধ্যান-লীন একাকিনী কুঞ্জে। সুন্দর দাঁড়ায়ে তব দ্বারে আঁধারে মঞ্জরি-দীপ জ্বালো ডাকো তারে, বুকের চন্দন-সুরভি ঢালো — পাতার আঁচলে মুখ ঢেকো না লাজে।।
রাগঃ সন্ধ্যামালতী (নজরুল-সৃষ্ট)
তালঃ সেতারখানি

শ্যামে হারায়েছি বলে কাঁদি না বিশাখা হারায়েছি শ্যামের হৃদয় আমি তারি তরে কাঁদি গো সেই নিদয়ের তরে নয় তার হৃদয়ের তরে কাঁদি গো হারায়েছি শ্যামের হৃদয়। যে হৃদয় ছিল একা গোপিকার রাধিকার কুবুজা করেছে তারে জয়, সখি গো কুবুজা তারে কু বুঝায়েছে যে রাধা ছাড়া জানত না সই কুবুজা তারে কু বুঝায়েছে কুবুজা করেছে তারে জয়। কি হবে মথুরা গিয়া, হেরি সে হৃদয়হীন পাষাণ দেবতায় সে কিছুই দেবে না, দেবতাই বটে গো সে দেবতাই বটে গো পাষাণ খুঁজে না রাধা তার প্রিয় আনন্দঘন শ্যামরায় তোরা যেতে চাস যা লো — ঠাকুর দেখিতে তোরা যেতে চাস যা লো, সখি গো ধরম-করম মম তনু-মন-যৌবন সঁপিনু চরণে যার সে পর-পুরুষ, হ’ল আজি অপরার পুরুষ স্বভাব ভ্রমবার। সে ভ্রমরাই সমতুল ফুলে ফুলে ভ্রমে সে ভ্রমরাই সমতুল তারে, দেখলে ভ্রমে জাতিকুল, ভ্রমরাই সমতুল পুরুষ স্বভাব ভ্রমরার যা’র হরি ছাড়া বোধ নাই প্রবোধ দিস্নে তায়, সজনী সবারই পোহাবে নিশি, পোহাবে না রাধারই এ আঁধার রজনী॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

শ্যামা নামের ভেলায় চ'ড়ে কাল-নদীতে দুলি। ঘাটে ঘাটে ঘটে ঘটে (আমি) সুরের লহর তুলি।। কাল-তরঙ্গে ভাসিয়ে অঙ্গ, দেখে বেড়াই কত রঙ্গ, কায়ায় কায়ায় রঙ-বেরঙের (ওরে) শত মায়ার ঠুলি।। জন্মান্তর ঘাটে ঘাটে ভাসি উঠি ডুবি মা নিশিদিন ডাকে আমায়, 'ওরে আয় আমারে ছুঁবি'। মোরে কাল-স্রোতে ভাসানের ছলে মা লীলা দেখান নাট-মহলে ওই খেলার (ছলে) শেষে আপনি এসে (মা) বক্ষে নেবেন তুলি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

শান্ত হও, শিব, বিরহ-বিহ্বল চন্দ্রলেখায় বাঁধো জটাজুট পিঙ্গল।। ত্রি-বেদ যাহার দিব্য ত্রিনয়ন শুদ্ধ-জ্ঞান যা’র অঙ্গ-ভূষণ, সেই ধ্যানী শম্ভু — কেন শোক-উতল।। হে লীলা-সুন্দর, কোন্ লীলা লাগি’, কাঁদিয়া বেড়াও হ’য়ে বিরহী-বিবাগী। হে তরুণ যোগী, মরি ভয়ে ভয়ে কেন এ মায়ার খেলা মায়াতীত হ’য়ে, লয় হবে সৃষ্টি — তুমি হলে চঞ্চল।।
রাগঃ যোগিনী (নজরুল-সৃষ্ট)
তালঃ ত্রিতাল

শোক দিয়েছ তুমি হে নাথ তুমি এ প্রাণে শান্তি দাও। দুখ্ দিয়ে কাঁদালে যদি তুমি হে নাথ সে দুখ ভোলাও।। যে হাত দিয়ে হানলে আঘাত তুমিঅশ্রু মোছাও সেই হাতে নাথ বুকের মানিক হ’রলে যা’র — তারে তোমার শীতল বক্ষে নাও।। তোমার যে চরণ প্রলয় ঘটায় সেই চরণ কমল ফোটায় শূন্য করলে তুমি যে বুক সেথা তুমি এসে বুক জুড়াও।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan