Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকীতে কবির প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকীতে কবির প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকীতে কবির প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

এই শিকল পরা ছল

বাণী

এই		শিকল পরা ছল মোদের এ শিকল-পরা ছল।
এই 		শিকল পরেই শিকল তোদের করব রে বিকল।।
তোদের	বন্ধ কারায় আসা মোদের বন্দী হতে নয়,
ওরে 		ক্ষয় করতে আসা মোদের সবার বাঁধন–ভয়।
এই		বাঁধন প’রেই বাঁধন–ভয়কে কর্‌ব মোরা জয়,
এই		শিকল– বাঁধা পা নয় এ শিকল ভাঙা কল।।
তোমার	বন্ধ ঘরের বন্ধনীতে কর্‌ছ বিশ্ব গ্রাস,
আর 		ভয় দেখিয়েই ক’র্‌বে ভাবছ বিধির শক্তি হ্রাস
সেই 		ভয় দেখানো ভূতের মোরা ক’র্‌বো সর্বনাশ,
এবার		আন্‌বো মাভৈঃ বিজয়–মন্ত্র বল–হীনের বল।।
তোমরা	ভয় দেখিয়ে কর্‌ছ শাসন জয় দেখিয়ে নয়;
সেই		ভয়ের টুঁটি ধর্‌ব টিপে কর্‌ব তারে লয়।
মোরা 	আপনি ম’রে মরার দেশে আন্‌ব বরাভয়,
প’রে		ফাঁসি আন্‌ব হাসি মৃত্যু–জয়ের ফল।।
ওরে 		ক্রন্দন নয় বন্ধন এই শিকল–ঝঞ্ঝনা,
এ যে		মুক্তি–পথের অগ্রদূতের চরণ–বন্দনা!
এই		লাঞ্ছিতেরাই অত্যাচারকে হান্‌ছে লাঞ্ছনা,
মোদের	অশ্রু দিয়েই জ্ব’লবে দেশে আবার বজ্রানল।।

লীলা-চঞ্চল ছন্দ দোদুল চল-চরণা

বাণী

লীলা-চঞ্চল ছন্দ দোদুল চল-চরণা।
হেলে দুলে এলে কে গো গিরি-ঝরনা।।
দুলিয়ে জলের জরিন বেণী নাচো আনন্দে
রামধনুতে ওড়ে তব রাঙা ওড়না।।
বুলবুলিরে গান গাওয়াও, নাচাও ময়ূরে,
ফুল-ভূষণে সাজে কানন নিরাভরণা।।
চাহিয়া আছি তোমার পথে, শুনেছি নূপুর।
কবে মিলবে আমার প্রেম-পাথারে সাগর-শরণা।।

অনাদি কাল হতে অনন্তলোক

বাণী

অনাদি কাল হতে অনন্তলোক গাহে তোমারি জয়।
আকাশ–বাতাস রবি–গ্রহ তারা চাঁদ, হে প্রেমময়।।
সমুদ্র–কল্লোল নির্ঝর–কলতান –
হে বিরাট, তোমার উদার জয়গান;
ধ্যান গম্ভীর কত শত হিমালয় গাহে তোমারি জয়।।
তব নামের বাজায় বীণা বনের পল্লব
জনহীন প্রান্তর স্তব করে, নীরব।
সকল জাতির কোটি উপাসনালয় গাহে তোমারি জয়।।
আলোকের উল্লাসে, আঁধারের তন্দ্রায়
তব জয়গান বাজে অপরুপ মহিমায়,
কোটি যুগ–যুগান্ত সৃষ্টি প্রলয় গাহে তোমারি জয়।।

জয়-জগৎ-জননী ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর

বাণী

জয়-জগৎ-জননী, ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর বন্দিতা,
		জয় মা-ত্রিলোক তারিণী।
জয় আদ্যাশক্তি পরমেশ্বরী নন্দন-লোক-নন্দিতা
			জয় দুর্গতিহারিণী।।
তোমাতে সর্বজীবের বসতি, সর্বাশ্রয় তুমি মা,
জয় হয় সব বন্ধন পাপ-তাপ তব পদ চুমি’ মা।
তুমি শাশ্বতী, সৃষ্টি-স্থিতি, তুমি মা প্রলয়কারিণী।।
তুমি মা শ্রদ্ধা, প্রেম, ভক্তি তুমি কল্যাণ সিদ্ধি
ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ তুমি তিন-জন ঋদ্ধি,
জয় বরাভয়া ত্রিগুণময়ী দশ-প্রহরণ-ধারিণী।।

নাটক : ‘বিদ্যাপতি’ (স্তব)

শা আর শুড়ি মিলে শাশুড়ি

বাণী

শা আর শুড়ি মিলে শাশুড়ি কি হয় গো।
শ্যাম প্রেমে বাধা দেয় স্বামী তারে কয় গো।।
নয় নদী মিলে হয় ননদিনী দজ্জাল,
জুতো জামা-ই সার যার-জামাই সে মহাকাল,
যার কসুর হয় না সে কে? — শ্বশুর মহাশয় গো।।
(সে) ভাদ্দর-বউ, (যার) ভাদ্দর মাসে বিয়ে,
দেবর সে জন — বর যে দেয় দাদারে দিয়ে।
ভাসুর সে, অসুরের মত যারে ভয় গো।।
বেহায়া চশম-খোর, তারে কি বেহাই কই,
পিসিয়া মারেন বলে তারে (তাই) কি পিসি কই,
সকলেরই ভাগ নেয় সে, ভাগ্‌নেরই জয় গো।।

তুমি আমার সকাল বেলার সুর

বাণী

তুমি আমার সকাল বেলার সুর
হৃদয় অলস–উদাস–করা অশ্রু ভারাতুর।।
ভোরের তারার মত তোমার সজল চাওয়ায়,
ভালোবাসার চেয়ে সে যে কান্না পাওয়ায়
রাত্রি–শেষের চাঁদ তুমি গো বিদায়–বিধুর।।
তুমি আমার ভোরের ঝরা ফুল
শিশির–নাওয়া শুভ্র–শুচি পূজারিণীর তুল।
অরুণ তুমি, তরুণ তুমি, করুণ তারো চেয়ে
হাসির দেশে তুমি যেন বিষাদ–লোকের মেয়ে
তুমিইন্দ্র–সভার মৌন–বীণা নীরব নূপুর।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan