
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

আমারে চোখ ইশারায় ডাক দিলে হায় কে গো দরদি। খুলে দাও রং মহলার তিমির-দুয়ার ডাকিলে যদি।। গোপনে চৈতী হাওয়ায় গুল্-বাগিচায় পাঠালে লিপি, দেখে তাই ডাক্ছে ডালে কু কু ব’লে কোয়েলা ননদী।। পাঠালে ঘূর্ণি-দূতী ঝড়-কপোতী বৈশাখে সখি বরষায় সেই ভরসায় মোর পানে চায় জল-ভরা নদী।। তোমারি অশ্রু ঝলে শিউলি তলে সিক্ত শরতে, হিমানীর পরশ বুলাও ঘুম ভেঙে দাও দ্বার যদি রোধি।। পউষের শূন্য মাঠে একলা বাটে চাও বিরহিণী, দুঁহু হায় চাই বিষাদে, মধ্যে কাঁদে তৃষ্ণা-জলধি।। ভিড়ে যা ভোর-বাতাসে ফুল-সুবাসে রে ভোমর কবি ঊষসীর শিশ্-মহলে আস্তে যদি চাস্ নিরবধি।।
রাগঃ জৌনপুরী-আশাবরি
তালঃ কাহার্বা

কিশোরী সাধিকা রাধিকা শ্রীমতী। চির-কিশোর আরাধিকা শ্রীমতী।। কমলা গোলোকে গোপিনী ভুলোকে, সেবিকা প্রকৃতি পরমা তপতী।। শ্যাম ভুবন কালো রাই অরুণ আলো, হরি পূজারিণী প্রেম মূর্তিমতী।। ব্রজধাম বাসিনী লীলা বিলাসিনী, শ্যাম নাম ভাষিণী বিরহ ভারতী।। শ্যাম মেঘ গলে রাই বিজলি দোলে, শ্যাম পত্র কোলে রাই ফুল আরতি।। লয়ে যাঁহার নাম হরি হন রাধা শ্যাম, সুর নর অবিরাম করে যাঁর প্রণতি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

পথে পথে কে বাজিয়ে চলে বাঁশি হ’ল বিশ্ব-রাধা ঐ সুরে উদাসী।। শুনে ঐ রাখালের বেণু আসে ছুটে আলোক-ধেনু, ঐ নীল গগনে রাঙা মেঘে ওড়ে গো-খুর রেণু, ওসে শ্যাম-পিয়ারী গোপ-ঝিয়ারি গ্রহ তারার রাশি।। সেই বাঁশির অন্বেষণে যত মন-বধু যায় বনে, তাদের প্রেম যমুনায় বান ডেকে যায় কুল খোয়ায় গোপনে। তারা রাস দেউলে রসের বাউল আনন্দ-ব্রজবাসী।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ও কালো বউ! জল আনিতে যেয়ো না আর বাজিয়ে মল। তোমায় দেখে শিউরে ওঠে কাজ্লা দীঘির কালো জল। ওগো কাজ্লা দীঘির কালো জল।। দেখে তোমার কালো আঁখি কালো কোকিল ওঠে ডাকি’ তোমার চোখের কাজল মাখি’ হয় সজল ঐ মেঘ-দল ওগো হয় সজল ঐ মেঘ-দল।। তোমার কালো রূপের মায়া দুপুর রোদে শীতল ছায়া কচি অশথ্ পাতায় টলে ঐ কালো রূপ টলমল।। ভাদর মাসের ভরা ঝিলে তোমার রূপের আদর মিলে গো — তোমার তনুর নিবিড় নীলে আকাশ করে টলমল। ঐ আকাশ করে টলমল।।
রাগঃ পাহাড়ি
তালঃ কাহার্বা

সাম্যের গান গাই- আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই! পুরুষ-হৃদয়হীন, মানুষ করিতে নারী দিল তারে আধেক হৃদয় ঋণ। ধরায় যাদের যশ ধরে না ক’ অমর মহামানব, বরষে বরষে যাদের স্মরণে, করি মোরা উৎসব, খেয়ালের বশে তাদের জম্ম দিয়াছে বিলাসী পিতা। লব-কুশে বনে ত্যাজিয়াছে রাম, পালন করেছে সীতা! নারী সে শিখাল শিশু-পুরুষেরে, স্নেহ প্রেম, দয়া মায়া, দীপ্ত নয়নে পরল কাজল বেদনার ঘন ছায়া। সে-যুগ হয়েছে বাসি, যে যুগে পুরুষ দাস ছিল না ক’, নারীরা আছিল দাসী! বেদনার যুগ, মানুষের যুগ, সাম্যর যুগ আজি, কেহ রহিবেনা বন্দী কাহারও, উঠিছে ডঙ্কা বাজি’! নর যদি রাখে নারীরে বন্দী, তবে এর পর যুগে আপনারি রচা ঐ কারাগারে পুরুষ মরিবে ভুগে। যুগের ধর্ম এই- পীড়ন করিলে সে পীড়ন এসে পীড়া দেবে তোমাকেই! স্বর্ণ-রৌপ্য অলঙ্কারের যক্ষপুরিতে নারী করিল তোমায় বন্দিনী, বল, কোন্ সে অত্যাচারী? যে ঘোম্টা তোমা করিয়াছে ভীরু, উড়াও সে আবরণ! দূর ক’রে দাও দাসীর চিহ্ন যেথা যত আভরণ! কখন আসিল “প্লুটো” যমরাজা নিশিথ পাখায় উড়ে, ধরিয়া তোমায় পুড়িল তাহার আঁধার বিবর-পুরে! ভেঙ্গে যম্পুরী নাগিনীর মত আয় মা পাতাল ফুঁড়ি’। আধাঁরে তোমায় পথ দেখাবে মা তোমারি ভগ্ন চুড়ি! পুরুষ যমের ক্ষুধার কুকুর মুক্ত ও-পদাঘাতে লুটায়ে পড়িবে ও-চরণ-তলে দলিত যমের সাথে! সেদিন সুদূর নয়- যে দিন ধরণী পুরুষের সাথে গাহিবে নারীরও জয়।
কবিতাঃ নারী (দ্বিতীয় খন্ড)
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

ওরে আজ ভারতের নব যাত্রা পথের বাঁশি বাজলো, বাজলো বাঁশি ফেলে তরুর ছায়া ভুলে ঘরের মায়া এলো তরুণ পথিক ছুটে রাশি রাশি॥ তারা আকাশকে আজ চাহে লুটে নিতে তারা মন্থর ধরায় চাহে দুলিয়ে দিতে তারা তরুণ তরুণ প্রাণ জাগায় মৃতে সাহস জাগায় চিতে তাদের অট্টহাসি॥ মোরা প্রাচীরের পরে রে প্রাচীর তুলে ভাই হয়ে ভাইকে হায় ছিলাম ভুলে। আজ ভেঙে প্রাচীর হল ঘরের বাহির একই অঙ্গনে দাঁড়ালো উন্নত শির এলো মুক্ত গগন তলে প্রাণ পিয়াসি এলো তরুণ পথিক ছুটে রাশি রাশি॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan