
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

কত ফুল তুমি পথে ফেলে দাও (প্রিয়) মালা গাঁথ অকারনে আমি চয়েছিনু একটি কুসুম সেই কথা পড়ে মনে।। তব ফুলবনে কত ছায়া দোলে জুড়াইতে চেয়েছিনু তারি তলে চাহিলে না ফিরে চলে গেলে ধীরে ছায়া-ঢাকা অঙ্গনে।। অঞ্জলি পাতি' চেয়েছিনু, তব ভরা ঘটে ছিল বারি শুষ্ক-কন্ঠে ফিরিয়া আসিনু পিপাসিত পথচারী। বহুদিন পরে দাঁড়াইনু এসে তোমারি দুয়ারে উদাসীন বেশে শুকানো মালিকা কেন দিলে তুমি তব ভিক্ষার সনে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ওরে বাবা! এর নাম নাকি পূজা! (রে ভাই)। (এই) পূজার ঠ্যালা সইতে সোজা মানুষ হয় যে কুঁজা। ষষ্ঠীর কৃপায় দশটি মেয়ে রাবণের গুষ্টি সঙ্গে আঁচিলের মতন এঁটুলির মতন নেপটে আছেন অঙ্গে। এরা ছাড়ে না, — তবু আঁচিল ছাড়ে খেলে হোমিওপ্যাথিক থুজা।। বেনারসি, ঢাকাই, রেশমি তসর, এণ্ডি, মট্কা বইতে বইতে গা দিয়ে দাদা ঘাম ছুটে যায় বোঁট্কা। (এই) চাওয়ার ভয়ে শিব ন্যাংটা, কথা কন্ না দশভুজা।। গিন্নি কন্যে হন্যে হয়ে সদাই সওদা করে (ওরা ভাবে) ব্যাঙ্কের টাকা যেন ট্যাঙ্কের জলের মতন ঝরঝর ক’রে ঝরে তাদের এক গোঁ থিয়েটার, সিনেমা, এসেন্স, পাউডার খুঁজা।। এ সব যদি জুটল, তবে যেতে হবে চেঞ্জে শালা শালী সবাই এক জোটে বলে এবার ‘সস্তায় ট্রেন যে,’ ও বোনাই। (না গেলে) দেখব সদাই গিন্নীর কুতুরে চক্ষু কেৎরে-বুঁজা।। সবাই যেন শ্রীদুর্গার গুষ্টি, আমি যেন বাহন সিঙ্গি, আসছে বছর পূজায় মাগো হব আমি ফিরিঙ্গি। জয় বাবা যীশুখ্রিস্টের জয় (এই পূজার সময়) পিতা হওয়ার চেয়ে হাড়িকাঠের পাঁঠা হওয়া সোজা।।
‘পূজার ঠ্যালা’
রাগঃ
তালঃ

বনে চলে বনমালী বনমালা দুলায়ে। তমালে কাজল-মেঘে শ্যাম-তুলি বুলায়ে।। ললিত মধুর ঠামে কভু চলে কভু থামে, চাঁচর চিকুরে বামে — শিখি-পাখা ঢুলায়ে।। ডাকিছে রাখাল-দলে ‘আয় রে কানাই’ ব’লে, ডাকে রাধা তরুতলে — ঝুলনিয়া ঝুলায়ে।। যমুনার তীর ধরি’ চলিছে কিশোর হরি, বাজে বাঁশের বাঁশরি — ব্রজনারী ভুলায়ে।।
রাগঃ কাফি
তালঃ

ঘুম : আমারে ভাসালে অসীম আকাশে তোমারে ভাসানু জলে। স্বপন : মাটির মানুষ বোঝে না বেদনা, বুঝিত দেবতা হলে।। ঘুম : ওগো সুন্দর তুমি ত জানো না ভালোবাসার কি নিবিড় বেদনা, স্বপন : জান না ত আমি কাঁদি কত তোমারে কাঁদাই ব’লে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরী স্বপনপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
[ছ্যারা রারা রারা রারা হোলি হ্যায়] নিয়ে কাদা মাটির তাল খেলে হোরি ভূতের পাল। নর্দমা হতে ছিটায় কর্দম হর্দম ‘কাহার’ চাঁড়াল।। দুই পাশের পথিকের গায়, কাদা ছিটিয়ে মোটর যায়, নল দিয়ে ঐ জল ছিটায় ফুটপাথে উড়িয়া-দুলাল।। হুরর গুয়ে গ্যাঁদাল ঘেঁটুর চারা, যা চলে যা ছাপরা আরা, নিয়ে আয় বৃন্দাবনের হোলির কাদা, মূলতানী বলদের নাদা। ছ্যারা রারা রারা রারা ছ্যারা রারা রারা রারা, ডাল রুটি রুটি ডাল ডাল রুটি রুটি ডাল রুটি ডাল রুটি ডাল ডাল, রুটি ডাল রুটি ডাল ডাল মেখে চুকে মেখে চুকে গো-চোনারই গোলাপ জল ছিটায় ভাগলপুরী গাই। ঝি ঢেলে দেয় ছাত থেকে গোবর-গোলা আকার ছাই। দেয় ফেলে পিকদানীর পিচ কাপড় চোপড় লালে লাল।। [হোলি হ্যায় হোলি] ভুঁড়িতে ফুঁড়িছে ডাক্তার পিচকারিতে হোলি হ্যায়! টক্কর খেয়ে উল্টে পড়ে ময়লা গাড়ি হোলি হ্যায়! ষাঁড়ের গুঁতোয় পড়ে খানায় খেলে হোরি পাঁড় মাতাল।। [কি ব্যাপার রাই মাছের চপ হয়ে গেছি বাবা!]
‘হোরির হর্রা’
রাগঃ
তালঃ খচ্মচী

মেঘের ডমরু ঘন বাজে। বিজলি চমকায় আমার বনছায়, মনের ময়ূর যেন সাজে॥ সঘন শ্রাবণ গগন-তলে রিমি ঝিমি ঝিম্ নবধারা জলে, চরণ-ধ্বনি বাজায় কে সে — নয়ন লুটায় তারি লাজে॥ ওড়ে গগন-তলে গানের বলাকা, শিহরণ জাগে উজ্জ্বল পাখা। সুদূরের মেঘে অলকার পানে ভেসে চ’লে যায় শ্রাবণের গানে, কাহার ঠিকানা খুঁজিয়া বেড়ায় — হৃদয়ে কার স্মৃতি রাজে॥
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan