
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

বিদেশিনী বিদেশিনী চিনি চিনি ঐ চরণের নূপুর রিনিঝিনি॥ দীপ জেগে ওঠে পাথার জলে তোমার চরণ-ছন্দে, নাচে গাঙচিল সিন্ধু-কপোত তোমারি সুরে আনন্দে। মুকুতা কাঁদিছে হার্ হ’তে ওগো তোমার বেণীর বন্ধে। মলয়ে শুনেছি তোমার বলয় চুড়ির রিনিঠিনি॥ সাগর-সলিল হয়েছে সুনীল তোমার তনুর বর্ণে, তোমার আঁখির আলো ঝলমল দেবদারু তরু-পর্ণে। অস্ত-তপন হয়েছে রঙিন তোমার হাসির স্বর্ণে শঙ্খ-ধবল বেলাভূমে খেল সাগর-নটিনী॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও দাদ্রা)

একদা সব সুরাসুরের খেয়াল হল দাদা। সমুদ্রেরে ঘেঁটে ঘুঁটে করতে হবে দধিকাদা।। দেখেছ তো গয়লানিরা যে-ভাবে দুই মথে। (তেমনি) সাগরকে সব ঘুঁটেছিলেন মন্দার পর্বতে।। (অর্থাৎ) মন্দার গিরি হয়েছিল দই ঘুঁটবার কাঠি।। আর কূর্ম হলেন সমুদ্ররূপ দই রাখবার বাটি।। কাঠি এলো, বাটি এলো, দড়া কোথায় পান। (সবে) বাসুকীর শ্রী-লেজুড় ধ’রে মারেন হেঁচ্কা টান।। বাসুকী কয় ল্যাজ ছাড়ো বাপ গ্যাজ উঠল মুখে। বাসুকীকে করল দড়া দেবতারা সব রুখে।। ল্যাজ ধরল দেবতা, অসুর দানব ধরে মুড়ো। সাগর বলে আস্তে বাবা একি প্রলয় হুড়ো।। যা আছে মোর বের করছি — ঘাঁটিস্নে আর পেট।। উচ্চৈঃশ্রবা, চন্দ্র, লক্ষ্মী — সব দিচ্ছি ভেট।। (ক্রমে) অমৃত যেই উঠল অমনি লাগলো গুঁতোগুঁতি। দৈত্যেরা সব কোপ্নি আঁটে দেবতা কষেন ধুতি।। মাঝে থেকে শ্রীবিষ্ণু মোহিনী রূপ ধ’রে। ছোঁ মেরে সেই সুধার ভাণ্ড নিয়ে পড়লেন স’রে।। অমৃত খান দেবতারা সব, অসুর মাটি চাটে। (যেমন) দোহন শেষে দুগ্ধ খোঁজে বাছুর শুকনো বাঁটে।। (ক্রম) ঘটর ঘটর ঘোঁটার ঠেলায় উঠলো হলাহল। ত্রাহি ত্রাহি বলে ত্রিলোক, করে কোলাহল।। বিষের জ্বালায় সৃষ্টি বুঝি পটল তোলে ওই। সিদ্ধিখোর শ্রীপিশাচপতি কয় ডেকে মাভৈঃ।। ছুটে এসে পাগ্লা ভাঙোড় এক সুমুদ্দুর বিষ। ঢক ঢকিয়ে ফেললে গিলে গা করে নিস্পিস্।। বলদে যে বেড়ায় চ’ড়ে ছাই পাঁশ গায়ে মাখে। তাকে ছাড়া চতুর দেবতা বিষ দেবে বল কাকে।। ফুলের মধ্যে ধুতরো নিলেন মশান যাহার ঘর। (পোড়া) কপালে তার আগুন জ্বলে — জয় ন্যাংটেশ্বর।।
নাটক : ‘সতী’ (মন্মথ রায়-রচিত)
রাগঃ
তালঃ
(তুমি) যে-হার দিলে ভালোবেসে সে-হার আমার হ’ল ফাঁসি। (প্রিয়) সেই হার আজ বক্ষে চেপে আকুল নয়ন-জলে ভাসি।। তুমি জান অন্তর্যামী দান তো তোমার চাইনি আমি, তোমায় শুধু চেয়েছিলাম১ সাধ ছিল মোর হ’তে দাসী।। দুখের মালা কেড়ে নিয়ে কেন দিলে মতির মালা, মালায় শীতল হবে কি নাথ! শূন্য আমার বুকের জ্বালা? (মোরে) রেখো না আর সোনার রথে ডাকো তোমার তীর্থ-পথে, (আমার) সুখের ঘরে আগুন জ্বালো শোনাও বাঁশি সর্বনাশী।।
১. চেয়েছিলাম তোমায় স্বামী
রাগঃ
তালঃ
পরজনমে যদি আসি এ ধরায়। ক্ষণিক বসন্ত যেন না ফুরায়॥ মিলনে নাহি যেন রহে অবসাদ১ ক্ষয় নাহি হয় যেন চৈতালি-চাঁদ, কণ্ঠ-লগ্ন মোর প্রিয়ার বাহু খুলিয়া২ না পড়ে যেন, নিশি না পোহায়॥ বাসি নাহি হয় যেন রাতের মালা, ভরা থাকে যৌবন-রস-পেয়ালা। জীবনে না রহে যেন মরণ-স্মৃতি পুরাতন নাহি হয় প্রেম-প্রীতি, রবে অভিমান রহিবে না বিরহ, ফিরে যেন আসে প্রিয়া মাগিয়া বিদায়॥
১. মিলনে যেন নাহি আসে অবসাদ, ২. ঢলিয়া
রাগঃ মিশ্র বাগেশ্রী-খাম্বাজ
তালঃ কাহার্বা

পলাশ ফুলের গেলাস ভরি’ পিয়াব অমিয়া তোমারে প্রিয়া চাঁদিনী রাতের চাঁদোয়া তলে বুকের আঁচল দিব পাতিয়া।। নয়ন-মণির মুকুরে তোমার দুলিবে আমার সজল ছবি সবুজ ঘাসের শিশির ছানি মুকুতা মালিকা দিব গাঁথিয়া।। ফিরোজা আকাশ আবেশে ঝিমায় দীঘির বুকে কমল ঘুমায় নীরব যখন পাখির কূজন আমরা দু’জন রব জাগিয়া।।
রাগঃ পলাশী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ মাহমুদ বিল্লাহ

সাঁঝের পাখিরা ফিরিল কুলায় তুমি ফিরিলে না ঘরে, আঁধার ভবন জ্বলেনি প্রদীপ মন যে কেমন করে।। উঠানে শূন্য কলসির কাছে সারাদিন ধরে ঝ’রে প’ড়ে আছে তোমার দোপাটি গাঁদা ফুলগুলি যেন অভিমান ভরে।। বাসন্তী রাঙা শাড়িখানি তব ধূলায় লুটায় কেঁদে, তোমার কেশের কাঁটাগুলি বুকে স্মৃতির সমান বেঁধে। যাইনি বাহিরে আজ সারাদিন ঝরিছে বাদল শ্রান্তিবিহীন পিয়া পিয়া ব’লে ডাকিছে পাপিয়া এ বুকের পিঞ্জরে।।
রাগঃ মিশ্র বারোয়াঁ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ অনুপ ঘোষাল

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan