
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

ঘুম পাড়ানি মাসিপিসি ঘুম দিয়ে যেয়ো, বাটা ভ’রে পান দেবো গাল ভ’রে খেয়ো। ঘুম আয় রে, ঘুম আয় ঘুম।। ঘুম আয় রে, দুষ্টু খোকায় ছুঁয়ে যা চোখের পাতা লজ্জাবতী লতার মত নুয়ে যা, ঘুম আয় রে, ঘুম আয় ঘুম।। মেঘের মশারিতে রাতের চাঁদ পড়ল ঘুমিয়ে, খোকার চোখের পাপড়ি পড়ুক ঘুমে ঝিমিয়ে। শুশুনি শাক খাওয়াব, ঘুম পাড়ানি আয় ঝিঁঝিঁ পোকার নূপুর খোল, খোকা ঘুম যায়, ঘুম আয় রে, ঘুম আয় ঘুম।।
চলচ্চিত্র : ‘চৌরঙ্গী’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

তৃষিত আকাশ কাঁপে রে। প্রখর রবির তাপে রে।। চাহিয়া তৃষ্ণার বারি চাতক ওঠে ফুকারি’ করুণ-শান্ত বিলাপে রে।। রুদ্রযোগী ও-কে দূর বিমানে, নিমগ্ন রহিয়াছে যেন ধ্যানে। শকুন্তলা সম ভয়ে কাঁপে ধরা র’য়ে র’য়ে, অগ্নি-ঋষির অভিশাপ রে।।
রাগঃ বৃন্দাবনী সারং
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ লীনা তাপসী

জাগো কৃষ্ণকলি, জাগো কৃষ্ণকলি। মধুকরের মিনতি মানো, ডাকে জাগো বলি’, বিহগ-কাকলি।। তব দ্বারে বারে বারে মন-উদাসী ভোরের হাওয়া এসে বাজায় বাঁশি, ফিরে গেল ভ্রমরা মউ-পিয়াসি — অযথা বিতানে কানে কথা বলি।। হের হাতের তার ফুলঝুরি ফেলে’ ধূলায় উদাসী বসন্ত মাগে বিদায়, দীরঘ-শ্বাস ফেলি’ ঝরা পাতায়। চাহে রঙিন ঊষা তব রঙের আভাস তব লাল আভায় লজ্জা পায় হিঙুল পলাশ। এলো কোকিল তোমার রঙে খেল্তে হোলি।।
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ আড়খেম্টা

হে পার্থসারথি! বাজাও বাজাও পাঞ্চজন্য শঙ্খ চিত্তের অবসাদ দূর কর কর দূর ভয়–ভীত জনে কর হে নিঃশঙ্ক।। ধনুকে টঙ্কার হানো হানো, গীতার মন্ত্রে জীবন দানো; ভোলাও ভোলাও মৃত্যু–আতঙ্ক।। মৃত্যু জীবনের শেষ নহে নহে — শোনাও শোনাও — অনন্ত কাল ধরি’ অনন্ত জীবন প্রবাহ বহে। দুর্মদ দুরন্ত যৌবন–চঞ্চল ছাড়িয়া আসুক মা’র স্নেহ–অঞ্চল; বীর সন্তানদল করুক সুশোভিত মাতৃ–অঙ্ক।।
রাগঃ শিবরঞ্জনী
তালঃ কাহার্বা

আমারে চোখ ইশারায় ডাক দিলে হায় কে গো দরদি। খুলে দাও রং মহলার তিমির-দুয়ার ডাকিলে যদি।। গোপনে চৈতী হাওয়ায় গুল্-বাগিচায় পাঠালে লিপি, দেখে তাই ডাক্ছে ডালে কু কু ব’লে কোয়েলা ননদী।। পাঠালে ঘূর্ণি-দূতী ঝড়-কপোতী বৈশাখে সখি বরষায় সেই ভরসায় মোর পানে চায় জল-ভরা নদী।। তোমারি অশ্রু ঝলে শিউলি তলে সিক্ত শরতে, হিমানীর পরশ বুলাও ঘুম ভেঙে দাও দ্বার যদি রোধি।। পউষের শূন্য মাঠে একলা বাটে চাও বিরহিণী, দুঁহু হায় চাই বিষাদে, মধ্যে কাঁদে তৃষ্ণা-জলধি।। ভিড়ে যা ভোর-বাতাসে ফুল-সুবাসে রে ভোমর কবি ঊষসীর শিশ্-মহলে আস্তে যদি চাস্ নিরবধি।।
রাগঃ জৌনপুরী-আশাবরি
তালঃ কাহার্বা

পুরুষ : আমি আল্লার ডাকে ছুটে যাই যবে তুমি মোনাজাত কর গো নীরবে, স্ত্রী : তুমি যে খোদার দেওয়া সওগাত মম বেহেশ্তের সাথি।। পুরুষ : তুমি হেরেমের বন্দিনী নহ তুমি যে ঘরের বাতি। স্ত্রী : তুমি যে ঈদের চাঁদ! তব তরে জাগিয়া কাটাই রাতি।। পুরুষ : তুমি নারী আগে আনিলে ঈমান দ্বীন ইসলাম ‘পরে, স্ত্রী : তুমি যে বিজয়ী খোদার রহম আনিয়াছ জয় ক’রে! পুরুস : আজি দুর্বল মোরা তোমারে ত্যজিয়া স্ত্রী : দাঁড়াইব পাশে উঠহ জাগিয়া, উভয়ে : হাতে হাত ধরি’ চলি যদি মোরা জাগিবে নূতন জাতি — দুনিয়া আবার উঠিবে মাতি’।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan