বাণী

আয় রণজয়ী পাহাড়ি দল
শক্তি-মাতাল বুনো পাগল
থৈ থৈ তা তা থৈ থৈ
নেচে আয় রে দৃপ্ত পায়।
গিরি দরি বন ভাসায় যেমন পার্বতীয়া ঝর্নাজল।
আন তীর ধনু বর্শা হান্ বাজা রে শিঙ্গা বাজা মাদল।।

নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’

বাণী

		নয়ন মুদিল কুমুদিনী হায়!
		তাহার ধ্যানের চাঁদ ডুবে যায়।।
		ভরিল সরসী তা’রি আঁখি-জলে
		ঢলিয়া পড়িল পল্লব-তলে,
অকরুণ নিষাদের তীর সম অরুণ-কিরণ বেঁধে এসে গায়।।
		কপোলের শিশির অভিমানে শুকালো,
		পাপড়ির আড়ালে পরাগ লুকাল।
		সরসীর জলে পড়ে আকাশের ছায়া
		নাই সেথা তারা-দল, চাঁদের মায়া,
জলে ডুবে মেটে না প্রাণের তৃষা হৃদয়ের মধু তার হৃদয়ে শুকায়।।

বাণী

অরুণ কিরণ সুধা-স্রোতে, ভাসাও প্রভু মোরে।
গ্লানি পাপ তাপ মলিনতা, যাক ধুয়ে চিরতরে।।
প্রশান্ত স্নিগ্ধ তব হাসি, ঝরুক অশান্তি প্রাণে বুকে১
প্রভাত আলোর ধারা, যেমন ঝরে সব ঘরে।।
যেমন বিহগেরা জাগি ভোরে, আলোর নেশার ঘোরে
আকাশ পানে ..., বন্দে প্রেম-মনোহরে২।।

১. পান্ডুলিপিতে পরিবর্ত লাইন হিসেবে ‘সবারে আজ যেন ভালোবাসি’ লেখা আছে।
২. পান্ডুলিপিতে গানটির সঙ্গে কবি-কৃত স্বরলিপি আছে।

বাণী

দোলে ঝুলন দোলায় দোলে নওল কিশোর গিরিধারী হরষে।।
মৃদঙ্গ বাজে নভোচারী মেঘে বারিধারা রুমু ঝুমু বরষে।।
	নাচে ময়ুর নাচে কুরঙ্গ
	কাজরি গাহে বন বিহঙ্গ
যমুনা-জলে বাজে জলতরঙ্গ শ্যামসুন্দর রূপ দরশে।।

বাণী

	এলো আবার ঈদ ফিরে এলো আবার ঈদ, চলো ঈদগাহে।
	যাহার আশায় চোখে মোদের ছিল না রে নিদ, চলো ঈদ্গাহে।।
	শিয়া সুন্নী, লা-মজহাবী একই জামাতে
	এই ঈদ মোবারকে মিলিবে এক সাথে,
	ভাই পাবে ভাইকে বুকে, হাত মিলাবে হাতে;
আজ	এক আকাশের নীচে মোদের একই সে মসজিদ, চলো ঈদগাহে।।
	ঈদ এনেছে দুনিয়াতে শিরণী বেহেশ্‌তী,
	দুশ্‌মনে আজ গলায় ধ'রে পাতাব ভাই দোস্তী,
	জাকাত দেব ভোগ-বিলাস আজ গোস্‌সা ও বদ্‌মস্তি;
	প্রাণের তশ্‌তরীতে ভ'রে বিলাব তৌহীদ — চলো ঈদ্গাহে।।
	আজিকার এই ঈদের খুশি বিলাব সকলে,
	আজের মত সবার সাথে মিল্‌ব গলে গলে,
	আজের মত জীবন-পথে চলব দলে দলে
	প্রীতি দিয়ে বিশ্ব-নিখিল ক'রব রে মুরীদ্ — চলো ঈদগাহে।।

বাণী

বাঁশি কে বাজায় বনে আমি চিনি আমি চিনি,
কলসে কাঁকন চুড়ি তাল দিয়ে কয় গো রিনিঝিনি।
			আমি চিনি আমি চিনি।।
বুঝি গো বন পাপিয়া তারেই দেখে
‘চোখ গেল, চোখ গেল’ বলে উঠে ডেকে।
ও বাঁশি বাজলে ‘জলে যাসনে’, (ও বৌ যাস্‌নে)
বলে ‘ননদিনী’ ‘ননদিনী’।আমি চিনি আমি চিনি।।
মোর সেই বাঁশুরিয়ায় চেনে পাড়ার পড়শিরা
চেনে তায় যায় যমুনায় গো যত প্রেমের গরবীরা।
সে যে মোর ঘর জ্বালানো পর ভুলানো
আমার কালো বরণ গো, তমালের ডাল দুলানো।
মন কয় আমায় নিয়ে গো সেই ত খেলে ছিনিমিনি।।