
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

ওরে আজ ভারতের নব যাত্রা পথের বাঁশি বাজলো, বাজলো বাঁশি ফেলে তরুর ছায়া ভুলে ঘরের মায়া এলো তরুণ পথিক ছুটে রাশি রাশি॥ তারা আকাশকে আজ চাহে লুটে নিতে তারা মন্থর ধরায় চাহে দুলিয়ে দিতে তারা তরুণ তরুণ প্রাণ জাগায় মৃতে সাহস জাগায় চিতে তাদের অট্টহাসি॥ মোরা প্রাচীরের পরে রে প্রাচীর তুলে ভাই হয়ে ভাইকে হায় ছিলাম ভুলে। আজ ভেঙে প্রাচীর হল ঘরের বাহির একই অঙ্গনে দাঁড়ালো উন্নত শির এলো মুক্ত গগন তলে প্রাণ পিয়াসি এলো তরুণ পথিক ছুটে রাশি রাশি॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত-জালিয়াৎ খেলছ জুয়া! ছুঁলেই তোর জাত যাবে? জাত ছেলের হাতের নয়তো মোয়া।। হুঁকোর জল আর ভাতের হাঁড়ি — ভাব্লি এতেই জাতির জান, তাইত বেকুব, করলি তোরা এক জাতিকে একশ’-খান। এখন দেখিস ভারত জোড়া পঁচে আছিস বাসি মড়া, মানুষ নাই আজ, আছে শুধু জাত-শেয়ালের হুক্কাহুয়া।। জানিস নাকি ধর্ম সে যে বর্ম সম সহন-শীল, তাকে কি ভাই ভাঙ্তে পারে ছোঁয়া ছুঁয়ির ছোট্ট ঢিল! যে জাত-ধর্ম ঠুন্কো এত, আজ নয় কা’ল ভাঙবে সে ত, যাক্ না সে জাত জাহান্নামে, রইবে মানুষ, নাই পরোয়া।। বলতে পারিস, বিশ্ব-পিতা ভগবানের কোন সে জাত? কোন্ ছেলের তার লাগলে ছোঁয়া অশুচি হন জগন্নাথ? ভগবানের জাত যদি নাই তোদের কেন জাতের বালাই? ছেলের মুখে থুথু দিয়ে মার মুখে দিস ধূপের ধোঁয়া।।
রাগঃ পরজ মিশ্র
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
শিল্পীঃ অনুপ ঘোষাল

বঁধু, তোমার আমার এই যে বিরহ এক জনমের নহে। তাই যত কাছে পাই তত এ হিয়ায় কি যেন অভাব রহে।। বারে বারে মোরা কত সে ভুবনে আসি দেখিয়া নিমেষে দুইজনে ভালোবাসি, দলিয়া সহসা মিলনের সেই মালা (কেন) চলিয়া গিয়াছি দোঁহে।। আমরা বুঝি গো বাঁধিব না ঘর, অভিশাপ বিধাতার। শুধু চেয়ে থাকি, কেঁদে কেঁদে ডাকি, চাঁদ আর পারাবার যেন চাঁদ আর পারাবার। মোদের জীবন-মঞ্জরি দুটি হায়! শতবার ফোটে শতবার ঝ'রে যায়; আমি কাদি ব্রজে (বঁধু), তুমি কাঁদ মথুরায়, মাঝে অপার যমুনা বহে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ভেসে আসে সুদূর স্মৃতির সুরভি হায় সন্ধ্যায় রহি’ রহি’ কাঁদি’ ওঠে সকরুণ পূরবী, আমারে কাঁদায়।। কা’রা যেন এসেছিল, এসে ভালোবেসেছিল। ম্লান হ’য়ে আসে মনে তাহাদের সে-ছবি, পথের ধুলায়।। কেহ গেল দ’লে – কেহ ছ’লে, কেহ গলিয়া নয়ন নীরে যে গেল সে জনমের মত গেল চলিয়া এলো না, এলো না ফিরে। কেহ দুখ দিয়া গেল কেহ ব্যথা নিয়া গেল কেহ সুধা পিয়া গেল কেহ বিষ করবী তাহারা কোথায় আজ তাহারা কোথায়।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ছয় লতিফার ঊর্ধ্বে আমার আরফাত ময়দান। তারি মাঝে আছে কারা জানে বুজর্গান।। যবে হজরতেরি নাম জপি ভাই হাজার হজের আনন্দ পাই, জীবন মরণ দুই উঠে ভাই দেই সেথা কোরবান্।। আমি তুর পাহাড়ে সুর শুনে ভাই প্রেমানন্দে গলি, ফানাফির রসুলে আমি হেরার পথে চলি। হজরতেরি কদম চুমি হিজরে আসোয়াদ ইব্রাহিমের কোলে চ’ড়ে দেখি ঈদের চাঁদ, মোরে খোতবা শুনাব ইমাম হয়ে জিব্রাইল কোরআন।।
রাগঃ
তালঃ
বরষা ঋতু এলো এলো বিজয়ীর সাজে বাজে গুরু গুরু আনন্দ ডম্বরু অম্বর মাঝে।। বাঁকা বিদ্যুৎ তরবারি ঘন ঘন চমকায় হানে তীর বৃষ্টি অবিরল ধারায় শুনি’ রথ-চক্রের ধ্বনি অশনির রোলে সিন্ধু তরঙ্গে মঞ্জির বাজে।। ভীত বন-উপবন লুটায়ে লুটায়ে প্রণতি জানায় সেই বিজয়ীর পায়ে। তার অশান্ত গতিবেগ শুনি’ পুব হাওয়াতে চলে মেঘ-কুঞ্জর-সেনা তারি সাথে তূণীর কেতকীর জল-ধনু হাতে চঞ্চল দুরন্ত গগনে বিরাজে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ কোরাস

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan